যশোরের নাভারন–সাতক্ষীরা মহাসড়কের গিলাপোল এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) ভোরে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরেকজনের মৃত্যু হয়। একই গ্রামের দুই বাসিন্দার এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৭টার দিকে উলাশীর খালপাড় গ্রামের শাহিন হোসেন (৩৫) এবং তুজাম্মেল হোসেন (৪৮) একটি মোটরসাইকেলে করে নাভারন বাজারে কাঁচামাল (ঝাল) বিক্রির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।
পথিমধ্যে গিলাপোল এলাকার ‘কবির ব্রিক্স’-এর সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির কভার ভ্যান তাদের মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। মুহূর্তেই ঘটে যায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে শাহিন হোসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
স্থানীয়রা দ্রুত আহত তুজাম্মেল হোসেনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে গুরুতর আহত অবস্থায় পথেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।
একই এলাকার দুই ব্যক্তির মৃত্যুতে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও কান্নার রোল পড়ে যায়।
ঘটনার পরপরই নাভারন হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। একই সঙ্গে ঘাতক কভার ভ্যানটিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নাভারন হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোপাল চন্দ্র দাস বলেন,
“আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। ঘাতক কভার ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উলাশী গ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া। নিহতদের বাড়িতে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে প্রায়ই বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা মনে করেন, সঠিক নজরদারি ও গতিনিয়ন্ত্রণ না থাকলে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু রোধ করা সম্ভব নয়।
স্থানীয়রা বলছেন, নাভারন–সাতক্ষীরা মহাসড়কটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেখানে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। ফলে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চালকদের অসচেতনতা এবং অতিরিক্ত গতি এই ধরনের দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। পাশাপাশি পথচারী ও মোটরসাইকেল চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি হয়ে পড়েছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
যশোরের নাভারন–সাতক্ষীরা মহাসড়কের গিলাপোল এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) ভোরে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরেকজনের মৃত্যু হয়। একই গ্রামের দুই বাসিন্দার এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৭টার দিকে উলাশীর খালপাড় গ্রামের শাহিন হোসেন (৩৫) এবং তুজাম্মেল হোসেন (৪৮) একটি মোটরসাইকেলে করে নাভারন বাজারে কাঁচামাল (ঝাল) বিক্রির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।
পথিমধ্যে গিলাপোল এলাকার ‘কবির ব্রিক্স’-এর সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির কভার ভ্যান তাদের মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। মুহূর্তেই ঘটে যায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে শাহিন হোসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
স্থানীয়রা দ্রুত আহত তুজাম্মেল হোসেনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে গুরুতর আহত অবস্থায় পথেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।
একই এলাকার দুই ব্যক্তির মৃত্যুতে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও কান্নার রোল পড়ে যায়।
ঘটনার পরপরই নাভারন হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। একই সঙ্গে ঘাতক কভার ভ্যানটিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নাভারন হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোপাল চন্দ্র দাস বলেন,
“আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। ঘাতক কভার ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উলাশী গ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া। নিহতদের বাড়িতে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে প্রায়ই বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা মনে করেন, সঠিক নজরদারি ও গতিনিয়ন্ত্রণ না থাকলে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু রোধ করা সম্ভব নয়।
স্থানীয়রা বলছেন, নাভারন–সাতক্ষীরা মহাসড়কটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেখানে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। ফলে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চালকদের অসচেতনতা এবং অতিরিক্ত গতি এই ধরনের দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। পাশাপাশি পথচারী ও মোটরসাইকেল চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি হয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন