২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি থেকে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন। নতুন এই সময়সূচি জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, পরীক্ষার চূড়ান্ত রুটিন তৈরির কাজ চলছে এবং শিগগিরই বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হবে। আগের পরিকল্পনায় ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্টদের আপত্তির কারণে নতুন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে সচিবালয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। অন্যদিকে, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন এবং শেষ হবে ১৩ জুলাই।
এই সময়সূচি অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষা প্রায় এক মাস চলবে এবং এইচএসসি পরীক্ষা চলবে প্রায় দেড় মাস। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, পরীক্ষার সময় এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং শিক্ষাপঞ্জির অন্যান্য কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকে।
তিনি আরও জানান, পরীক্ষার বিস্তারিত রুটিন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো কাজ করছে এবং দ্রুতই সেটি প্রকাশ করা হবে।
এর আগে আলোচনায় ছিল যে, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বর মাসে নেওয়া হতে পারে। তবে এই প্রস্তাব নিয়ে বিভিন্ন পর্যায় থেকে আপত্তি ওঠে। বিশেষ করে শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ডিসেম্বরের সময়সূচি বাস্তবায়ন করা কিছু জটিলতা তৈরি করতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসব আপত্তি ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করেই শেষ পর্যন্ত জানুয়ারি ও জুন মাসকে নতুন সময় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, পরীক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ।
শিক্ষা প্রশাসনের একটি সূত্র বলছে, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যক্রম শেষ করা, প্রস্তুতিমূলক ক্লাস এবং আবহাওয়ার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই সময় পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন সূচি অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। এই সময়ে সাধারণত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতকাল থাকে। ফলে কিছু ক্ষেত্রে শীতের প্রভাব পরীক্ষার্থীদের ওপর পড়তে পারে বলে শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, তবে একই সঙ্গে এটি তুলনামূলক স্থিতিশীল পরীক্ষার সময়ও হতে পারে।
অন্যদিকে, এইচএসসি পরীক্ষা ৬ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এই সময়টি বর্ষাকালের শুরু হওয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্র ও যাতায়াতে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে শিক্ষা প্রশাসন বলছে, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিলে এসব সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব।
একজন বোর্ড কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “পরীক্ষার সময় নির্ধারণে শুধু শিক্ষাবর্ষ নয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা হয়। এবারও সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
নতুন সময়সূচি ঘোষণার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, জানুয়ারিতে পরীক্ষা শুরু হওয়ায় দীর্ঘ ছুটির পরপরই চাপ তৈরি হতে পারে। আবার অনেকেই বলছেন, আগেই সময়সূচি জানা থাকলে প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হবে।
ঢাকার এক কলেজ শিক্ষার্থী বলেন, “পরীক্ষার তারিখ যদি আগে থেকেই নিশ্চিত থাকে, তাহলে আমরা প্ল্যান করে পড়াশোনা করতে পারব। তবে শীতের সময় পরীক্ষা হলে স্বাস্থ্যগত দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।”
অন্যদিকে, অভিভাবকদের কেউ কেউ মনে করছেন, পরীক্ষার সময় পরিবর্তন বারবার হলে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বাড়ে। তারা চান, একটি স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার ক্যালেন্ডার তৈরি করা হোক, যাতে প্রতি বছর অনিশ্চয়তা তৈরি না হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে। কোচিং সেন্টার, স্কুল-কলেজের একাডেমিক ক্যালেন্ডার, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রমও এর সঙ্গে যুক্ত।
একজন শিক্ষা বিশ্লেষক বলেন, “পরীক্ষার সময় যদি নিয়মিত ও পূর্বনির্ধারিত থাকে, তাহলে পুরো সিস্টেমে শৃঙ্খলা আসে। কিন্তু বারবার পরিবর্তন হলে প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটে।”
তিনি আরও বলেন, সময়সূচি নির্ধারণে শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়ের মতামত এবং মৌসুমি পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা জরুরি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী দিনে পরীক্ষার সময়সূচি আরও স্থিতিশীল করার দিকে নজর দেওয়া হবে। একই সঙ্গে পরীক্ষার মান উন্নয়ন, প্রশ্নপত্রের স্বচ্ছতা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা নিয়েও কাজ চলছে।
এছাড়া বোর্ডগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা সময়মতো প্রস্তুতি সম্পন্ন করে এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা আগে থেকেই প্রকাশ করে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়মিত আপডেট অনুসরণ করার আহ্বান জানান।
২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে এসেছে। যদিও আগের পরিকল্পনা থেকে পরিবর্তন এনে নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে শিক্ষা প্রশাসন মনে করছে, এটি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
এখন শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সময়মতো প্রস্তুতি নেওয়া এবং পরীক্ষার নতুন রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনার পরিকল্পনা সাজানো। আগামী দিনে চূড়ান্ত রুটিন প্রকাশের পর পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও পরিষ্কার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি থেকে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন। নতুন এই সময়সূচি জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, পরীক্ষার চূড়ান্ত রুটিন তৈরির কাজ চলছে এবং শিগগিরই বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হবে। আগের পরিকল্পনায় ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্টদের আপত্তির কারণে নতুন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে সচিবালয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। অন্যদিকে, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন এবং শেষ হবে ১৩ জুলাই।
এই সময়সূচি অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষা প্রায় এক মাস চলবে এবং এইচএসসি পরীক্ষা চলবে প্রায় দেড় মাস। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, পরীক্ষার সময় এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং শিক্ষাপঞ্জির অন্যান্য কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকে।
তিনি আরও জানান, পরীক্ষার বিস্তারিত রুটিন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো কাজ করছে এবং দ্রুতই সেটি প্রকাশ করা হবে।
এর আগে আলোচনায় ছিল যে, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বর মাসে নেওয়া হতে পারে। তবে এই প্রস্তাব নিয়ে বিভিন্ন পর্যায় থেকে আপত্তি ওঠে। বিশেষ করে শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ডিসেম্বরের সময়সূচি বাস্তবায়ন করা কিছু জটিলতা তৈরি করতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসব আপত্তি ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করেই শেষ পর্যন্ত জানুয়ারি ও জুন মাসকে নতুন সময় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, পরীক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ।
শিক্ষা প্রশাসনের একটি সূত্র বলছে, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যক্রম শেষ করা, প্রস্তুতিমূলক ক্লাস এবং আবহাওয়ার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই সময় পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন সূচি অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। এই সময়ে সাধারণত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতকাল থাকে। ফলে কিছু ক্ষেত্রে শীতের প্রভাব পরীক্ষার্থীদের ওপর পড়তে পারে বলে শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, তবে একই সঙ্গে এটি তুলনামূলক স্থিতিশীল পরীক্ষার সময়ও হতে পারে।
অন্যদিকে, এইচএসসি পরীক্ষা ৬ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এই সময়টি বর্ষাকালের শুরু হওয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্র ও যাতায়াতে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে শিক্ষা প্রশাসন বলছে, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিলে এসব সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব।
একজন বোর্ড কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “পরীক্ষার সময় নির্ধারণে শুধু শিক্ষাবর্ষ নয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা হয়। এবারও সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
নতুন সময়সূচি ঘোষণার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, জানুয়ারিতে পরীক্ষা শুরু হওয়ায় দীর্ঘ ছুটির পরপরই চাপ তৈরি হতে পারে। আবার অনেকেই বলছেন, আগেই সময়সূচি জানা থাকলে প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হবে।
ঢাকার এক কলেজ শিক্ষার্থী বলেন, “পরীক্ষার তারিখ যদি আগে থেকেই নিশ্চিত থাকে, তাহলে আমরা প্ল্যান করে পড়াশোনা করতে পারব। তবে শীতের সময় পরীক্ষা হলে স্বাস্থ্যগত দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।”
অন্যদিকে, অভিভাবকদের কেউ কেউ মনে করছেন, পরীক্ষার সময় পরিবর্তন বারবার হলে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বাড়ে। তারা চান, একটি স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার ক্যালেন্ডার তৈরি করা হোক, যাতে প্রতি বছর অনিশ্চয়তা তৈরি না হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে। কোচিং সেন্টার, স্কুল-কলেজের একাডেমিক ক্যালেন্ডার, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রমও এর সঙ্গে যুক্ত।
একজন শিক্ষা বিশ্লেষক বলেন, “পরীক্ষার সময় যদি নিয়মিত ও পূর্বনির্ধারিত থাকে, তাহলে পুরো সিস্টেমে শৃঙ্খলা আসে। কিন্তু বারবার পরিবর্তন হলে প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটে।”
তিনি আরও বলেন, সময়সূচি নির্ধারণে শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়ের মতামত এবং মৌসুমি পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা জরুরি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী দিনে পরীক্ষার সময়সূচি আরও স্থিতিশীল করার দিকে নজর দেওয়া হবে। একই সঙ্গে পরীক্ষার মান উন্নয়ন, প্রশ্নপত্রের স্বচ্ছতা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা নিয়েও কাজ চলছে।
এছাড়া বোর্ডগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা সময়মতো প্রস্তুতি সম্পন্ন করে এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা আগে থেকেই প্রকাশ করে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়মিত আপডেট অনুসরণ করার আহ্বান জানান।
২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে এসেছে। যদিও আগের পরিকল্পনা থেকে পরিবর্তন এনে নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে শিক্ষা প্রশাসন মনে করছে, এটি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
এখন শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সময়মতো প্রস্তুতি নেওয়া এবং পরীক্ষার নতুন রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনার পরিকল্পনা সাজানো। আগামী দিনে চূড়ান্ত রুটিন প্রকাশের পর পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও পরিষ্কার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন