রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে শুরু হয়েছে চারদিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অংশগ্রহণে আয়োজিত বর্ণাঢ্য বার্ষিক প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন।
রোববার (১০ মে) সকাল ৯টার পর আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে প্রথম পুলিশ সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
সকাল থেকেই রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পুলিশের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট, পতাকাবাহী দল এবং বিশেষ ইউনিটের সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে প্যারেডে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি খোলা জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী সদস্যদের অভিবাদন গ্রহণ করেন।
এবারের বার্ষিক প্যারেডে অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার। বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যদের কুচকাওয়াজ ও প্রদর্শনী উপস্থিত অতিথিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও জনসেবামূলক কার্যক্রম তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই আয়োজন করা হয়। তবে এবারের অনুষ্ঠান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, কারণ সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের পর এটি নতুন সরকারের অধীনে প্রথম পুলিশ সপ্তাহ।
সকাল ৯টার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপার এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় এটিই প্রথম পুলিশ সপ্তাহ। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, প্রশাসনিক সংস্কার এবং জনসম্পৃক্ত পুলিশিং নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রেও এবারের আয়োজনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক পালাবদলের পর সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাও অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, নাগরিক নিরাপত্তা এবং পুলিশের জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই বাস্তবতায় এবারের পুলিশ সপ্তাহ সরকারের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং, সাইবার অপরাধ দমন এবং মাঠপর্যায়ে জনবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। যদিও এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।
‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এবারের প্রতিপাদ্যে জনসেবামুখী পুলিশিংয়ের বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা দেখা গেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, জনগণের আস্থা অর্জনই বর্তমানে পুলিশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন ঘটনায় পুলিশি ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হলেও অপরাধ দমন, জঙ্গিবাদ মোকাবিলা এবং দুর্যোগকালীন সহায়তায় বাহিনীর নানা ইতিবাচক ভূমিকার কথাও উঠে আসে। ফলে জনআস্থা পুনর্গঠন এবং পেশাদারিত্ব বাড়ানো এখন পুলিশের জন্য বড় অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাঠপর্যায়ে কাজের চাপ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর মতো বিষয়গুলো নিয়েও বাহিনীর ভেতরে আলোচনা রয়েছে।
পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আগামী ১৩ মে পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে বিশেষ সভা, পদক প্রদান অনুষ্ঠান, কল্যাণমূলক আলোচনা, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক অধিবেশন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নীতিনির্ধারণী বৈঠক।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবারের কর্মসূচিতে বাহিনীর আধুনিকায়ন, সদস্যদের কল্যাণ এবং নাগরিক সেবার মান উন্নয়নের বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে।
তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, আনুষ্ঠানিক আয়োজনের বাইরে বাস্তব ক্ষেত্রেও পুলিশের আচরণ ও সেবার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। কারণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা যত বাড়বে, ততই শক্তিশালী হবে রাষ্ট্রের নাগরিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের সময়ে পুলিশের ভূমিকা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই এবারের পুলিশ সপ্তাহকে শুধু আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, বরং নতুন সরকারের অধীনে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
আগামী কয়েক দিনে পুলিশ সপ্তাহের বিভিন্ন অধিবেশনে বাহিনীর সংস্কার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জনমুখী কার্যক্রম নিয়ে কী ধরনের সিদ্ধান্ত আসে, সেদিকেই এখন নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট মহলের।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে শুরু হয়েছে চারদিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অংশগ্রহণে আয়োজিত বর্ণাঢ্য বার্ষিক প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন।
রোববার (১০ মে) সকাল ৯টার পর আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে প্রথম পুলিশ সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
সকাল থেকেই রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পুলিশের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট, পতাকাবাহী দল এবং বিশেষ ইউনিটের সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে প্যারেডে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি খোলা জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী সদস্যদের অভিবাদন গ্রহণ করেন।
এবারের বার্ষিক প্যারেডে অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার। বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যদের কুচকাওয়াজ ও প্রদর্শনী উপস্থিত অতিথিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও জনসেবামূলক কার্যক্রম তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই আয়োজন করা হয়। তবে এবারের অনুষ্ঠান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, কারণ সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের পর এটি নতুন সরকারের অধীনে প্রথম পুলিশ সপ্তাহ।
সকাল ৯টার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপার এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় এটিই প্রথম পুলিশ সপ্তাহ। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, প্রশাসনিক সংস্কার এবং জনসম্পৃক্ত পুলিশিং নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রেও এবারের আয়োজনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক পালাবদলের পর সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাও অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, নাগরিক নিরাপত্তা এবং পুলিশের জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই বাস্তবতায় এবারের পুলিশ সপ্তাহ সরকারের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং, সাইবার অপরাধ দমন এবং মাঠপর্যায়ে জনবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। যদিও এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।
‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এবারের প্রতিপাদ্যে জনসেবামুখী পুলিশিংয়ের বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা দেখা গেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, জনগণের আস্থা অর্জনই বর্তমানে পুলিশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন ঘটনায় পুলিশি ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হলেও অপরাধ দমন, জঙ্গিবাদ মোকাবিলা এবং দুর্যোগকালীন সহায়তায় বাহিনীর নানা ইতিবাচক ভূমিকার কথাও উঠে আসে। ফলে জনআস্থা পুনর্গঠন এবং পেশাদারিত্ব বাড়ানো এখন পুলিশের জন্য বড় অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাঠপর্যায়ে কাজের চাপ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর মতো বিষয়গুলো নিয়েও বাহিনীর ভেতরে আলোচনা রয়েছে।
পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আগামী ১৩ মে পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে বিশেষ সভা, পদক প্রদান অনুষ্ঠান, কল্যাণমূলক আলোচনা, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক অধিবেশন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নীতিনির্ধারণী বৈঠক।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবারের কর্মসূচিতে বাহিনীর আধুনিকায়ন, সদস্যদের কল্যাণ এবং নাগরিক সেবার মান উন্নয়নের বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে।
তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, আনুষ্ঠানিক আয়োজনের বাইরে বাস্তব ক্ষেত্রেও পুলিশের আচরণ ও সেবার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। কারণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা যত বাড়বে, ততই শক্তিশালী হবে রাষ্ট্রের নাগরিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের সময়ে পুলিশের ভূমিকা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই এবারের পুলিশ সপ্তাহকে শুধু আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, বরং নতুন সরকারের অধীনে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
আগামী কয়েক দিনে পুলিশ সপ্তাহের বিভিন্ন অধিবেশনে বাহিনীর সংস্কার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জনমুখী কার্যক্রম নিয়ে কী ধরনের সিদ্ধান্ত আসে, সেদিকেই এখন নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট মহলের।

আপনার মতামত লিখুন