বুধবার (১৩ মে) উপজেলার ফুলকাচিয়া ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় পরিচালিত অভিযানে মো. নজরুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি মৃত শাহজাহানের ছেলে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় ভোলা জানায়, জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার কয়েকটি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের একপর্যায়ে ফুলকাচিয়া এলাকার একটি স্থান থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে নজরুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে তার কাছে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে প্রায় ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।
আটকের পর তাকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনোরঞ্জন বর্মনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে তাকে ৩ মাস ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অনাদায়ে আরও কারাভোগের নির্দেশ রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বলছেন, উপজেলা ও গ্রামীণ এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের মত, মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতা ও পুনর্বাসনমূলক উদ্যোগও বাড়ানো প্রয়োজন। শুধুমাত্র শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদে সমস্যার পূর্ণ সমাধান দিতে পারে না বলেও মনে করেন তারা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভোলা জানিয়েছে, সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক পাচার, বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক নজরদারি জোরদার করা হবে।
বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে ঘটনাটির সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, সে বিষয়েও অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
বুধবার (১৩ মে) উপজেলার ফুলকাচিয়া ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় পরিচালিত অভিযানে মো. নজরুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি মৃত শাহজাহানের ছেলে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় ভোলা জানায়, জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার কয়েকটি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের একপর্যায়ে ফুলকাচিয়া এলাকার একটি স্থান থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে নজরুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে তার কাছে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে প্রায় ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।
আটকের পর তাকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনোরঞ্জন বর্মনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে তাকে ৩ মাস ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অনাদায়ে আরও কারাভোগের নির্দেশ রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বলছেন, উপজেলা ও গ্রামীণ এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের মত, মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতা ও পুনর্বাসনমূলক উদ্যোগও বাড়ানো প্রয়োজন। শুধুমাত্র শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদে সমস্যার পূর্ণ সমাধান দিতে পারে না বলেও মনে করেন তারা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভোলা জানিয়েছে, সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক পাচার, বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক নজরদারি জোরদার করা হবে।
বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে ঘটনাটির সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, সে বিষয়েও অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন