দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
  • photo-stories ফটো স্টোরি

জাতীয়

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৪৪ পিএম
পদত্যাগপত্র-জমা-দিয়েছেন-কোচ-সালাউদ্দিন।-তার-এই-সিদ্ধান্ত-সমর্থন-করেন-কি।

পদত্যাগপত্র-জমা-দিয়েছেন-কোচ-সালাউদ্দিন।-তার-এই-সিদ্ধান্ত-সমর্থন-করেন-কি।

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জনগণের স্বার্থে চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত সমাজ গড়বো: আলহাজ্ব ফজলুল হক

বনানী যুবদল নেতা লিটনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ লিটনের খপ্পরে নিঃস্ব বিধবা নারী রেশমি :থানায় অভিযোগ

বনানী ১৯ নং ওয়ার্ডে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: আহ্বায়ক কবির হোসেনের হুঁশিয়ারি

কোতোয়ালি থানায় নারী নির্যাতন, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ

আশকোনায় বোমা উদ্ধার: দক্ষিণখান থানার তৎপরতায় রক্ষা পেল হাজারো প্রাণ

টিএনটি-বিটিসিএল কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ গ্যাস বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

সোহরাওয়ার্দী কলেজে ইফতার মাহফিল, নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

সব লড়াইয়ের অবসান, চলে গেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

বেগম জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

১০

বনানীতে শারমীন শিলার কুকর্ম সীমাহীন মুল টার্গেট শিল্পপতি ব্যবসায়ী!!!

জনপ্রিয় সব খবর

হত্যা মামলায় আবারও রিমান্ডে সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দার — নতুন মোড়ে তদন্ত!

মেঘনা মোহনায় কোস্ট গার্ডের দুঃসাহসিক অভিযান: যাত্রীবাহী ট্রলার থেকে ৫ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক পাচারকারী আটক

ইরান যুদ্ধের ভয়াবহ প্রভাব: বিশ্বে আরও ৩ কোটির বেশি মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে—জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

“২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু: দেশে বাড়ছে আতঙ্ক, আক্রান্ত হাজার ছাড়াল”

কৃষি-শিল্পে বড় বিনিয়োগের বার্তা, জ্বালানিতে সোলার বিপ্লব—বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে আশার আলো!

শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: যুবদল পরিচয়ে তাণ্ডব, চার সহযোগী ৪ দিনের রিমান্ডে

“বিশ্ব অর্থনীতির ‘শ্বাসনালী’ হরমুজ প্রণালি ঝুঁকিতে—বন্ধ হলে থমকে যাবে তেল, খাদ্য ও শিল্প”

বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর! চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক ভিসা চালু করছে ভারত আগামী সপ্তাহেই

নববর্ষে কোনো হুমকি নেই—কঠোর নিরাপত্তায় ঢাকাজুড়ে প্রস্তুত র‍্যাব

১০

এসএসসি ২০২৬: নকলমুক্ত পরীক্ষায় কঠোর বার্তা

সর্বশেষ সব খবর

সারাদেশ

ইরান যুদ্ধের ভয়াবহ প্রভাব: বিশ্বে আরও ৩ কোটির বেশি মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে—জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

ইরান যুদ্ধের ভয়াবহ প্রভাব: বিশ্বে আরও ৩ কোটির বেশি মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে—জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের অর্থনৈতিক অভিঘাত বিশ্বজুড়ে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছে United Nations Development Programme। সংস্থাটির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধের কারণে বিশ্বে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখেরও বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। বিশ্ব যখন একটি অনিশ্চিত যুদ্ধবিরতির মধ্যে অবস্থান করছে, ঠিক সেই সময় এই সতর্কবার্তা আরও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতি এখন একসঙ্গে তিনটি বড় ধাক্কার মুখে—জ্বালানি সংকট, খাদ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং মন্থর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করা এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি জানিয়েছে, চলমান সংঘাত ইতোমধ্যেই গত কয়েক বছরে অর্জিত উন্নয়ন অগ্রগতিকে পিছিয়ে দিচ্ছে। বিভিন্ন অঞ্চলে এর প্রভাব ভিন্নভাবে দেখা গেলেও উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। সংস্থাটির প্রশাসক এবং বেলজিয়ামের সাবেক প্রধানমন্ত্রী Alexander De Croo বলেছেন, “যুদ্ধ বন্ধ হলেও এর অর্থনৈতিক ক্ষতি ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিশ্ব অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দেবে।” এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে International Monetary Fund-এর বসন্তকালীন বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন বিশ্বনেতারা। ইউএনডিপি জোর দিয়ে বলেছে, এই সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতির তিনটি সম্ভাব্য চিত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে—যদি তেল ও গ্যাস উৎপাদনে অন্তত ছয় সপ্তাহ বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে এবং পরবর্তী আট মাস উচ্চমূল্য বজায় থাকে—তাহলে বিশ্বে প্রায় ৩ কোটি ২৫ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের মধ্যে পড়ে যাবেন। এই হিসাব নির্ধারণে World Bank-এর নির্ধারিত ‘আপার-মিডল-ইনকাম’ দারিদ্র্যসীমা ব্যবহার করা হয়েছে। এই মানদণ্ড অনুযায়ী, যাদের দৈনিক আয় ৮ দশমিক ৩০ ডলারের কম, তারা দারিদ্র্যের এই শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সম্ভাব্য দারিদ্র্য বৃদ্ধির অর্ধেকই ঘটবে জ্বালানি আমদানিনির্ভর ৩৭টি দেশে। এর মধ্যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল, আফ্রিকা, এশিয়া এবং ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলো সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়বে। সব মিলিয়ে, ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাত শুধু একটি আঞ্চলিক সমস্যা নয়—এটি ধীরে ধীরে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মানবিক পরিস্থিতিকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

“২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু: দেশে বাড়ছে আতঙ্ক, আক্রান্ত হাজার ছাড়াল”

“২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু: দেশে বাড়ছে আতঙ্ক, আক্রান্ত হাজার ছাড়াল”

দেশে আবারও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগের প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং এর উপসর্গে মোট ৭ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সময়ের মধ্যে ঢাকায় হাম আক্রান্ত হয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি, হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকায় আরও ৪ জন এবং রাজশাহীতে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিতভাবে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে। এছাড়া, হামের উপসর্গ নিয়ে সন্দেহজনক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৫৬ জন। শুধু মৃত্যুই নয়, আক্রান্তের সংখ্যাও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭২১ জনে। অন্যদিকে, সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ৯৫৪ জন। তবে আশার খবরও রয়েছে। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮ হাজার ৩৬৯ জন রোগী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা এবং সচেতনতা বাড়ানো ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। অভিভাবকদের প্রতি শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। দেশজুড়ে হাম পরিস্থিতির এই দ্রুত অবনতি স্বাস্থ্যখাতে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কৃষি-শিল্পে বড় বিনিয়োগের বার্তা, জ্বালানিতে সোলার বিপ্লব—বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে আশার আলো!

কৃষি-শিল্পে বড় বিনিয়োগের বার্তা, জ্বালানিতে সোলার বিপ্লব—বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে আশার আলো!

দেশের কৃষি, শিল্প ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে টেকসই উন্নয়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আহসান খান চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও।সোমবার (১৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আহসান খান চৌধুরী জানান, বৈঠকে দেশের কৃষি, শিল্প এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কৃষি ও শিল্পের সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।তিনি বলেন, চিনি শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার বিশেষভাবে উৎসাহ দিচ্ছে। পাশাপাশি ফল উৎপাদন, পোল্ট্রি, মৎস্য খাত এবং বীজ ব্যবস্থাপনাসহ কৃষির বিভিন্ন খাত নিয়ে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও আলোচনা হয়েছে।তার ভাষায়, “আমরা চাই বাংলাদেশে কৃষিতে একটি নতুন বিপ্লব ঘটুক। উৎপাদন বাড়ুক, আর ব্যবসার পরিবেশ আরও সহজ ও গতিশীল হোক।”বৈঠকে কৃষি জোনিংয়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। কোন এলাকায় ধান, কোথায় ফল বা অন্য ফসল উৎপাদন হবে—এ নিয়ে জোনভিত্তিক পরিকল্পনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে করে উৎপাদন বাড়ানো এবং সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এ বিষয়ে সরকার ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে উৎসাহ দিয়েছে।এছাড়া, ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি) খাতে কর সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি যমুনা সেতু পারাপারে ইভি যানবাহনের জন্য টোল সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বৈঠক শেষে আহসান খান চৌধুরী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের কৃষি ও শিল্প খাতে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হবে এবং টেকসই উন্নয়নের পথ আরও শক্তিশালী হবে।

শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: যুবদল পরিচয়ে তাণ্ডব, চার সহযোগী ৪ দিনের রিমান্ডে

শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: যুবদল পরিচয়ে তাণ্ডব, চার সহযোগী ৪ দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতাল-এ চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার চার আসামিকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন— ফারুক হোসেন সুমন, লিটন মিয়া, ফালান মিয়া এবং মো. রুবেল।এর আগে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, মামলার প্রধান আসামি মঈন উদ্দিনসহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল)। অভিযোগ অনুযায়ী, যুবদল নেতার পরিচয় দিয়ে একদল ব্যক্তি কামরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালটিতে এসে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ সময় তারা নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলেও জানা যায়।এ ঘটনায় হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের ইনচার্জ আবু হানিফ রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা-এ একটি মামলা দায়ের করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, রিমান্ডে নিয়ে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চাঁদাবাজির পুরো চক্র এবং এর পেছনের সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক উদঘাটনের চেষ্টা করা হবে।

আন্তর্জাতিক

মেঘনা মোহনায় কোস্ট গার্ডের দুঃসাহসিক অভিযান: যাত্রীবাহী ট্রলার থেকে ৫ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক পাচারকারী আটক

মেঘনা মোহনায় কোস্ট গার্ডের দুঃসাহসিক অভিযান: যাত্রীবাহী ট্রলার থেকে ৫ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক পাচারকারী আটক

চাঁদপুরের মেঘনা নদীর মোহনা এলাকায় কোস্ট গার্ডের সফল অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পরিচালিত এই অভিযানে একটি যাত্রীবাহী ট্রলার তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন চাঁদপুর একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন একটি যাত্রীবাহী ট্রলারকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ট্রলার থেকে ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকেই দুইজন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।তিনি আরও বলেন, দেশের নদীপথ ব্যবহার করে মাদক পাচারের প্রবণতা রোধে কোস্ট গার্ড সর্বদা তৎপর রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেঘনা নদীর মোহনা এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই মাদক পাচারের জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কোস্ট গার্ডের এই অভিযান এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে আশা করছেন সচেতন মহল।

৯ ঘন্টা আগে

আইন-বিচার

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা

 মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তামধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি—বিশেষ করে ইরান, ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট উত্তেজনার কারণে—সেখানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি ভাই-বোনদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।এই প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সম্মানিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো যাচ্ছে: জরুরি করণীয়1️⃣ আপনার অবস্থানরত দেশে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি, হয়রানি, বা জরুরি পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে দ্রুত নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস/এম্বাসির সাথে যোগাযোগ করুন।2️⃣ দূতাবাস থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেলে আমাদেরকে অবহিত করুন।3️⃣ আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব আপনাদের সমস্যা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে সমাধানের ব্যবস্থা করতে। আমরা আছি আপনাদের পাশেপ্রবাসে থাকা আমাদের ভাই-বোনেরা দেশের গর্ব ও অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। আপনাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।পাশে ছিলাম, পাশে আছি, পাশে থাকব — ইনশাআল্লাহ।ইঞ্জি: আশরাফ উদ্দিন বকুল, সংসদ সদস্য, নরসিংদী- ৫ রায়পুরা

০১ মার্চ ২০২৬

রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমান বাহিনী প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ—কি বার্তা লুকিয়ে আছে এই বৈঠকে?

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমান বাহিনী প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ—কি বার্তা লুকিয়ে আছে এই বৈঠকে?

রাজধানীর জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠককে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়বস্তু এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে—দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাধারণত কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং এতে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে প্রতিরক্ষা খাতে আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। তাই এই সাক্ষাৎকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য সরকারি সূত্রের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির অপেক্ষা করা হচ্ছে।

“সংস্কার থামলেই নতুন অভ্যুত্থান—হাসনাত আবদুল্লাহর কড়া হুঁশিয়ারি”

“সংস্কার থামলেই নতুন অভ্যুত্থান—হাসনাত আবদুল্লাহর কড়া হুঁশিয়ারি”

রাজনৈতিক সংস্কার থেকে পিছিয়ে গেলে দেশে আবারও অভ্যুত্থানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—এমন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার থেকে সরে আসে, তাহলে ২০২৪ সালের মতো আরেকটি গণ–অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি সময়ের ব্যাপার মাত্র। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে এসব কথা বলেন তিনি। ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা–সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল ও গুম প্রতিরোধ/প্রতিকার অধ্যাদেশ স্থগিত: সুশাসন ও মানবাধিকারের অগ্রযাত্রার প্রতি হুমকি’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে Voice for Reform। সংলাপে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার কমিশনের কার্যকারিতা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য হয়নি; বরং রাষ্ট্রকাঠামোর মৌলিক পরিবর্তনের দাবিতেই সেই আন্দোলন হয়েছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, “যদি পুরোনো ব্যবস্থাই বহাল রাখা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে যে কেউ আবার স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারে।” এ প্রসঙ্গে তিনি শেখ হাসিনা-র নাম উল্লেখ করে বলেন, “হাসিনা কোনো একক ব্যক্তি নয়, বরং ফ্যাসিবাদী চিন্তার সমষ্টি।” তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তন না হলে দেশ আবারও অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের দুর্ভোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, মানুষ এমন একটি রাষ্ট্র চেয়েছিল যেখানে কাউকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নিখোঁজ করা হবে না। মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। তার মতে, কমিশনকে যদি সরকারি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়, তাহলে এর কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ কার্যকর না হয়, তবে ২০০৯ সালের আইনে ফিরে গিয়ে তদন্তের দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে যেতে পারে—যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। সংলাপে আরও বক্তব্য দেন আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী মানজুর-আল-মতিন। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণ–সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত প্রণয়ন করা হলেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকারী আইন এখনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে রয়েছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ এবং গুম বন্ধের অঙ্গীকার রক্ষায় দ্রুত বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। সংলাপে আরও বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান। নাগরিক সংলাপটি সঞ্চালনা করেন ভয়েস ফর রিফর্মের উদ্যোক্তা ও সংগঠক ফাহিম মাশরুর। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংলাপে উত্থাপিত বক্তব্যগুলো দেশের চলমান রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকট নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিতে পারে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিকে আরও জোরালো করতে পারে।

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট এপ্রিলেই! তপশিল চূড়ান্তে কমিশন সভা, আজই আসছে ভোটার তালিকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের ১১তম সভা শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত আছেন। পাশাপাশি ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সভায় অংশ নিয়েছেন। ইসি সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তপশিল ও ভোটের তারিখ নির্ধারণই প্রধান আলোচ্য বিষয়। তবে এর বাইরেও আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সভায় মোট পাঁচটি এজেন্ডা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়াদি, নির্বাচনী সামগ্রী সংরক্ষণে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা, শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন, নির্বাচন-পূর্ব ও পরবর্তী বিভিন্ন মামলা সংক্রান্ত বিষয় এবং নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় আহত ও নিহতদের ক্ষতিপূরণ নীতিমালা। এদিকে আইন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের দিন থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনে রাজনৈতিক দলগুলো জোটগতভাবে নির্বাচন করবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সেই সময়সীমা রোববার শেষ হয়েছে। ফলে আজ সোমবার সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে। আইন আরও বলছে, গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সেই হিসেবে আগামী ১৪ মে’র মধ্যে নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। তবে নির্বাচন কমিশন চলতি এপ্রিল মাসের মধ্যেই এই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সব মিলিয়ে, আজকের কমিশন সভা সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় এনে দিতে পারে। এখন সবার নজর তপশিল ঘোষণা ও সম্ভাব্য ভোটের তারিখের দিকে।

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট এপ্রিলেই! তপশিল চূড়ান্তে কমিশন সভা, আজই আসছে ভোটার তালিকা

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জামায়াত আমিরের মধ্যে তুমুল বিতর্ক

সংবিধান সংস্কার নিয়ে সংসদে উত্তপ্ত বিতর্ক: ‘আবেগ নয়, চলতে হবে সাংবিধানিক পথে’সংসদীয় প্রতিবেদক | ঢাকাজাতীয় সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ ২০২৬) অধিবেশনের শুরুতেই বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে আইনি ও সাংবিধানিক ব্যাখ্যা নিয়ে এই বিতর্ক হয়।বিরোধীদলীয় নেতার উদ্বেগ ও দাবিঅনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১৩ নভেম্বর ২০২৫-এ রাষ্ট্রপতির জারিকৃত ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ অনুযায়ী নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলেও তা করা হয়নি।তিনি যুক্তি দেন, সংসদ সদস্যরা বর্তমানে দুটি ভিন্ন ক্ষমতায় (ক্যাপাসিটি) নির্বাচিত হয়েছেন—একইসাথে তারা জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির পরামর্শে সংসদের অধিবেশন ডাকা হলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকা আইনের লঙ্ঘন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টা যুক্তি: ‘রাষ্ট্র চলে আইনে, ইমোশনে নয়’বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্র কেবল আবেগ দিয়ে নয়, বরং সংবিধান ও আইনের কঠোর ধারা অনুযায়ী চলে। তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশটির আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে একে ‘না অধ্যাদেশ, না আইন—একটি আরোপিত আদেশ’ হিসেবে অভিহিত করেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল পয়েন্টগুলো ছিল:সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা: বর্তমান সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের’ কোনো অস্তিত্ব নেই। ফলে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে কোনো পরামর্শ দিতে পারেন না।আদালতের রুল: এই আদেশের নির্দিষ্ট অংশ কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা নিয়ে আদালত রুল জারি করেছেন। যদিও সংসদ সার্বভৌম, তবুও সংবিধান লঙ্ঘন করে কোনো আইন প্রণয়ন করা সম্ভব নয়।গণভোটের বিতর্ক: তিনি দাবি করেন, গণভোটে চারটি ভিন্ন প্রশ্ন থাকলেও মানুষের জন্য আলাদাভাবে উত্তর দেওয়ার সুযোগ ছিল না, যা পদ্ধতিগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ।সমাধানের পথ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনরায়কে সম্মান দিতে হলে তা সাংবিধানিক পথেই দিতে হবে। তিনি প্রয়োজনে বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল আনার বিষয়টি কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে আলোচনার প্রস্তাব দেন।স্পিকারের সিদ্ধান্তবিতর্ক শেষে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। তবে এই ধরনের জটিল বিষয়ে তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি বিরোধীদলীয় নেতাকে যথাযথ বিধি অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দেন এবং এরপর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা জানান।প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ (Quick Highlights):ইস্যু: জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন না করা।জামায়াত আমিরের দাবি: ৩০ দিনের মধ্যে অধিবেশন ডাকার আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবস্থান: সংবিধানে সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নেই; আইনানুগ ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই একমাত্র পথ।ফলাফল: বিষয়টি সংসদীয় কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে আলোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে।

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জামায়াত আমিরের মধ্যে তুমুল বিতর্ক

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, জানা গেল সংশ্লিষ্ট সূত্রে

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল: সবশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই হবেন প্রধাননিজস্ব প্রতিবেদক, সুপ্রিম কোর্ট | রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬সংবিধানে বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত রায়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশের সবশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের লেখা ৭৪ পৃষ্ঠার এই ঐতিহাসিক রায়টি আপলোড করা হয়।রায়ের মূল দিকসমূহগত ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেছিলেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা ছিলেন— বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা অপরিহার্য।দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পরিক্রমাএই রায়ের পথ প্রশস্ত হয়েছে কয়েক মাসের টানা শুনানির মাধ্যমে:রিভিউ আবেদন: ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২৭ আগস্ট সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি প্রথম রিভিউ আবেদন করেন। পরবর্তীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার পৃথক আবেদন জানান।শুনানি: অক্টোবর ও নভেম্বর মাস জুড়ে প্রায় ১০ দিনব্যাপী এই মামলার শুনানি চলে। যেখানে ড. শরীফ ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং অ্যাডভোকেট শিশির মনির আবেদনকারীদের পক্ষে এবং অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার ইতিহাসঅন্তর্ভুক্তি: ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এটি সংবিধানে যুক্ত হয়।বৈধতা: ২০০৪ সালে হাইকোর্ট একে বৈধ ঘোষণা করলেও ২০১১ সালে আপিল বিভাগের তৎকালীন বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে এটি বাতিল করে দেয়।বাতিল ও পুনঃস্থাপন: ২০১১ সালের ৩০ জুন পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ব্যবস্থাটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। দীর্ঘ ১৫ বছর পর ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী প্রেক্ষাপটে সর্বোচ্চ আদালত আগের রায় পুনর্বিবেচনা করে পুনরায় এই ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনলেন।ভবিষ্যৎ প্রভাবএই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ফলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসমূহ একটি নিরপেক্ষ ও অরাজনৈতিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বড় ভূমিকা রাখবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, জানা গেল সংশ্লিষ্ট সূত্রে

"সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে সংসদে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের আশঙ্কা"

আপনার দেওয়া বিস্তারিত তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে একটি পূর্ণাঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রতিবেদন নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো। এটি যেকোনো সংবাদ মাধ্যম বা পোর্টালের জন্য উপযুক্ত।সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ: আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াত জোটের, অনড় বিএনপিনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৫ মার্চ, ২০২৬ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং পৃথক অধিবেশন ডাকার দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধী জোট। দাবি আদায় না হলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র দলগুলো। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন দল বিএনপি বিষয়টিকে সংসদের নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে চায়।অধিবেশনের শুরুতেই হট্টগোল ও ওয়াকআউটগত বৃহস্পতিবার সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ চলাকালে নজিরবিহীন হট্টগোল সৃষ্টি হয়। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টার আলোচনায় তারা অংশ নেবেন এবং কেন তারা ওয়াকআউট করেছেন তার ব্যাখ্যা সংসদে তুলে ধরবেন।‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও সময়সীমার সংকটজুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যার সময়সীমা আজ ১৫ মার্চ শেষ হচ্ছে। জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ তাদের জোটের সদস্যরা এরই মধ্যে সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে পৃথক শপথ নিয়েছেন।জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোট সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন:"আজ ১৫ মার্চ সরকারের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সরকার যদি আজই জুলাই সনদ অনুযায়ী অধিবেশন না ডাকে, তবে তাদের এর দায় নিতে হবে। দাবি মানা না হলে আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হব।"সরকারের অবস্থান ও বিএনপির যুক্তিসংবিধান সংস্কার ইস্যুতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন নীতিনির্ধারকরা। কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি এবং সরকার চায় সব সমাধান সংসদের মাধ্যমেই হোক। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানও জানিয়েছেন, বিএনপি এই মুহূর্তে আলাদা অধিবেশন ডাকার পক্ষে নয় এবং সংসদের ভেতরেই এ নিয়ে আলোচনা হবে।সংসদ সচিবালয়ের সর্বশেষ তথ্যআজ রবিবার বেলা ১১টায় সংসদের মুলতবি অধিবেশন পুনরায় শুরু হচ্ছে। কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী:অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।জারি হওয়া ১৩৩টি অধ্যাদেশ পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮টি এবং বিভিন্ন মন্ত্রীদের জন্য ৪৬০টি প্রশ্ন জমা পড়েছে।

খেলাধুলা

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

খেলাধুলা

হংকং চায়নার বিপক্ষে ৪-৪ ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে এশিয়ান গেমসের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া—এটা শুধু জয় না, মানসিক দৃঢ়তারও প্রমাণ।

হংকং চায়নার বিপক্ষে ৪-৪ ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে এশিয়ান গেমসের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া—এটা শুধু জয় না, মানসিক দৃঢ়তারও প্রমাণ।

শুরুতেই এগিয়ে গিয়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ হংকং বারবার ফিরে এসে ম্যাচকে করে তোলে উত্তেজনাপূর্ণ শেষ কোয়ার্টারে নাটকীয়ভাবে সমতা ফেরে টাইব্রেকারে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স: ওয়ায়দুল জয় রোমান সরকার ফজলে রাব্বি —এই তিনজনের সফল শটেই জয় নিশ্চিত হয় কেন এই জয় গুরুত্বপূর্ণ? বাংলাদেশ বাছাইপর্বের সেরা ছয়ে উঠে গেছে ফলে আগামী এশিয়ান গেমসে খেলার টিকিট নিশ্চিত টুর্নামেন্টটি হবে জাপানে (সেপ্টেম্বরে) চাইনিজ তাইপেকে হারানো শ্রীলঙ্কার কাছে হার উজবেকিস্তানের সঙ্গে ড্র তারপর এই গুরুত্বপূর্ণ জয় সব মিলিয়ে ওঠানামার মধ্যেও দল শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে পৌঁছেছে—এটাই বড় কথা। বাংলাদেশ এর আগে এশিয়ান গেমসে ১১ বার খেলেছে, আর সেরা সাফল্য: ১৯৭৮ ২০১৮উভয়বারই ৬ষ্ঠ স্থান এবার এই যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে আবারও নতুন করে আশা জাগালো দল। চাও হলে আমি এই ম্যাচের টাইব্রেকারের বিশ্লেষণ বা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স আলাদা করে ভেঙে বলতে পারি।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !