দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

জানালার গ্রীল কেটে রাণীনগরের দোকানে চুরি, নগদসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল উধাও

জানালার গ্রীল কেটে রাণীনগরের দোকানে চুরি, নগদসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল উধাও

কলেজ ফাঁকি দিয়ে নরসিংদী ভ্রমণ, মেঘনায় নিখোঁজ বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার্থী

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিদেশি রাইফেল ও ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

তুরাগে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

শার্শার গিলাপোলে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

সোনারামপুরে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, গ্রাহকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক

বাঞ্ছারামপুরে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন: নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষার দাবি

বৈরী আবহাওয়ায় লিচুর ফলন কমে দুশ্চিন্তায় সোনারগাঁয়ের চাষিরা, লোকসানের শঙ্কা বাগান মালিকদের

জানালার গ্রীল কেটে রাণীনগরের দোকানে চুরি, নগদসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল উধাও

জানালার গ্রীল কেটে রাণীনগরের দোকানে চুরি, নগদসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল উধাও
জানালার গ্রীল কেটে রাণীনগরের একটি দোকানে চুরি

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় একটি ইলেকট্রনিক্স ও গৃহস্থালী পণ্যের দোকানে গভীর রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। জানালার গ্রীল কেটে দোকানে ঢুকে নগদ টাকা ও বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর দাবি, চুরি হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকা।


রোববার (১১ মে) রাতের কোনো এক সময় উপজেলার আবাদপুকুর বাজারের আমিরপুর মার্কেটে অবস্থিত “মেসার্স তাওহিদ এন্টারপ্রাইজ” নামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুরো বাজারজুড়ে আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সকালে দোকান খুলেই চুরির বিষয়টি জানতে পারেন মালিক

দোকানটির মালিক আতিকুর রহমান সুমন জানান, রোববার রাত পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই বেচাকেনা চলছিল। রাতের দিকে দোকান বন্ধ করে তালা লাগিয়ে বাড়িতে চলে যান তিনি। পরদিন সোমবার সকালে দোকানে এসে তালা খুলে ভেতরে ঢুকতেই তার সন্দেহ হয়। কারণ ক্যাশ ড্রয়ারগুলো এলোমেলো অবস্থায় পড়ে ছিল।

পরে দোকানের পেছনের অংশে গিয়ে তিনি দেখতে পান, জানালার গ্রীল কেটে ভেতরে প্রবেশের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে চোরেরা গ্রীল কেটে দোকানে ঢুকে পরিকল্পিতভাবে মালামাল সরিয়ে নেয়।

সুমনের ভাষ্য অনুযায়ী, দোকান থেকে নগদ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ছাড়াও ৯টি টেলিভিশন, ৪টি ব্লেন্ডার, ৭টি ইলেকট্রিক আয়রন, ১০টি চার্জার ফ্যান, ৬টি সিলিং ফ্যান, ১৩টি রাইস কুকার, ৮টি গ্যাস স্টোভ ও ৭টি প্রেসার কুকার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ৭২ হাজার ৬৪০ টাকা বলে দাবি করেছেন তিনি।

বাজারজুড়ে উদ্বেগ, ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সকালে আমিরপুর মার্কেট ও আশপাশের ব্যবসায়ীরা দোকানে ভিড় করেন। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, চোরেরা বেশ সময় নিয়ে কাজ করেছে বলেই মনে হচ্ছে। কারণ এত পরিমাণ মালামাল সরিয়ে নিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, রাতের বেলায় বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় চুরির ঝুঁকি বাড়ছে। তারা জানান, আগে ছোটখাটো চুরির ঘটনা ঘটলেও এবার বড় ধরনের ক্ষতির ঘটনা ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।

এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এক রাতে এত মালামাল নিয়ে যাওয়া সাধারণ ঘটনা না। এতে বোঝা যায়, চোরেরা আগে থেকেই পরিকল্পনা করে এসেছে।”

তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে শনাক্ত বা আটক করা যায়নি।


ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ

চুরির খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাণীনগর থানা পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া মন্ডল বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে। তিনি জানান, কীভাবে চুরি সংঘটিত হয়েছে এবং কারা জড়িত থাকতে পারে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দোকান মালিক থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিকল্পিত চুরির ইঙ্গিত দেখছেন স্থানীয়রা

স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, দোকানের ভেতরের অবস্থান ও মালামালের তথ্য আগে থেকেই কারও জানা ছিল। কারণ দোকানের সামনের তালা অক্ষত রেখেই জানালার গ্রীল কেটে প্রবেশ করা হয়েছে। এতে পরিকল্পিতভাবে চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে আলোচনা চলছে।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বাজারের সিসিটিভি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকজন ব্যবসায়ী দাবি করেন, পুরো বাজারে কার্যকর নিরাপত্তা নজরদারি থাকলে হয়তো চোরদের শনাক্ত করা সহজ হতো।

বাড়ছে নিরাপত্তা শঙ্কা

রাণীনগরের মতো উপজেলা শহর ও বাজার এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরি ও চুরির চেষ্টার ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বিশেষ করে রাতের বেলায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ফাঁকা থাকায় দুর্বৃত্তরা সুযোগ নিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বাজারভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানো জরুরি। না হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।

একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য এমন চুরি বড় ধরনের আর্থিক ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই ব্যাংক ঋণ বা ধারদেনা করে ব্যবসা পরিচালনা করেন। ফলে এক রাতের ঘটনায় বড় অঙ্কের ক্ষতি তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগাতে পারে।

