বাংলাদেশি ইউটিউব নাটকের জগতে নতুন আলোচনার নাম এখন জখম। মুক্তির মাত্র একদিনেই ৪০ লাখের বেশি দর্শক নাটকটি দেখে ফেলেছেন। ধর্ষণের মতো স্পর্শকাতর একটি সামাজিক বাস্তবতার গল্প তুলে ধরায় নাটকটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
নাটকের গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের শান্ত স্বভাবের একটি মেয়ে—রাইসা। সে খুব সহজে কারও সঙ্গে মিশতে পারে না। অন্যদিকে পার্থ একটি সম্ভ্রান্ত যৌথ পরিবারের প্রাণবন্ত ছেলে। একসময় দুজনের পরিচয় থেকে জন্ম নেয় ভালোবাসা। কিন্তু সেই ভালোবাসার পথেই ঘটে এক ভয়াবহ ঘটনা, যা পুরো গল্পকে অন্য দিকে নিয়ে যায়। এরপর শুরু হয় প্রতিবাদ আর প্রতিশোধের এক শক্ত বার্তার গল্প।
নাটকটি পরিচালনা করেছেন ইমরাউল রাফাত। রাইসা চরিত্রে অভিনয় করেছেন তানজিম সাইয়ারা তটিনী এবং পার্থ চরিত্রে দেখা গেছে তৌসিফ মাহবুব-কে। তাদের অভিনয় দর্শকদের বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে তৌসিফের আবেগপূর্ণ অভিনয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক তরুণ-তরুণী ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন।
ইউটিউবের মন্তব্য ঘরেও দর্শকদের প্রতিক্রিয়া বেশ জোরালো। কেউ লিখেছেন, “এই ধরনের গল্প সমাজের অন্ধকার দিকটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়।” আবার কেউ বলেছেন, “বাস্তব জীবনের কষ্ট আর সত্যি এই নাটকে ফুটে উঠেছে।” অনেকেই মনে করছেন, এমন গল্প নিয়মিত তৈরি হলে সমাজে সচেতনতা বাড়বে।
পরিচালক ইমরাউল রাফাত বলেন, এই নাটক মূলত অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহসের গল্প। ধর্ষণের শিকার নারীদের সমাজে কীভাবে দেখা হয় এবং তারা কীভাবে নিজেদের সম্মান ফিরে পেতে লড়াই করেন—সেই বিষয়টি তুলে ধরতেই এই নাটক বানানো হয়েছে। দর্শকদের এত দ্রুত ভালোবাসা পাওয়া তাদের জন্য বড় প্রাপ্তি বলেও জানান তিনি।নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন লুৎফর রহমান জর্জ, মনিরা আক্তার মিঠু, আনোয়ার শাহী, সাবিহা জামান, রিমু রেজা খন্দকার এবং ইসরাত অতিথিসহ আরও অনেকে।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক কয়েক বছরে ইউটিউব নাটকের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে। টেলিভিশনের বাইরে এখন অনেক দর্শক মোবাইলেই নতুন নাটক দেখছেন। বিশেষ করে সামাজিক বার্তাধর্মী নাটকগুলো দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এর আগে সামাজিক সমস্যাভিত্তিক বেশ কিছু নাটকও দর্শকের মধ্যে বড় সাড়া ফেলেছিল। তাই ‘জখম’-এর দ্রুত জনপ্রিয় হওয়াটাকে অনেকেই সময়ের চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই নাটকের গল্পে শুধু কষ্টের দিক নয়, প্রতিবাদের সাহসও দেখানো হয়েছে। অনেক দর্শক মনে করছেন, এই বার্তাটিই নাটকটির জনপ্রিয়তার বড় কারণ।
সব মিলিয়ে বলা যায়, শক্ত গল্প, বাস্তবধর্মী উপস্থাপনা এবং অভিনয়শিল্পীদের আন্তরিক অভিনয়ের কারণে ‘জখম’ অল্প সময়েই দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। সামাজিক বার্তা নিয়ে তৈ

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশি ইউটিউব নাটকের জগতে নতুন আলোচনার নাম এখন জখম। মুক্তির মাত্র একদিনেই ৪০ লাখের বেশি দর্শক নাটকটি দেখে ফেলেছেন। ধর্ষণের মতো স্পর্শকাতর একটি সামাজিক বাস্তবতার গল্প তুলে ধরায় নাটকটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
নাটকের গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের শান্ত স্বভাবের একটি মেয়ে—রাইসা। সে খুব সহজে কারও সঙ্গে মিশতে পারে না। অন্যদিকে পার্থ একটি সম্ভ্রান্ত যৌথ পরিবারের প্রাণবন্ত ছেলে। একসময় দুজনের পরিচয় থেকে জন্ম নেয় ভালোবাসা। কিন্তু সেই ভালোবাসার পথেই ঘটে এক ভয়াবহ ঘটনা, যা পুরো গল্পকে অন্য দিকে নিয়ে যায়। এরপর শুরু হয় প্রতিবাদ আর প্রতিশোধের এক শক্ত বার্তার গল্প।
নাটকটি পরিচালনা করেছেন ইমরাউল রাফাত। রাইসা চরিত্রে অভিনয় করেছেন তানজিম সাইয়ারা তটিনী এবং পার্থ চরিত্রে দেখা গেছে তৌসিফ মাহবুব-কে। তাদের অভিনয় দর্শকদের বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে তৌসিফের আবেগপূর্ণ অভিনয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক তরুণ-তরুণী ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন।
ইউটিউবের মন্তব্য ঘরেও দর্শকদের প্রতিক্রিয়া বেশ জোরালো। কেউ লিখেছেন, “এই ধরনের গল্প সমাজের অন্ধকার দিকটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়।” আবার কেউ বলেছেন, “বাস্তব জীবনের কষ্ট আর সত্যি এই নাটকে ফুটে উঠেছে।” অনেকেই মনে করছেন, এমন গল্প নিয়মিত তৈরি হলে সমাজে সচেতনতা বাড়বে।
পরিচালক ইমরাউল রাফাত বলেন, এই নাটক মূলত অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহসের গল্প। ধর্ষণের শিকার নারীদের সমাজে কীভাবে দেখা হয় এবং তারা কীভাবে নিজেদের সম্মান ফিরে পেতে লড়াই করেন—সেই বিষয়টি তুলে ধরতেই এই নাটক বানানো হয়েছে। দর্শকদের এত দ্রুত ভালোবাসা পাওয়া তাদের জন্য বড় প্রাপ্তি বলেও জানান তিনি।নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন লুৎফর রহমান জর্জ, মনিরা আক্তার মিঠু, আনোয়ার শাহী, সাবিহা জামান, রিমু রেজা খন্দকার এবং ইসরাত অতিথিসহ আরও অনেকে।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক কয়েক বছরে ইউটিউব নাটকের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে। টেলিভিশনের বাইরে এখন অনেক দর্শক মোবাইলেই নতুন নাটক দেখছেন। বিশেষ করে সামাজিক বার্তাধর্মী নাটকগুলো দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এর আগে সামাজিক সমস্যাভিত্তিক বেশ কিছু নাটকও দর্শকের মধ্যে বড় সাড়া ফেলেছিল। তাই ‘জখম’-এর দ্রুত জনপ্রিয় হওয়াটাকে অনেকেই সময়ের চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই নাটকের গল্পে শুধু কষ্টের দিক নয়, প্রতিবাদের সাহসও দেখানো হয়েছে। অনেক দর্শক মনে করছেন, এই বার্তাটিই নাটকটির জনপ্রিয়তার বড় কারণ।
সব মিলিয়ে বলা যায়, শক্ত গল্প, বাস্তবধর্মী উপস্থাপনা এবং অভিনয়শিল্পীদের আন্তরিক অভিনয়ের কারণে ‘জখম’ অল্প সময়েই দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। সামাজিক বার্তা নিয়ে তৈ

আপনার মতামত লিখুন