১৫ আগস্ট ও সাম্প্রতিক সহিংসতা স্মরণে দেশজুড়ে দোয়া কর্মসূচি আওয়ামী লীগের
বঙ্গবন্ধু ও সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে দেশজুড়ে দোয়া, শোক মিছিল শনিবারজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের শহীদ এবং সম্প্রতি কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে দেশজুড়ে দোয়া কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগ। শুক্রবার (২ আগস্ট) দেশের সব মসজিদে বাদ আসর এই দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।দলটির দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) এই তথ্য জানানো হয়।[TECHTARANGA-POST:872]বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দেশের সব মসজিদে একযোগে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সব শহীদ এবং সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হবে।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচি কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয় করা হলেও স্থানীয় পর্যায়েও বিভিন্ন নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।এর আগে শুক্রবার বিকেল ৩টায় রাজধানীতে শোক মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটি একদিন পিছিয়ে শনিবার করা হয়েছে।নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, শনিবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ প্রাঙ্গণ থেকে শোক মিছিল শুরু হবে।মিছিলটি শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড ও মিরপুর রোড হয়ে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে গিয়ে শেষ হবে বলে জানানো হয়েছে।আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে নিহতদের স্মরণ করা এবং সাম্প্রতিক সময়ে কোটা আন্দোলন ঘিরে সংঘটিত সহিংসতায় প্রাণ হারানোদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো।[TECHTARANGA-POST:854]১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশে দিনটি জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর এই দিনটি ঘিরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।অন্যদিকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন আন্দোলন ও সহিংস ঘটনায় প্রাণহানির বিষয়টিও রাজনৈতিক আলোচনায় উঠে এসেছে, যা বিভিন্ন দল আলাদা কর্মসূচির মাধ্যমে স্মরণ করে থাকে।আওয়ামী লীগের এই দোয়া ও শোক কর্মসূচি একদিকে যেমন ঐতিহাসিক শোককে স্মরণ করছে, অন্যদিকে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনাকেও একইসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, এই কর্মসূচি রাজনৈতিক ও আবেগঘন দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। এখন দেখার বিষয়, রাজধানীর শোক মিছিল কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এর প্রভাব কী পড়ে।