দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় ট্রেন সংঘর্ষে প্রাণহানি, বহু যাত্রী এখনও আটকা

ইন্দোনেশিয়ায় ট্রেন সংঘর্ষে প্রাণহানি, বহু যাত্রী এখনও আটকা

জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহে জেসমিন প্রকল্পের উদ্যোগ, ইসলামপুর ও মেলান্দহে সচেতনতা কার্যক্রম

যেতে দাও’ চিৎকারে উত্তেজনা, হরিপালের সভায় নিরাপত্তা ঘিরে প্রশ্ন

ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধি, যুক্তরাষ্ট্রের দূত আসছেন—শান্তি আলোচনায় অগ্রগতির আশা

টঙ্গীতে বাবা-ছেলের রহস্যজনক মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদে বড় ছেলে

ওয়াশিংটনে নৈশভোজে গুলির আতঙ্ক, সন্দেহভাজন বন্দুকধারী গ্রেপ্তার

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে বাড়ছে বৃষ্টি, কোথাও হতে পারে অতিভারী বর্ষণ

ইরানের তেল কেনায় চীনা রিফাইনারির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বাড়ছে বৈশ্বিক উত্তেজনা

‘ইসরায়েলকে জবাব দিন, কিন্তু প্রতিবেশীকে নয়’— ইরানকে হামাসের বার্তা

‘ইসরায়েলকে জবাব দিন, কিন্তু প্রতিবেশীকে নয়’— ইরানকে হামাসের বার্তা
-ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান উত্তেজনা নিয়ে হামাসের এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি সংবাদের কাঠামোতে নিচে গুছিয়ে দেওয়া হলো:


ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এক নজিরবিহীন বিবৃতি দিয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। বিবৃতিতে ইরানকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে হামাসের এই কূটনৈতিক অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আত্মরক্ষার অধিকার ও সতর্কবার্তা

হামাস তাদের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সকল উপায়ে জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে। তবে এই পাল্টা হামলা যেন কোনোভাবেই পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে ইরানকে অনুরোধ জানিয়েছে তারা।


ইরানকে ‘ভাই’ সম্বোধন করে হামাস বলেছে, প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করে বরং এই অঞ্চলের সকল দেশের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে আগ্রাসন মোকাবিলা করা। বিবৃতির মূল পয়েন্টগুলো হলো:

  • ভ্রাতৃত্ব রক্ষা: অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখা।

  • অভিন্ন শত্রু: নিজেদের মধ্যে সংঘাত না বাড়িয়ে সম্মিলিতভাবে মূল শত্রুকে মোকাবিলা করা।

  • সংঘাত নিয়ন্ত্রণ: একটি দেশের সঙ্গে অন্য দেশের সংঘাত যেন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখা।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার লড়াইয়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোও বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। হামাস চাইছে: ১. ইরান যেন তার সামরিক শক্তি শুধুমাত্র সরাসরি শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। ২. প্রতিবেশীদের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্কের যেন কোনো অবনতি না ঘটে। ৩. আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যাতে ফিলিস্তিন ইস্যুতে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্য বজায় থাকে।


আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


‘ইসরায়েলকে জবাব দিন, কিন্তু প্রতিবেশীকে নয়’— ইরানকে হামাসের বার্তা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান উত্তেজনা নিয়ে হামাসের এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি সংবাদের কাঠামোতে নিচে গুছিয়ে দেওয়া হলো:


ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এক নজিরবিহীন বিবৃতি দিয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। বিবৃতিতে ইরানকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে হামাসের এই কূটনৈতিক অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আত্মরক্ষার অধিকার ও সতর্কবার্তা

হামাস তাদের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সকল উপায়ে জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে। তবে এই পাল্টা হামলা যেন কোনোভাবেই পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে ইরানকে অনুরোধ জানিয়েছে তারা।


ইরানকে ‘ভাই’ সম্বোধন করে হামাস বলেছে, প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করে বরং এই অঞ্চলের সকল দেশের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে আগ্রাসন মোকাবিলা করা। বিবৃতির মূল পয়েন্টগুলো হলো:

  • ভ্রাতৃত্ব রক্ষা: অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখা।

  • অভিন্ন শত্রু: নিজেদের মধ্যে সংঘাত না বাড়িয়ে সম্মিলিতভাবে মূল শত্রুকে মোকাবিলা করা।

  • সংঘাত নিয়ন্ত্রণ: একটি দেশের সঙ্গে অন্য দেশের সংঘাত যেন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখা।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার লড়াইয়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোও বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। হামাস চাইছে: ১. ইরান যেন তার সামরিক শক্তি শুধুমাত্র সরাসরি শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। ২. প্রতিবেশীদের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্কের যেন কোনো অবনতি না ঘটে। ৩. আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যাতে ফিলিস্তিন ইস্যুতে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্য বজায় থাকে।



দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর