দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা Walton নতুন প্রজন্মের ৪টি প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির স্মার্ট ওয়াশিং মেশিন বাজারে উন্মোচন করেছে। নতুন সিরিজের মডেলগুলোতে যুক্ত হয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), স্টিম ওয়াশ, ইনভার্টার মোটর এবং ওয়াশার-ড্রায়ার কম্বোর মতো আধুনিক প্রযুক্তি। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এসব ফিচার ব্যবহারকারীদের কাপড় ধোয়ার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, দ্রুত ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন মডেলের ওয়াশিং মেশিনগুলোর উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স বিভাগের চিফ বিজনেস অফিসার আব্দুল্লাহ-আল-জুনায়েদ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী Jaya Ahsan। এছাড়া ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
নতুন উন্মোচিত মডেলগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮ ও ৯ কেজি ধারণক্ষমতার টপ-লোডিং এআই সমৃদ্ধ ওয়াশিং মেশিন। ওয়ালটনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই মডেলগুলো কাপড়ের ধরন ও ওজন বুঝে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপযুক্ত ওয়াশিং সেটিং নির্বাচন করতে পারবে। ফলে ব্যবহারকারীদের আলাদা করে বারবার সেটিং ঠিক করার ঝামেলা কমবে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, স্মার্ট সেন্সরভিত্তিক এই প্রযুক্তি কাপড়ের ধরণ অনুযায়ী পানির পরিমাণ, ধোয়ার সময় এবং ঘূর্ণনের গতি সমন্বয় করতে সক্ষম। এতে কাপড় পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও পানির অপচয়ও কমবে।
নতুন সিরিজে আরও যুক্ত হয়েছে ৮ ও ৯ কেজি ধারণক্ষমতার ফ্রন্ট-লোডিং স্টেইন ওয়াশ ফিচারযুক্ত মডেল। পাশাপাশি ৮ কেজি ধারণক্ষমতার স্টিম ওয়াশ সুবিধাযুক্ত একটি মডেলও বাজারে আনা হয়েছে।
প্রযুক্তিবিদদের মতে, স্টিম ওয়াশ প্রযুক্তি কাপড়ের গভীরে জমে থাকা ময়লা ও জীবাণু দূর করতে সহায়তা করে। বিশেষ করে শিশুদের পোশাক, বিছানার চাদর বা দীর্ঘ সময় ব্যবহৃত কাপড় পরিষ্কারে এই প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
ওয়ালটনের কর্মকর্তারা জানান, ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং দ্রুতগতির নগর জীবনের চাহিদা মাথায় রেখেই এসব ফিচার সংযোজন করা হয়েছে।
নতুন সিরিজের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে বাজারে এসেছে ১২ কেজি ধারণক্ষমতার ওয়াশার-ড্রায়ার কম্বো মডেল। এই মডেলে একই সঙ্গে কাপড় ধোয়া এবং শুকানোর সুবিধা মিলবে বলে জানানো হয়েছে।
ওয়ালটন হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স বিভাগের সিবিও আব্দুল্লাহ-আল-জুনায়েদ বলেন, নতুন মডেলগুলো ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট মডেলে ইনভার্টার ও বিএলডিসি মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, যা কম শব্দে দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।
তিনি আরও বলেন, শহুরে ব্যস্ত জীবনে অনেকেরই আলাদা করে কাপড় শুকানোর সময় থাকে না। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় এনে ওয়াশার-ড্রায়ার প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীরা আরও সময় সাশ্রয়ী সমাধান পান।
ওয়ালটনের নতুন কিছু মডেলে ইনভার্টার এবং ডাইরেক্ট ড্রাইভ মোটর ব্যবহার করা হয়েছে। কোম্পানির দাবি, এসব মোটর তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পরও কার্যকারিতা ধরে রাখতে সক্ষম।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, দেশে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং লোড ম্যানেজমেন্টের বাস্তবতায় এনার্জি-সাশ্রয়ী গৃহস্থালী যন্ত্রপাতির চাহিদা বাড়ছে। ফলে ইনভার্টার প্রযুক্তিনির্ভর ওয়াশিং মেশিন এখন মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের কাছেও আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠছে।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের সিএমও জোহেব আহমেদ বলেন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ বাড়ছে। সেই চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন প্রযুক্তির মডেলগুলো বাজারে আনা হয়েছে।
তার ভাষ্য, আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও উন্নত পারফরম্যান্সের সমন্বয়ে তৈরি এই ওয়াশিং মেশিনগুলো দেশের বাজারে নতুন প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অভিনেত্রী Jaya Ahsan বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাত্রায় মানুষের চাহিদা দ্রুত বদলাচ্ছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটন নতুন নতুন ফিচার যুক্ত পণ্য বাজারে আনছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের তৈরি প্রযুক্তিপণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হওয়া দেশের শিল্পখাতের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত ওয়ালটনের উৎপাদন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক মানের ওয়াশিং মেশিন ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট রয়েছে। সেখানে বর্তমানে ফ্রন্ট-লোড, টপ-লোড এবং সেমি-অটোমেটিক ধরনের ৩০টির বেশি মডেলের ওয়াশিং মেশিন উৎপাদন করা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ইউরোপীয় এনার্জি স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণে কমার্শিয়াল ওয়াশিং মেশিনও তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি টাচ-স্ক্রিন প্যানেল, স্টেইনলেস স্টিল ড্রাম এবং একাধিক ঘূর্ণন প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে এসব মেশিন দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যবহারবান্ধব হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে এখন গৃহস্থালী প্রযুক্তিপণ্যের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। আগে যেখানে অধিকাংশ ক্রেতা বিদেশি ব্র্যান্ডের ওপর নির্ভর করতেন, সেখানে এখন দেশীয় কোম্পানিগুলোও উন্নত প্রযুক্তির পণ্য বাজারে আনছে।
এতে একদিকে যেমন প্রতিযোগিতা বাড়ছে, অন্যদিকে স্থানীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে। তবে বাজারে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে বিক্রয়োত্তর সেবা, পণ্যের স্থায়িত্ব এবং গ্রাহক আস্থার বিষয়গুলোও সমান গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে নতুন মডেলের ওয়াশিং মেশিনগুলোর বাজারমূল্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে খুব শিগগিরই দেশজুড়ে ওয়ালটনের শোরুমগুলোতে এগুলো পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা Walton নতুন প্রজন্মের ৪টি প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির স্মার্ট ওয়াশিং মেশিন বাজারে উন্মোচন করেছে। নতুন সিরিজের মডেলগুলোতে যুক্ত হয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), স্টিম ওয়াশ, ইনভার্টার মোটর এবং ওয়াশার-ড্রায়ার কম্বোর মতো আধুনিক প্রযুক্তি। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এসব ফিচার ব্যবহারকারীদের কাপড় ধোয়ার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, দ্রুত ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন মডেলের ওয়াশিং মেশিনগুলোর উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স বিভাগের চিফ বিজনেস অফিসার আব্দুল্লাহ-আল-জুনায়েদ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী Jaya Ahsan। এছাড়া ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
নতুন উন্মোচিত মডেলগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮ ও ৯ কেজি ধারণক্ষমতার টপ-লোডিং এআই সমৃদ্ধ ওয়াশিং মেশিন। ওয়ালটনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই মডেলগুলো কাপড়ের ধরন ও ওজন বুঝে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপযুক্ত ওয়াশিং সেটিং নির্বাচন করতে পারবে। ফলে ব্যবহারকারীদের আলাদা করে বারবার সেটিং ঠিক করার ঝামেলা কমবে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, স্মার্ট সেন্সরভিত্তিক এই প্রযুক্তি কাপড়ের ধরণ অনুযায়ী পানির পরিমাণ, ধোয়ার সময় এবং ঘূর্ণনের গতি সমন্বয় করতে সক্ষম। এতে কাপড় পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও পানির অপচয়ও কমবে।
নতুন সিরিজে আরও যুক্ত হয়েছে ৮ ও ৯ কেজি ধারণক্ষমতার ফ্রন্ট-লোডিং স্টেইন ওয়াশ ফিচারযুক্ত মডেল। পাশাপাশি ৮ কেজি ধারণক্ষমতার স্টিম ওয়াশ সুবিধাযুক্ত একটি মডেলও বাজারে আনা হয়েছে।
প্রযুক্তিবিদদের মতে, স্টিম ওয়াশ প্রযুক্তি কাপড়ের গভীরে জমে থাকা ময়লা ও জীবাণু দূর করতে সহায়তা করে। বিশেষ করে শিশুদের পোশাক, বিছানার চাদর বা দীর্ঘ সময় ব্যবহৃত কাপড় পরিষ্কারে এই প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
ওয়ালটনের কর্মকর্তারা জানান, ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং দ্রুতগতির নগর জীবনের চাহিদা মাথায় রেখেই এসব ফিচার সংযোজন করা হয়েছে।
নতুন সিরিজের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে বাজারে এসেছে ১২ কেজি ধারণক্ষমতার ওয়াশার-ড্রায়ার কম্বো মডেল। এই মডেলে একই সঙ্গে কাপড় ধোয়া এবং শুকানোর সুবিধা মিলবে বলে জানানো হয়েছে।
ওয়ালটন হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স বিভাগের সিবিও আব্দুল্লাহ-আল-জুনায়েদ বলেন, নতুন মডেলগুলো ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট মডেলে ইনভার্টার ও বিএলডিসি মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, যা কম শব্দে দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।
তিনি আরও বলেন, শহুরে ব্যস্ত জীবনে অনেকেরই আলাদা করে কাপড় শুকানোর সময় থাকে না। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় এনে ওয়াশার-ড্রায়ার প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীরা আরও সময় সাশ্রয়ী সমাধান পান।
ওয়ালটনের নতুন কিছু মডেলে ইনভার্টার এবং ডাইরেক্ট ড্রাইভ মোটর ব্যবহার করা হয়েছে। কোম্পানির দাবি, এসব মোটর তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পরও কার্যকারিতা ধরে রাখতে সক্ষম।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, দেশে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং লোড ম্যানেজমেন্টের বাস্তবতায় এনার্জি-সাশ্রয়ী গৃহস্থালী যন্ত্রপাতির চাহিদা বাড়ছে। ফলে ইনভার্টার প্রযুক্তিনির্ভর ওয়াশিং মেশিন এখন মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের কাছেও আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠছে।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের সিএমও জোহেব আহমেদ বলেন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ বাড়ছে। সেই চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন প্রযুক্তির মডেলগুলো বাজারে আনা হয়েছে।
তার ভাষ্য, আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও উন্নত পারফরম্যান্সের সমন্বয়ে তৈরি এই ওয়াশিং মেশিনগুলো দেশের বাজারে নতুন প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অভিনেত্রী Jaya Ahsan বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাত্রায় মানুষের চাহিদা দ্রুত বদলাচ্ছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটন নতুন নতুন ফিচার যুক্ত পণ্য বাজারে আনছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের তৈরি প্রযুক্তিপণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হওয়া দেশের শিল্পখাতের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত ওয়ালটনের উৎপাদন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক মানের ওয়াশিং মেশিন ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট রয়েছে। সেখানে বর্তমানে ফ্রন্ট-লোড, টপ-লোড এবং সেমি-অটোমেটিক ধরনের ৩০টির বেশি মডেলের ওয়াশিং মেশিন উৎপাদন করা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ইউরোপীয় এনার্জি স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণে কমার্শিয়াল ওয়াশিং মেশিনও তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি টাচ-স্ক্রিন প্যানেল, স্টেইনলেস স্টিল ড্রাম এবং একাধিক ঘূর্ণন প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে এসব মেশিন দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যবহারবান্ধব হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে এখন গৃহস্থালী প্রযুক্তিপণ্যের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। আগে যেখানে অধিকাংশ ক্রেতা বিদেশি ব্র্যান্ডের ওপর নির্ভর করতেন, সেখানে এখন দেশীয় কোম্পানিগুলোও উন্নত প্রযুক্তির পণ্য বাজারে আনছে।
এতে একদিকে যেমন প্রতিযোগিতা বাড়ছে, অন্যদিকে স্থানীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে। তবে বাজারে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে বিক্রয়োত্তর সেবা, পণ্যের স্থায়িত্ব এবং গ্রাহক আস্থার বিষয়গুলোও সমান গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে নতুন মডেলের ওয়াশিং মেশিনগুলোর বাজারমূল্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে খুব শিগগিরই দেশজুড়ে ওয়ালটনের শোরুমগুলোতে এগুলো পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন