সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে ফ্লাইটটি জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রথম ফ্লাইট পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী পরিবহন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। এই ফ্লাইটের যাত্রীরা ছিলেন দেশের বিভিন্ন জেলার নিবন্ধিত হজযাত্রী, যারা দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশি হজযাত্রীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন এবং কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম হাজিদের স্বাগত জানান। তাদের হাতে ফুল তুলে দেওয়া হয় এবং দেওয়া হয় বিশেষ রিফ্রেশমেন্ট কিট, যাতে দীর্ঘ ভ্রমণের পর তারা কিছুটা স্বস্তি পান। ????
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন, সহকারী মৌসুমি হজ অফিসার মো. রুহুল আমিন, জেদ্দা হজ টার্মিনালের হেড অব অপারেশন ইহাহিয়া রাদি এবং হাজিদের সহায়তায় নিয়োজিত সৌদি প্রতিষ্ঠান নুসুক মারহাবার ম্যানেজার রায়েদ বাকশাউন। তাদের উপস্থিতি হজযাত্রীদের গ্রহণ কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলে।
প্রতি বছর বাংলাদেশের হাজার হাজার মুসল্লি হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ধাপে ধাপে এসব হজ ফ্লাইট পরিচালিত হয়। সাধারণত হজ মৌসুমে কয়েক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়, যাতে নিবন্ধিত সব হজযাত্রী নিরাপদে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে বিমানবন্দর থেকে শুরু করে মক্কা ও মদিনায় অবস্থান পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হয়।
হজ ব্যবস্থাপনায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডিজিটাল ব্যবস্থার ব্যবহারও বেড়েছে। সৌদি সরকারের “নুসুক” প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হজযাত্রীদের নিবন্ধন, আবাসন ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন সেবা সমন্বয় করা হচ্ছে। এর ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি কমছে এবং পুরো প্রক্রিয়া আগের তুলনায় আরও সহজ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
প্রথম ফ্লাইটের যাত্রীদের নিরাপদে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে এবারকার হজ কার্যক্রম সুন্দরভাবে শুরু হয়েছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পর্যায়ক্রমে আরও ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এবং সব হজযাত্রী নির্বিঘ্নে পবিত্র হজ পালন করতে পারবেন—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে ফ্লাইটটি জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রথম ফ্লাইট পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী পরিবহন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। এই ফ্লাইটের যাত্রীরা ছিলেন দেশের বিভিন্ন জেলার নিবন্ধিত হজযাত্রী, যারা দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশি হজযাত্রীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন এবং কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম হাজিদের স্বাগত জানান। তাদের হাতে ফুল তুলে দেওয়া হয় এবং দেওয়া হয় বিশেষ রিফ্রেশমেন্ট কিট, যাতে দীর্ঘ ভ্রমণের পর তারা কিছুটা স্বস্তি পান। ????
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন, সহকারী মৌসুমি হজ অফিসার মো. রুহুল আমিন, জেদ্দা হজ টার্মিনালের হেড অব অপারেশন ইহাহিয়া রাদি এবং হাজিদের সহায়তায় নিয়োজিত সৌদি প্রতিষ্ঠান নুসুক মারহাবার ম্যানেজার রায়েদ বাকশাউন। তাদের উপস্থিতি হজযাত্রীদের গ্রহণ কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলে।
প্রতি বছর বাংলাদেশের হাজার হাজার মুসল্লি হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ধাপে ধাপে এসব হজ ফ্লাইট পরিচালিত হয়। সাধারণত হজ মৌসুমে কয়েক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়, যাতে নিবন্ধিত সব হজযাত্রী নিরাপদে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে বিমানবন্দর থেকে শুরু করে মক্কা ও মদিনায় অবস্থান পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হয়।
হজ ব্যবস্থাপনায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডিজিটাল ব্যবস্থার ব্যবহারও বেড়েছে। সৌদি সরকারের “নুসুক” প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হজযাত্রীদের নিবন্ধন, আবাসন ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন সেবা সমন্বয় করা হচ্ছে। এর ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি কমছে এবং পুরো প্রক্রিয়া আগের তুলনায় আরও সহজ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
প্রথম ফ্লাইটের যাত্রীদের নিরাপদে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে এবারকার হজ কার্যক্রম সুন্দরভাবে শুরু হয়েছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পর্যায়ক্রমে আরও ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এবং সব হজযাত্রী নির্বিঘ্নে পবিত্র হজ পালন করতে পারবেন—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার।

আপনার মতামত লিখুন