মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টে বড় সংগ্রহ গড়েও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে পাকিস্তান ১ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে গেছে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাবে সফরকারীরা এখনও ২৩৪ রানে পিছিয়ে থাকলেও হাতে আছে ৯ উইকেট। ওপেনার আজান এওয়াইসের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ম্যাচের মোড় ধীরে ধীরে পাকিস্তানের দিকে ঘুরে যাচ্ছে।
দিনশেষে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা আজান এওয়াইস অপরাজিত ছিলেন ৮৫ রানে। তাঁর সঙ্গে উইকেটে থাকা আবদুল্লাহ ফজল করেন ৩৭ রান। বাংলাদেশের একমাত্র উইকেটটি নেন মেহেদি হাসান মিরাজ।
বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল পাকিস্তান। নতুন বল হাতে বাংলাদেশের পেসাররা প্রত্যাশিত নিয়ন্ত্রণ দেখাতে পারেননি। তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা লাইন-লেন্থ ধরে রাখতে লড়াই করেছেন, তবে উইকেট আদায়ে সফল হতে পারেননি।
এই সুযোগ কাজে লাগান পাকিস্তানের দুই ওপেনার আজান এওয়াইস ও ইমাম-উল-হক। দুজন মিলে ১০৬ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে চাপে ফেলে দেন। মিরপুরের উইকেটে যেখানে শুরুতে কিছুটা সহায়তা পাওয়ার কথা ছিল, সেখানে স্বাগতিক বোলারদের নিষ্প্রভ দেখিয়েছে।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর দিনের ২২তম ওভারে সাফল্য এনে দেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তাঁর অফ স্পিনে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ইমাম-উল-হক। ৪৫ রান করা এই ব্যাটার আউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছিলেন।
তবে সেই উইকেটের পর আর কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বাংলাদেশ। আজান ও আবদুল্লাহ ফজল ধৈর্যের সঙ্গে বাকি সময় পার করে পাকিস্তানকে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যান।
পাকিস্তানের তরুণ ওপেনার আজান এওয়াইস দ্বিতীয় দিনের অন্যতম আলোচিত নাম। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট খেলতে নেমে তিনি যেভাবে বাংলাদেশের বোলারদের সামলেছেন, তা সফরকারীদের ড্রেসিংরুমে বাড়তি আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে।
শুরুতে কিছুটা সময় নিলেও পরে ধীরে ধীরে শট খেলতে শুরু করেন তিনি। স্পিন ও পেস—দুই ধরনের বোলিংই স্বাচ্ছন্দ্যে মোকাবিলা করেছেন এই ব্যাটার। দিনের শেষে ৮৫ রানে অপরাজিত থেকে তৃতীয় দিনে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে রেখেছেন।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশের বোলারদের শরীরী ভাষাতেও হতাশার ছাপ দেখা গেছে। পাকিস্তানের ব্যাটাররা খুব কম ঝুঁকি নিয়ে ইনিংস গড়েছেন, যা স্বাগতিকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল বড় সংগ্রহ দাঁড় করানো। ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দিন শুরু করা দলটি প্রথম সেশন পর্যন্ত ভালোভাবেই এগোচ্ছিল।
নিজের ৩৯তম জন্মদিনে মুশফিকুর রহিম আবারও দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। ১৭৯ বল মোকাবিলা করে ৭১ রান করেন তিনি। এই ইনিংস খেলার পথে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নতুন একটি রেকর্ডও গড়েন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।
মুশফিক টেস্ট ক্যারিয়ারে ৪২তম পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস পূর্ণ করে তামিম ইকবালকে ছাড়িয়ে যান। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৫০ বা তার বেশি রানের ইনিংস এখন তাঁর দখলে।
তবে ব্যক্তিগত অর্জনের দিনটিকে বড় ইনিংসে রূপ দিতে পারেননি তিনি। শাহিন শাহ আফ্রিদির দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ফেরেন মুশফিক। লিটন দাসও শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তিনি করেন ৩৩ রান।
মিডল অর্ডারের দ্রুত পতনের পর বাংলাদেশের ইনিংস কিছুটা বিপদে পড়ে যায়। তখন লেজের ব্যাটারদের ছোট ছোট অবদান দলকে ৪০০ রানের মাইলফলক পার করতে সাহায্য করে।
বিশেষ করে তাসকিন আহমেদের ২৮ রানের ইনিংসটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মাত্র কয়েকটি ওভারেই তিনটি চার ও একটি ছক্কায় দ্রুত রান যোগ করেন তিনি। এতে পাকিস্তানের সামনে প্রতিযোগিতামূলক স্কোর দাঁড় করাতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
তবে দিনের প্রথম দেড় সেশনেই বাকি ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১২ রান যোগ করতে পারা স্বাগতিকদের জন্য হতাশার জায়গা হয়ে আছে। অনেকেই মনে করছেন, বাংলাদেশের ব্যাটাররা আরও কিছুক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারলে ম্যাচের চিত্র ভিন্ন হতে পারত।
পাকিস্তানের হয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আব্বাস নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে তারা বাংলাদেশের রান তোলার গতি কমিয়ে দেন।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার জায়গা এখন বোলিং বিভাগ। নতুন বল হাতে কোনো পেসারই প্রভাব ফেলতে পারেননি। উইকেট থেকে বাড়তি সহায়তা আদায়েও ব্যর্থ হয়েছেন তারা।
বিশেষ করে শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের কাছ থেকে শুরুতে যে ধরনের আগ্রাসী বোলিং প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তা দেখা যায়নি। নাহিদ রানাও ধারাবাহিকভাবে লাইন ধরে রাখতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্পিন বিভাগ থেকেও মিরাজ ছাড়া কেউ উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখতে পারেননি। ফলে পাকিস্তানের ব্যাটাররা খুব বেশি চাপ ছাড়াই রান তুলেছেন।
দ্বিতীয় দিনের শেষ পর্যন্ত হিসাব বলছে, ম্যাচ এখনও দুই দলের জন্য খোলা। তবে বাস্তবতা হলো, পাকিস্তান এখন তুলনামূলক স্বস্তিতে আছে। হাতে ৯ উইকেট রেখে তারা বড় জুটির ভিত গড়ে ফেলেছে।
বাংলাদেশের সামনে তাই তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দ্রুত কয়েকটি উইকেট নিতে না পারলে ম্যাচ পুরোপুরি সফরকারীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।
ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের মতে, মিরপুরের উইকেট যত পুরোনো হবে, স্পিনারদের ভূমিকা তত বাড়বে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে বাংলাদেশকে আরও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করতে হবে। একই সঙ্গে ক্যাচ মিস বা ফিল্ডিং ভুলের সুযোগও কমাতে হবে।
এখন দেখার বিষয়, তৃতীয় দিনে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না নাজমুল হোসেন শান্তর দল, নাকি মিরপুর টেস্টে চালকের আসনে আরও শক্তভাবে বসে পড়ে পাকিস্তান।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টে বড় সংগ্রহ গড়েও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে পাকিস্তান ১ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে গেছে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাবে সফরকারীরা এখনও ২৩৪ রানে পিছিয়ে থাকলেও হাতে আছে ৯ উইকেট। ওপেনার আজান এওয়াইসের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ম্যাচের মোড় ধীরে ধীরে পাকিস্তানের দিকে ঘুরে যাচ্ছে।
দিনশেষে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা আজান এওয়াইস অপরাজিত ছিলেন ৮৫ রানে। তাঁর সঙ্গে উইকেটে থাকা আবদুল্লাহ ফজল করেন ৩৭ রান। বাংলাদেশের একমাত্র উইকেটটি নেন মেহেদি হাসান মিরাজ।
বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল পাকিস্তান। নতুন বল হাতে বাংলাদেশের পেসাররা প্রত্যাশিত নিয়ন্ত্রণ দেখাতে পারেননি। তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা লাইন-লেন্থ ধরে রাখতে লড়াই করেছেন, তবে উইকেট আদায়ে সফল হতে পারেননি।
এই সুযোগ কাজে লাগান পাকিস্তানের দুই ওপেনার আজান এওয়াইস ও ইমাম-উল-হক। দুজন মিলে ১০৬ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে চাপে ফেলে দেন। মিরপুরের উইকেটে যেখানে শুরুতে কিছুটা সহায়তা পাওয়ার কথা ছিল, সেখানে স্বাগতিক বোলারদের নিষ্প্রভ দেখিয়েছে।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর দিনের ২২তম ওভারে সাফল্য এনে দেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তাঁর অফ স্পিনে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ইমাম-উল-হক। ৪৫ রান করা এই ব্যাটার আউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছিলেন।
তবে সেই উইকেটের পর আর কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বাংলাদেশ। আজান ও আবদুল্লাহ ফজল ধৈর্যের সঙ্গে বাকি সময় পার করে পাকিস্তানকে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যান।
পাকিস্তানের তরুণ ওপেনার আজান এওয়াইস দ্বিতীয় দিনের অন্যতম আলোচিত নাম। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট খেলতে নেমে তিনি যেভাবে বাংলাদেশের বোলারদের সামলেছেন, তা সফরকারীদের ড্রেসিংরুমে বাড়তি আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে।
শুরুতে কিছুটা সময় নিলেও পরে ধীরে ধীরে শট খেলতে শুরু করেন তিনি। স্পিন ও পেস—দুই ধরনের বোলিংই স্বাচ্ছন্দ্যে মোকাবিলা করেছেন এই ব্যাটার। দিনের শেষে ৮৫ রানে অপরাজিত থেকে তৃতীয় দিনে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে রেখেছেন।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশের বোলারদের শরীরী ভাষাতেও হতাশার ছাপ দেখা গেছে। পাকিস্তানের ব্যাটাররা খুব কম ঝুঁকি নিয়ে ইনিংস গড়েছেন, যা স্বাগতিকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল বড় সংগ্রহ দাঁড় করানো। ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দিন শুরু করা দলটি প্রথম সেশন পর্যন্ত ভালোভাবেই এগোচ্ছিল।
নিজের ৩৯তম জন্মদিনে মুশফিকুর রহিম আবারও দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। ১৭৯ বল মোকাবিলা করে ৭১ রান করেন তিনি। এই ইনিংস খেলার পথে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নতুন একটি রেকর্ডও গড়েন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।
মুশফিক টেস্ট ক্যারিয়ারে ৪২তম পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস পূর্ণ করে তামিম ইকবালকে ছাড়িয়ে যান। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৫০ বা তার বেশি রানের ইনিংস এখন তাঁর দখলে।
তবে ব্যক্তিগত অর্জনের দিনটিকে বড় ইনিংসে রূপ দিতে পারেননি তিনি। শাহিন শাহ আফ্রিদির দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ফেরেন মুশফিক। লিটন দাসও শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তিনি করেন ৩৩ রান।
মিডল অর্ডারের দ্রুত পতনের পর বাংলাদেশের ইনিংস কিছুটা বিপদে পড়ে যায়। তখন লেজের ব্যাটারদের ছোট ছোট অবদান দলকে ৪০০ রানের মাইলফলক পার করতে সাহায্য করে।
বিশেষ করে তাসকিন আহমেদের ২৮ রানের ইনিংসটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মাত্র কয়েকটি ওভারেই তিনটি চার ও একটি ছক্কায় দ্রুত রান যোগ করেন তিনি। এতে পাকিস্তানের সামনে প্রতিযোগিতামূলক স্কোর দাঁড় করাতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
তবে দিনের প্রথম দেড় সেশনেই বাকি ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১২ রান যোগ করতে পারা স্বাগতিকদের জন্য হতাশার জায়গা হয়ে আছে। অনেকেই মনে করছেন, বাংলাদেশের ব্যাটাররা আরও কিছুক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারলে ম্যাচের চিত্র ভিন্ন হতে পারত।
পাকিস্তানের হয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আব্বাস নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে তারা বাংলাদেশের রান তোলার গতি কমিয়ে দেন।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার জায়গা এখন বোলিং বিভাগ। নতুন বল হাতে কোনো পেসারই প্রভাব ফেলতে পারেননি। উইকেট থেকে বাড়তি সহায়তা আদায়েও ব্যর্থ হয়েছেন তারা।
বিশেষ করে শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের কাছ থেকে শুরুতে যে ধরনের আগ্রাসী বোলিং প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তা দেখা যায়নি। নাহিদ রানাও ধারাবাহিকভাবে লাইন ধরে রাখতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্পিন বিভাগ থেকেও মিরাজ ছাড়া কেউ উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখতে পারেননি। ফলে পাকিস্তানের ব্যাটাররা খুব বেশি চাপ ছাড়াই রান তুলেছেন।
দ্বিতীয় দিনের শেষ পর্যন্ত হিসাব বলছে, ম্যাচ এখনও দুই দলের জন্য খোলা। তবে বাস্তবতা হলো, পাকিস্তান এখন তুলনামূলক স্বস্তিতে আছে। হাতে ৯ উইকেট রেখে তারা বড় জুটির ভিত গড়ে ফেলেছে।
বাংলাদেশের সামনে তাই তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দ্রুত কয়েকটি উইকেট নিতে না পারলে ম্যাচ পুরোপুরি সফরকারীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।
ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের মতে, মিরপুরের উইকেট যত পুরোনো হবে, স্পিনারদের ভূমিকা তত বাড়বে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে বাংলাদেশকে আরও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করতে হবে। একই সঙ্গে ক্যাচ মিস বা ফিল্ডিং ভুলের সুযোগও কমাতে হবে।
এখন দেখার বিষয়, তৃতীয় দিনে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না নাজমুল হোসেন শান্তর দল, নাকি মিরপুর টেস্টে চালকের আসনে আরও শক্তভাবে বসে পড়ে পাকিস্তান।

আপনার মতামত লিখুন