তদন্তের অপেক্ষায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা

চুরির ঘটনার পর এখন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের প্রধান প্রত্যাশা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করা। পাশাপাশি বাজার এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবিও তুলছেন তারা।


দোকান মালিক আতিকুর রহমান সুমন জানিয়েছেন, তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা আশা করছেন। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় : নওগাঁ সংবাদ রাণীনগরে চুরি আবাদপুকুর বাজার নওগাঁ ক্রাইম নিউজ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


জানালার গ্রীল কেটে রাণীনগরের দোকানে চুরি, নগদসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল উধাও

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় একটি ইলেকট্রনিক্স ও গৃহস্থালী পণ্যের দোকানে গভীর রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। জানালার গ্রীল কেটে দোকানে ঢুকে নগদ টাকা ও বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর দাবি, চুরি হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকা।


রোববার (১১ মে) রাতের কোনো এক সময় উপজেলার আবাদপুকুর বাজারের আমিরপুর মার্কেটে অবস্থিত “মেসার্স তাওহিদ এন্টারপ্রাইজ” নামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুরো বাজারজুড়ে আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সকালে দোকান খুলেই চুরির বিষয়টি জানতে পারেন মালিক

দোকানটির মালিক আতিকুর রহমান সুমন জানান, রোববার রাত পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই বেচাকেনা চলছিল। রাতের দিকে দোকান বন্ধ করে তালা লাগিয়ে বাড়িতে চলে যান তিনি। পরদিন সোমবার সকালে দোকানে এসে তালা খুলে ভেতরে ঢুকতেই তার সন্দেহ হয়। কারণ ক্যাশ ড্রয়ারগুলো এলোমেলো অবস্থায় পড়ে ছিল।

পরে দোকানের পেছনের অংশে গিয়ে তিনি দেখতে পান, জানালার গ্রীল কেটে ভেতরে প্রবেশের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে চোরেরা গ্রীল কেটে দোকানে ঢুকে পরিকল্পিতভাবে মালামাল সরিয়ে নেয়।

সুমনের ভাষ্য অনুযায়ী, দোকান থেকে নগদ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ছাড়াও ৯টি টেলিভিশন, ৪টি ব্লেন্ডার, ৭টি ইলেকট্রিক আয়রন, ১০টি চার্জার ফ্যান, ৬টি সিলিং ফ্যান, ১৩টি রাইস কুকার, ৮টি গ্যাস স্টোভ ও ৭টি প্রেসার কুকার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ৭২ হাজার ৬৪০ টাকা বলে দাবি করেছেন তিনি।

বাজারজুড়ে উদ্বেগ, ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সকালে আমিরপুর মার্কেট ও আশপাশের ব্যবসায়ীরা দোকানে ভিড় করেন। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, চোরেরা বেশ সময় নিয়ে কাজ করেছে বলেই মনে হচ্ছে। কারণ এত পরিমাণ মালামাল সরিয়ে নিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, রাতের বেলায় বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় চুরির ঝুঁকি বাড়ছে। তারা জানান, আগে ছোটখাটো চুরির ঘটনা ঘটলেও এবার বড় ধরনের ক্ষতির ঘটনা ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।

এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এক রাতে এত মালামাল নিয়ে যাওয়া সাধারণ ঘটনা না। এতে বোঝা যায়, চোরেরা আগে থেকেই পরিকল্পনা করে এসেছে।”

তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে শনাক্ত বা আটক করা যায়নি।


ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ

চুরির খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাণীনগর থানা পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া মন্ডল বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে। তিনি জানান, কীভাবে চুরি সংঘটিত হয়েছে এবং কারা জড়িত থাকতে পারে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দোকান মালিক থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিকল্পিত চুরির ইঙ্গিত দেখছেন স্থানীয়রা

স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, দোকানের ভেতরের অবস্থান ও মালামালের তথ্য আগে থেকেই কারও জানা ছিল। কারণ দোকানের সামনের তালা অক্ষত রেখেই জানালার গ্রীল কেটে প্রবেশ করা হয়েছে। এতে পরিকল্পিতভাবে চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে আলোচনা চলছে।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বাজারের সিসিটিভি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকজন ব্যবসায়ী দাবি করেন, পুরো বাজারে কার্যকর নিরাপত্তা নজরদারি থাকলে হয়তো চোরদের শনাক্ত করা সহজ হতো।

বাড়ছে নিরাপত্তা শঙ্কা

রাণীনগরের মতো উপজেলা শহর ও বাজার এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরি ও চুরির চেষ্টার ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বিশেষ করে রাতের বেলায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ফাঁকা থাকায় দুর্বৃত্তরা সুযোগ নিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বাজারভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানো জরুরি। না হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।

একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য এমন চুরি বড় ধরনের আর্থিক ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই ব্যাংক ঋণ বা ধারদেনা করে ব্যবসা পরিচালনা করেন। ফলে এক রাতের ঘটনায় বড় অঙ্কের ক্ষতি তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগাতে পারে।

তদন্তের অপেক্ষায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা

চুরির ঘটনার পর এখন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের প্রধান প্রত্যাশা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করা। পাশাপাশি বাজার এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবিও তুলছেন তারা।


দোকান মালিক আতিকুর রহমান সুমন জানিয়েছেন, তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা আশা করছেন। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর