দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

রাণীনগরে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে ফার্মেসি মালিক আটক, মোবাইলে মিলল লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য

রাণীনগরে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে ফার্মেসি মালিক আটক, মোবাইলে মিলল লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য

গাজার ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছে হাজারো মরদেহ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির বড় অভিযান: প্রায় ৯ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানী পণ্য জব্দ

শেরপুরের নকলায় ভূসির বস্তার আড়ালে বিদেশি মদ, পিকআপ থেকে ১০৮ বোতল জব্দ; আটক ৩

শেরপুরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা: অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে জোর

যুদ্ধ দীর্ঘ হওয়ায় চাপে ট্রাম্প, ইরান ইস্যুতে খুঁজছেন ‘সম্মানজনক প্রস্থান

ইরাকের মরুভূমিতে ‘গোপন ইসরায়েলি ঘাঁটি’ নিয়ে তোলপাড়, সূত্রের দাবি—মেষপালকের তথ্যেই ফাঁস

দোকানে বিস্কুট কিনতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর, মেহেরপুরে বালিবাহী লাটাহাম্বা আটক".

গাজার ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছে হাজারো মরদেহ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

গাজার ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছে হাজারো মরদেহ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা
-ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয় সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তাদের দাবি, যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অন্তত ৮ হাজার ফিলিস্তিনির মরদেহ পড়ে আছে। উদ্ধার সরঞ্জামের সংকট ও ভারী যন্ত্রপাতির অভাবে এসব মরদেহ বের করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে ধ্বংসস্তূপ সরানো না হওয়ায় গাজাজুড়ে মানবিক সংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকি, দুর্গন্ধ ও সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।

পুরোনো সরঞ্জামে থমকে উদ্ধারকাজ

গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসসাল বলেছেন, বর্তমানে উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি অত্যন্ত পুরোনো এবং সীমিত সক্ষমতার। দুই বছরের সামরিক অভিযানে যেসব এলাকা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, সেখানে কার্যকর উদ্ধার অভিযান চালাতে আধুনিক ভারী যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হলেও তা পাওয়া যাচ্ছে না।


তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনই নতুন নতুন নিখোঁজ মানুষের তথ্য সামনে আসছে। ফলে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা মরদেহের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, বহু পরিবার এখনো তাদের স্বজনদের খোঁজে ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ নিজেরাই হাতে-কলমে ইট-পাথর সরিয়ে নিখোঁজদের খোঁজার চেষ্টা করছেন। তবে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় কাজ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্যঝুঁকিতে গাজার বাসিন্দারা

গাজার বিভিন্ন এলাকায় এখন ইঁদুর ও উইপোকার মতো প্রাণীর বিস্তার ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকে থাকা মরদেহ এবং জমে থাকা বর্জ্যের কারণে পরিবেশ দ্রুত অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে।

সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ধ্বংসস্তূপ সরানো জরুরি। কিন্তু এ কাজে প্রয়োজনীয় বুলডোজার, ক্রেন ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি প্রবেশে বাধা রয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত সীমিত কিছু উপকরণ প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এর মধ্যে ইঁদুরনাশক ও কিছু স্বাস্থ্যসামগ্রী থাকলেও ধ্বংসস্তূপ অপসারণে প্রয়োজনীয় বড় যন্ত্রপাতি ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের হিসাবেও ভয়াবহ পরিস্থিতি

জাতিসংঘের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গাজা উপত্যকাজুড়ে বর্তমানে ৬ কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টনের বেশি ধ্বংসস্তূপ জমে আছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ শতাংশ অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত বিপুল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ সরাতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। একই সঙ্গে সেখানে অবিস্ফোরিত গোলা বা ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক উপাদান থাকার আশঙ্কাও রয়েছে, যা উদ্ধারকর্মীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মরদেহ দ্রুত উদ্ধার করা না গেলে মানবিক সংকট আরও গভীর হবে। নিখোঁজদের পরিবারগুলোও দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

যুদ্ধের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে

গাজার চলমান পরিস্থিতি শুধু প্রাণহানি নয়, সামাজিক ও মানসিক সংকটও তৈরি করেছে। অসংখ্য পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। অনেক শিশু বাবা-মাকে হারিয়ে অনিশ্চিত জীবনে পড়েছে। শিক্ষা, চিকিৎসা ও স্বাভাবিক নাগরিক জীবন প্রায় ভেঙে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ শেষে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হলেও ধ্বংসস্তূপ সরানো এবং নিখোঁজদের শনাক্ত করাই হবে সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি। কারণ প্রতিটি ধ্বংসস্তূপের নিচে শুধু কংক্রিট নয়, অসংখ্য পরিবারের স্মৃতি ও স্বজন হারানোর বেদনাও চাপা পড়ে আছে।

আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর দাবি

মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো দ্রুত উদ্ধারযন্ত্র ও জরুরি সহায়তা গাজায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, রাজনৈতিক বিরোধের বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।


তবে এ বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নতুন কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক মহলের অনেকে মনে করছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

বর্তমানে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি বেঁচে থাকা মানুষের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

বিষয় : গাজা যুদ্ধ, গাজার ধ্বংসস্তূপ, গাজায় নিখোঁজ মানুষ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


গাজার ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছে হাজারো মরদেহ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

গাজা উপত্যকায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয় সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তাদের দাবি, যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অন্তত ৮ হাজার ফিলিস্তিনির মরদেহ পড়ে আছে। উদ্ধার সরঞ্জামের সংকট ও ভারী যন্ত্রপাতির অভাবে এসব মরদেহ বের করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে ধ্বংসস্তূপ সরানো না হওয়ায় গাজাজুড়ে মানবিক সংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকি, দুর্গন্ধ ও সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।

পুরোনো সরঞ্জামে থমকে উদ্ধারকাজ

গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসসাল বলেছেন, বর্তমানে উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি অত্যন্ত পুরোনো এবং সীমিত সক্ষমতার। দুই বছরের সামরিক অভিযানে যেসব এলাকা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, সেখানে কার্যকর উদ্ধার অভিযান চালাতে আধুনিক ভারী যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হলেও তা পাওয়া যাচ্ছে না।


তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনই নতুন নতুন নিখোঁজ মানুষের তথ্য সামনে আসছে। ফলে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা মরদেহের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, বহু পরিবার এখনো তাদের স্বজনদের খোঁজে ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ নিজেরাই হাতে-কলমে ইট-পাথর সরিয়ে নিখোঁজদের খোঁজার চেষ্টা করছেন। তবে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় কাজ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্যঝুঁকিতে গাজার বাসিন্দারা

গাজার বিভিন্ন এলাকায় এখন ইঁদুর ও উইপোকার মতো প্রাণীর বিস্তার ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকে থাকা মরদেহ এবং জমে থাকা বর্জ্যের কারণে পরিবেশ দ্রুত অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে।

সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ধ্বংসস্তূপ সরানো জরুরি। কিন্তু এ কাজে প্রয়োজনীয় বুলডোজার, ক্রেন ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি প্রবেশে বাধা রয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত সীমিত কিছু উপকরণ প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এর মধ্যে ইঁদুরনাশক ও কিছু স্বাস্থ্যসামগ্রী থাকলেও ধ্বংসস্তূপ অপসারণে প্রয়োজনীয় বড় যন্ত্রপাতি ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের হিসাবেও ভয়াবহ পরিস্থিতি

জাতিসংঘের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গাজা উপত্যকাজুড়ে বর্তমানে ৬ কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টনের বেশি ধ্বংসস্তূপ জমে আছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ শতাংশ অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত বিপুল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ সরাতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। একই সঙ্গে সেখানে অবিস্ফোরিত গোলা বা ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক উপাদান থাকার আশঙ্কাও রয়েছে, যা উদ্ধারকর্মীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মরদেহ দ্রুত উদ্ধার করা না গেলে মানবিক সংকট আরও গভীর হবে। নিখোঁজদের পরিবারগুলোও দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

যুদ্ধের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে

গাজার চলমান পরিস্থিতি শুধু প্রাণহানি নয়, সামাজিক ও মানসিক সংকটও তৈরি করেছে। অসংখ্য পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। অনেক শিশু বাবা-মাকে হারিয়ে অনিশ্চিত জীবনে পড়েছে। শিক্ষা, চিকিৎসা ও স্বাভাবিক নাগরিক জীবন প্রায় ভেঙে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ শেষে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হলেও ধ্বংসস্তূপ সরানো এবং নিখোঁজদের শনাক্ত করাই হবে সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি। কারণ প্রতিটি ধ্বংসস্তূপের নিচে শুধু কংক্রিট নয়, অসংখ্য পরিবারের স্মৃতি ও স্বজন হারানোর বেদনাও চাপা পড়ে আছে।

আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর দাবি

মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো দ্রুত উদ্ধারযন্ত্র ও জরুরি সহায়তা গাজায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, রাজনৈতিক বিরোধের বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।


তবে এ বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নতুন কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক মহলের অনেকে মনে করছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

বর্তমানে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি বেঁচে থাকা মানুষের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর