দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

এসএসসি খাতা মূল্যায়নে ধীরগতি, ফল প্রকাশে দেরির আশঙ্কা বাড়ছে

এসএসসি খাতা মূল্যায়নে ধীরগতি, ফল প্রকাশে দেরির আশঙ্কা বাড়ছে

ঢাকার এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত: সফটওয়্যারভিত্তিক ব্যবস্থায় নিজ জেলায় যাওয়ার সুযোগ আসছে

প্রেম থেকে ট্র্যাজেডি: যুক্তরাষ্ট্রে লিমন ও বৃষ্টির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার এক

ইবি ক্যাম্পাসে হুঁশিয়ারি ও পাল্টা অভিযোগ, নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, অপরজন এখনো নিখোঁজ

গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে দরকার শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যম

এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ—এমসিকিউ আগে, পরে সৃজনশীল পরীক্ষা

এসএসসি খাতা মূল্যায়নে ধীরগতি, ফল প্রকাশে দেরির আশঙ্কা বাড়ছে

এসএসসি খাতা মূল্যায়নে ধীরগতি, ফল প্রকাশে দেরির আশঙ্কা বাড়ছে
-ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার শিক্ষা প্রশাসনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন নিয়ে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বহু পরীক্ষক এখনো বাংলা প্রথমপত্রের উত্তরপত্র সংগ্রহ করেননি। এতে করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সময়মতো খাতা সংগ্রহ না হওয়ায় জটিলতা

জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্রের খাতা গত ৪ মে’র মধ্যে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের সংগ্রহ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরীক্ষক শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিত হননি। এমনকি অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেও সাড়া পাওয়া যায়নি বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত শতাধিক পরীক্ষক উত্তরপত্র নিতে আসেননি। ফলে বিপুল সংখ্যক খাতা এখনো বোর্ড কার্যালয়ের বারান্দায় বস্তাবন্দী অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এতে খাতা সংরক্ষণ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জরুরি নির্দেশনা ও সতর্কবার্তা

এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টদের বারবার তাগিদ দেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ নতুন করে নির্দেশনা জারি করেছে। পরীক্ষকদের বুধবারের মধ্যে খাতা সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাতা সংগ্রহ করবেন না বা মূল্যায়নে গাফিলতি করবেন, তাদের ভবিষ্যতে পরীক্ষক হিসেবে বিবেচনা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

পরীক্ষকদের অনাগ্রহের পেছনের কারণ

কেন এই অনীহা—তা নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মত পাওয়া গেছে। কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, খাতা মূল্যায়নের সম্মানী দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে প্রতি খাতার জন্য ৪৫ টাকা সম্মানী দেওয়া হয়, যা অনেকের কাছে পর্যাপ্ত মনে হচ্ছে না।

একজন শিক্ষক বলেন, “এত দায়িত্বশীল কাজের জন্য যে পরিমাণ সময় ও মনোযোগ দিতে হয়, তার তুলনায় সম্মানী খুবই কম। ফলে অনেকেই আগ্রহ হারাচ্ছেন।”

অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষকদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়টিও তাদের মধ্যে মানসিক চাপ তৈরি করেছে বলে দাবি করেন কেউ কেউ। তাদের মতে, নম্বর প্রদানে ভুল হলে শাস্তির আশঙ্কা থাকায় অনেকেই এই দায়িত্ব নিতে অনাগ্রহী হয়ে পড়ছেন।

প্রশাসনের বক্তব্য

তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে অনেক পরীক্ষক যোগাযোগ করেছেন এবং দ্রুত খাতা সংগ্রহ করবেন বলে জানিয়েছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, “অনেকে অসুস্থতা বা ব্যক্তিগত কারণে সময়মতো আসতে পারেননি। তবে তারা দ্রুত কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন। এতে বড় ধরনের কোনো বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনা নেই।”

এছাড়া তিনি জানান, এ বছর আগের তুলনায় বেশি সংখ্যক পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে—মোট ৮৪০ জন। ফলে সবাই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মূল্যায়ন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

ফল প্রকাশে সম্ভাব্য প্রভাব

এসএসসি পরীক্ষার ফল সাধারণত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। তবে খাতা মূল্যায়নে দেরি হলে এই সময়সীমা প্রভাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খাতা মূল্যায়নের প্রাথমিক ধাপেই যদি বিলম্ব হয়, তাহলে ফল প্রস্তুত, যাচাই ও প্রকাশ—সব পর্যায়েই সময় বাড়তে পারে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন

বোর্ড কার্যালয়ের বারান্দায় খাতা বস্তাবন্দী অবস্থায় পড়ে থাকার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অনিয়মের কথা স্বীকার করা হয়নি, তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

একজন অভিভাবক বলেন, “এগুলো শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত বিষয়। তাই খাতা সংরক্ষণ ও মূল্যায়ন—সবকিছুতেই সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন।”

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পরীক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সবাই সাড়া দেননি। যারা কথা বলেছেন, তারা ব্যক্তিগত কারণ ও কাজের চাপের কথা উল্লেখ করেছেন। তবে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

করণীয় ও প্রত্যাশা

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন পরিস্থিতি এড়াতে পরীক্ষকদের সম্মানী পুনর্বিবেচনা, কাজের পরিবেশ উন্নয়ন এবং সময়মতো সমন্বয় জরুরি। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ উঠলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াও প্রয়োজন।

উপসংহার

এসএসসি খাতা মূল্যায়ন নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতা এখন শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সময়মতো সমস্যা সমাধান করা না গেলে এর প্রভাব পড়তে পারে লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের ওপর। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলে নির্ধারিত সময়েই ফল প্রকাশ সম্ভব।

বিষয় : SSC Result Delay SSC Exam 2026 Answer Script Evaluation

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬


এসএসসি খাতা মূল্যায়নে ধীরগতি, ফল প্রকাশে দেরির আশঙ্কা বাড়ছে

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

ঢাকার শিক্ষা প্রশাসনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন নিয়ে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বহু পরীক্ষক এখনো বাংলা প্রথমপত্রের উত্তরপত্র সংগ্রহ করেননি। এতে করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সময়মতো খাতা সংগ্রহ না হওয়ায় জটিলতা

জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্রের খাতা গত ৪ মে’র মধ্যে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের সংগ্রহ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরীক্ষক শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিত হননি। এমনকি অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেও সাড়া পাওয়া যায়নি বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত শতাধিক পরীক্ষক উত্তরপত্র নিতে আসেননি। ফলে বিপুল সংখ্যক খাতা এখনো বোর্ড কার্যালয়ের বারান্দায় বস্তাবন্দী অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এতে খাতা সংরক্ষণ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জরুরি নির্দেশনা ও সতর্কবার্তা

এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টদের বারবার তাগিদ দেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ নতুন করে নির্দেশনা জারি করেছে। পরীক্ষকদের বুধবারের মধ্যে খাতা সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাতা সংগ্রহ করবেন না বা মূল্যায়নে গাফিলতি করবেন, তাদের ভবিষ্যতে পরীক্ষক হিসেবে বিবেচনা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

পরীক্ষকদের অনাগ্রহের পেছনের কারণ

কেন এই অনীহা—তা নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মত পাওয়া গেছে। কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, খাতা মূল্যায়নের সম্মানী দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে প্রতি খাতার জন্য ৪৫ টাকা সম্মানী দেওয়া হয়, যা অনেকের কাছে পর্যাপ্ত মনে হচ্ছে না।

একজন শিক্ষক বলেন, “এত দায়িত্বশীল কাজের জন্য যে পরিমাণ সময় ও মনোযোগ দিতে হয়, তার তুলনায় সম্মানী খুবই কম। ফলে অনেকেই আগ্রহ হারাচ্ছেন।”

অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষকদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়টিও তাদের মধ্যে মানসিক চাপ তৈরি করেছে বলে দাবি করেন কেউ কেউ। তাদের মতে, নম্বর প্রদানে ভুল হলে শাস্তির আশঙ্কা থাকায় অনেকেই এই দায়িত্ব নিতে অনাগ্রহী হয়ে পড়ছেন।

প্রশাসনের বক্তব্য

তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে অনেক পরীক্ষক যোগাযোগ করেছেন এবং দ্রুত খাতা সংগ্রহ করবেন বলে জানিয়েছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, “অনেকে অসুস্থতা বা ব্যক্তিগত কারণে সময়মতো আসতে পারেননি। তবে তারা দ্রুত কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন। এতে বড় ধরনের কোনো বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনা নেই।”

এছাড়া তিনি জানান, এ বছর আগের তুলনায় বেশি সংখ্যক পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে—মোট ৮৪০ জন। ফলে সবাই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মূল্যায়ন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

ফল প্রকাশে সম্ভাব্য প্রভাব

এসএসসি পরীক্ষার ফল সাধারণত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। তবে খাতা মূল্যায়নে দেরি হলে এই সময়সীমা প্রভাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খাতা মূল্যায়নের প্রাথমিক ধাপেই যদি বিলম্ব হয়, তাহলে ফল প্রস্তুত, যাচাই ও প্রকাশ—সব পর্যায়েই সময় বাড়তে পারে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন

বোর্ড কার্যালয়ের বারান্দায় খাতা বস্তাবন্দী অবস্থায় পড়ে থাকার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অনিয়মের কথা স্বীকার করা হয়নি, তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

একজন অভিভাবক বলেন, “এগুলো শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত বিষয়। তাই খাতা সংরক্ষণ ও মূল্যায়ন—সবকিছুতেই সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন।”

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পরীক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সবাই সাড়া দেননি। যারা কথা বলেছেন, তারা ব্যক্তিগত কারণ ও কাজের চাপের কথা উল্লেখ করেছেন। তবে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

করণীয় ও প্রত্যাশা

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন পরিস্থিতি এড়াতে পরীক্ষকদের সম্মানী পুনর্বিবেচনা, কাজের পরিবেশ উন্নয়ন এবং সময়মতো সমন্বয় জরুরি। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ উঠলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াও প্রয়োজন।

উপসংহার

এসএসসি খাতা মূল্যায়ন নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতা এখন শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সময়মতো সমস্যা সমাধান করা না গেলে এর প্রভাব পড়তে পারে লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের ওপর। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলে নির্ধারিত সময়েই ফল প্রকাশ সম্ভব।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর