আইজিপি ব্যাজ পাওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন— ডিবির এসআই অলক কুমার দে (পিপিএম), এসআই (নিঃ) কামাল হোসেন এবং এসআই মোঃ কামরুজ্জামান। তাদের এ অর্জনে যশোর জেলা পুলিশের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬। রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে ১০ মে বর্ণাঢ্য পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে শুরু হয় চার দিনব্যাপী এ আয়োজন।
১০ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করা মেধাবী ও সাহসী পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবেই যশোর ডিবির তিন এসআইকে পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস (আইজিপি) ব্যাজ প্রদান করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের কর্মমূল্যায়নের ভিত্তিতে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুর্ধর্ষ অপরাধী গ্রেপ্তার, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা এবং পেশাগত সততা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার কারণে তারা এই স্বীকৃতি পেয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় নানা ঝুঁকি মোকাবিলা করেও এসব পুলিশ সদস্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের অবদান মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
এই অর্জনে যশোর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন কর্মকর্তাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব সেবা দিতে উৎসাহিত করবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও যশোর জেলা পুলিশের সদস্যরা পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে কাজ করে যাবেন।
পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের এমন স্বীকৃতিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, দায়িত্বশীল ও সৎ কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হলে অন্য সদস্যরাও আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে উৎসাহ পান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ভালো কাজের স্বীকৃতি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও সমান জরুরি। এতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক আরও ইতিবাচক হতে পারে।
প্রতিবছরের মতো এবারও পুলিশ সপ্তাহকে ঘিরে বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেছে। বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের ভালো কাজ মূল্যায়নের পাশাপাশি আধুনিক ও জনবান্ধব পুলিশিং নিয়ে আলোচনা হয়েছে এ আয়োজনে।
যশোর ডিবির তিন কর্মকর্তার এই অর্জন স্থানীয় পর্যায়েও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সহকর্মী ও স্থানীয়দের অনেকে তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
আইজিপি ব্যাজ পাওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন— ডিবির এসআই অলক কুমার দে (পিপিএম), এসআই (নিঃ) কামাল হোসেন এবং এসআই মোঃ কামরুজ্জামান। তাদের এ অর্জনে যশোর জেলা পুলিশের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬। রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে ১০ মে বর্ণাঢ্য পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে শুরু হয় চার দিনব্যাপী এ আয়োজন।
১০ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করা মেধাবী ও সাহসী পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবেই যশোর ডিবির তিন এসআইকে পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস (আইজিপি) ব্যাজ প্রদান করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের কর্মমূল্যায়নের ভিত্তিতে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুর্ধর্ষ অপরাধী গ্রেপ্তার, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা এবং পেশাগত সততা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার কারণে তারা এই স্বীকৃতি পেয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় নানা ঝুঁকি মোকাবিলা করেও এসব পুলিশ সদস্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের অবদান মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
এই অর্জনে যশোর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন কর্মকর্তাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব সেবা দিতে উৎসাহিত করবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও যশোর জেলা পুলিশের সদস্যরা পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে কাজ করে যাবেন।
পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের এমন স্বীকৃতিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, দায়িত্বশীল ও সৎ কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হলে অন্য সদস্যরাও আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে উৎসাহ পান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ভালো কাজের স্বীকৃতি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও সমান জরুরি। এতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক আরও ইতিবাচক হতে পারে।
প্রতিবছরের মতো এবারও পুলিশ সপ্তাহকে ঘিরে বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেছে। বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের ভালো কাজ মূল্যায়নের পাশাপাশি আধুনিক ও জনবান্ধব পুলিশিং নিয়ে আলোচনা হয়েছে এ আয়োজনে।
যশোর ডিবির তিন কর্মকর্তার এই অর্জন স্থানীয় পর্যায়েও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সহকর্মী ও স্থানীয়দের অনেকে তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন