পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৬ সামনে রেখে শেরপুরের শ্রীবরদীতে নিম্নআয়ের ও অসহায় মানুষের জন্য ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেলের মাধ্যমে টিসিবির নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ মনীষা আহমেদ।
উদ্বোধনের পর থেকেই নির্ধারিত মূল্যে টিসিবির পণ্য কিনতে সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা যায়। স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কার্যক্রমে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো বাজারদরের তুলনায় কম দামে প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছেন।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় বাজারে দাম বাড়ার কারণে অনেক নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা কঠিন হয়ে পড়ে। এমন বাস্তবতায় সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) স্বল্পমূল্যে পণ্য সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে।
শ্রীবরদীর ট্রাকসেলে ভোজ্যতেল, চিনি, ডালসহ প্রয়োজনীয় কিছু পণ্য নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ মনীষা আহমেদ বলেন, ঈদের আগে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা বিবেচনায় রেখে সরকার এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যাতে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষ ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে পারেন, সে লক্ষ্যেই প্রশাসন পুরো কার্যক্রম তদারকি করছে।
তিনি আরও বলেন, সুশৃঙ্খলভাবে পণ্য বিক্রি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা সুবিধা পান।
উদ্বোধনের আগেই উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনেক মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন। পণ্য কিনতে আসা কয়েকজন জানান, বাজারের তুলনায় কম দামে প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়ায় তারা স্বস্তি অনুভব করছেন।
একজন উপকারভোগী বলেন, “ঈদের সময় খরচ অনেক বেড়ে যায়। টিসিবির এই পণ্য আমাদের জন্য অনেক সহায়ক।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎসবের সময় স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর ওপর আর্থিক চাপ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে বাজারে সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেও এমন উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হলে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি চলবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভোগান্তি না ঘটে।
পবিত্র ঈদুল আজহার আগে সরকারের এই উদ্যোগে শ্রীবরদীর অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহে বাড়তি স্বস্তি পাচ্ছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৬ সামনে রেখে শেরপুরের শ্রীবরদীতে নিম্নআয়ের ও অসহায় মানুষের জন্য ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেলের মাধ্যমে টিসিবির নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ মনীষা আহমেদ।
উদ্বোধনের পর থেকেই নির্ধারিত মূল্যে টিসিবির পণ্য কিনতে সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা যায়। স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কার্যক্রমে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো বাজারদরের তুলনায় কম দামে প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছেন।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় বাজারে দাম বাড়ার কারণে অনেক নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা কঠিন হয়ে পড়ে। এমন বাস্তবতায় সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) স্বল্পমূল্যে পণ্য সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে।
শ্রীবরদীর ট্রাকসেলে ভোজ্যতেল, চিনি, ডালসহ প্রয়োজনীয় কিছু পণ্য নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ মনীষা আহমেদ বলেন, ঈদের আগে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা বিবেচনায় রেখে সরকার এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যাতে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষ ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে পারেন, সে লক্ষ্যেই প্রশাসন পুরো কার্যক্রম তদারকি করছে।
তিনি আরও বলেন, সুশৃঙ্খলভাবে পণ্য বিক্রি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা সুবিধা পান।
উদ্বোধনের আগেই উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনেক মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন। পণ্য কিনতে আসা কয়েকজন জানান, বাজারের তুলনায় কম দামে প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়ায় তারা স্বস্তি অনুভব করছেন।
একজন উপকারভোগী বলেন, “ঈদের সময় খরচ অনেক বেড়ে যায়। টিসিবির এই পণ্য আমাদের জন্য অনেক সহায়ক।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎসবের সময় স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর ওপর আর্থিক চাপ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে বাজারে সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেও এমন উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হলে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি চলবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভোগান্তি না ঘটে।
পবিত্র ঈদুল আজহার আগে সরকারের এই উদ্যোগে শ্রীবরদীর অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহে বাড়তি স্বস্তি পাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন