তাঁর এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং আধুনিক কৃষি গবেষণায় নতুন সম্ভাবনার বার্তা হিসেবেও দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তাঁর গবেষণার বিষয়টি কৃষি খাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার অব এক্সামিনেশনস কার্যালয় জুলাই-ডিসেম্বর সেমিস্টার ২০২৫-এর ফলাফল প্রকাশ করে। সেখানে বিএম আলমগীর কবীরের কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের বিষয়টি উঠে আসে।
তিনি যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ১০ নম্বর মশ্বিমনগর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন।
বর্তমানে আলমগীর কবীর প্রফেসর ড. সফিউল্ল্যাহ মজুমদার কিরণের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় ‘স্মার্ট ক্লাইমেট এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি’ বা জলবায়ু সহনশীল আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার ও উন্নয়ন।
বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষিতে যেসব চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ওপর তিনি কাজ করছেন। কৃষি গবেষকদের মতে, এ ধরনের গবেষণা ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদন ও কৃষকের অভিযোজন সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
নিজের অর্জন নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় কৃষিবিদ বিএম আলমগীর কবীর বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের কৃষিকে আরও সমৃদ্ধ করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে ভূমিকা রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, “আমি এমন গবেষণা করতে চাই, যার সুফল সরাসরি তৃণমূলের কৃষকের কাছে পৌঁছাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষকরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, সেগুলোর বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করাই আমার লক্ষ্য।”
তাঁর এই সাফল্যে মণিরামপুরের স্থানীয় সুধীজন, শিক্ষার্থী ও কৃষিবিদদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, গ্রামের একজন তরুণ গবেষকের এমন অর্জন অন্যদেরও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আগ্রহী করবে।
স্থানীয়দের মতে, কৃষি খাতে নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এ ধরনের গবেষণায় তরুণদের সম্পৃক্ততা দেশের কৃষি উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার বিকল্প নেই। খরা, লবণাক্ততা, অতিবৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির মতো সমস্যার কারণে কৃষকদের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
বর্তমানে আলমগীর কবীরের গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাঁর ভবিষ্যৎ গবেষণা দেশের কৃষি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
তাঁর এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং আধুনিক কৃষি গবেষণায় নতুন সম্ভাবনার বার্তা হিসেবেও দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তাঁর গবেষণার বিষয়টি কৃষি খাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার অব এক্সামিনেশনস কার্যালয় জুলাই-ডিসেম্বর সেমিস্টার ২০২৫-এর ফলাফল প্রকাশ করে। সেখানে বিএম আলমগীর কবীরের কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের বিষয়টি উঠে আসে।
তিনি যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ১০ নম্বর মশ্বিমনগর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন।
বর্তমানে আলমগীর কবীর প্রফেসর ড. সফিউল্ল্যাহ মজুমদার কিরণের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় ‘স্মার্ট ক্লাইমেট এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি’ বা জলবায়ু সহনশীল আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার ও উন্নয়ন।
বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষিতে যেসব চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ওপর তিনি কাজ করছেন। কৃষি গবেষকদের মতে, এ ধরনের গবেষণা ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদন ও কৃষকের অভিযোজন সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
নিজের অর্জন নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় কৃষিবিদ বিএম আলমগীর কবীর বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের কৃষিকে আরও সমৃদ্ধ করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে ভূমিকা রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, “আমি এমন গবেষণা করতে চাই, যার সুফল সরাসরি তৃণমূলের কৃষকের কাছে পৌঁছাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষকরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, সেগুলোর বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করাই আমার লক্ষ্য।”
তাঁর এই সাফল্যে মণিরামপুরের স্থানীয় সুধীজন, শিক্ষার্থী ও কৃষিবিদদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, গ্রামের একজন তরুণ গবেষকের এমন অর্জন অন্যদেরও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আগ্রহী করবে।
স্থানীয়দের মতে, কৃষি খাতে নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এ ধরনের গবেষণায় তরুণদের সম্পৃক্ততা দেশের কৃষি উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার বিকল্প নেই। খরা, লবণাক্ততা, অতিবৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির মতো সমস্যার কারণে কৃষকদের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
বর্তমানে আলমগীর কবীরের গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাঁর ভবিষ্যৎ গবেষণা দেশের কৃষি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন