চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামীর রৌফাবাদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে আহত হওয়া পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রেশমী আক্তার অবশেষে মারা গেছে। মাত্র ১১ বছরের এই শিশুটি আট দিন ধরে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছিল। শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি নতুন করে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পরিবারের দাবি, বাসার পাশের দোকানে পান আনতে গিয়ে হঠাৎ গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায় রেশমী। একটি গুলি তার বাঁ চোখ দিয়ে মাথার ভেতরে ঢুকে যায়। এরপর থেকেই সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিল সে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৭ মে রাত সাড়ে ৯টার দিকে রৌফাবাদ শহীদ মিনার গলিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় এলাকায় হঠাৎ করেই কয়েক মিনিট ধরে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঠিক তখনই মা রেশমীকে ২০ টাকা দিয়ে পাশের দোকানে পান আনতে পাঠিয়েছিলেন।
স্বজনদের অভিযোগ, রাস্তায় বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই গুলির শব্দ শুরু হয়। আতঙ্কিত মানুষ ছোটাছুটি করতে থাকলেও রেশমী আর নিরাপদে ফিরতে পারেনি। একটি গুলি সরাসরি তার চোখে লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
প্রথমে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা খালি হলে তাকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন জানান, শুক্রবার সকালেই শিশুটি মারা যায়। তিনি বলেন, রেশমী কয়েকদিন ধরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল এবং তার অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই রাতে গুলিবর্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল রাজু নামে এক যুবক। ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। একই হামলায় গুলিবিদ্ধ হয় শিশু রেশমী।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, এই হামলার পেছনে আগের একটি হত্যাকাণ্ডের জের থাকতে পারে। গত ২৬ এপ্রিল রাউজানের কদলপুর এলাকায় নাসির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় নিহত নাসিরের মেয়ে লাভলী আক্তার রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন বলে জানা গেছে।
পরে প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি নগরে এসে রাজুকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে পুলিশের ধারণা। তবে তদন্ত এখনও চলমান থাকায় পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে সব তথ্য নিশ্চিত করেনি।
এ ঘটনায় নিহত রাজুর মায়ের দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রেশমী ছিল পরিবারের সবচেয়ে ছোট সন্তান। বাবা রিয়াজ এবং মা সাবেরার দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে সে ছিল সবার আদরের। এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত সে।
প্রতিবেশীরা জানান, চঞ্চল আর হাসিখুশি স্বভাবের মেয়েটি নিয়মিত স্কুলে যেত এবং পড়াশোনায়ও ভালো ছিল। তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই বলছেন, যে বয়সে একটি শিশু বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা, সে বয়সে তাকে গুলির শিকার হয়ে প্রাণ হারাতে হলো।
একজন প্রতিবেশী বলেন, “ও তো কোনো ঝামেলার সঙ্গে জড়িত ছিল না। দোকানে গিয়েছিল, এটাই তার অপরাধ হয়ে গেল।”
এই ঘটনা আবারও নগরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, প্রতিশোধমূলক হামলা এবং জনবহুল এলাকায় অবাধ অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও বিরোধকে কেন্দ্র করে অস্ত্রের মহড়া দেখা গেলেও সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর দ্বন্দ্ব যখন আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, তখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে সাধারণ মানুষ ও শিশুরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণেও জোর দাবি উঠছে।
সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিশোধের সংস্কৃতি ও স্থানীয় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিস্তার শুধু অপরাধই বাড়ায় না, বরং শিশুদের স্বাভাবিক জীবনও কেড়ে নেয়। রেশমীর মৃত্যু সেই বাস্তবতাকেই আরও নির্মমভাবে সামনে আনল।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।
তবে এখনো পর্যন্ত হামলার পেছনের সব কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তদন্ত কর্মকর্তারা। পুলিশের দাবি, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রকাশ করা হবে না।
এদিকে রেশমীর মৃত্যুতে স্থানীয় বাসিন্দারা দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আবাসিক এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছেন তারা।
রেশমীর মৃত্যুর পর তার পরিবার ভেঙে পড়েছে। স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল এলাকা ভারী হয়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, একটি নিরীহ শিশুকে হারানোর এই শোক কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়।
এখন সবার নজর তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার দিকে। কারণ, একটি শিশু কীভাবে সন্ত্রাসী হামলার বলি হলো—তার জবাব জানতে চাইছে পুরো এলাকা।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামীর রৌফাবাদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে আহত হওয়া পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রেশমী আক্তার অবশেষে মারা গেছে। মাত্র ১১ বছরের এই শিশুটি আট দিন ধরে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছিল। শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি নতুন করে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পরিবারের দাবি, বাসার পাশের দোকানে পান আনতে গিয়ে হঠাৎ গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায় রেশমী। একটি গুলি তার বাঁ চোখ দিয়ে মাথার ভেতরে ঢুকে যায়। এরপর থেকেই সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিল সে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৭ মে রাত সাড়ে ৯টার দিকে রৌফাবাদ শহীদ মিনার গলিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় এলাকায় হঠাৎ করেই কয়েক মিনিট ধরে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঠিক তখনই মা রেশমীকে ২০ টাকা দিয়ে পাশের দোকানে পান আনতে পাঠিয়েছিলেন।
স্বজনদের অভিযোগ, রাস্তায় বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই গুলির শব্দ শুরু হয়। আতঙ্কিত মানুষ ছোটাছুটি করতে থাকলেও রেশমী আর নিরাপদে ফিরতে পারেনি। একটি গুলি সরাসরি তার চোখে লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
প্রথমে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা খালি হলে তাকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন জানান, শুক্রবার সকালেই শিশুটি মারা যায়। তিনি বলেন, রেশমী কয়েকদিন ধরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল এবং তার অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই রাতে গুলিবর্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল রাজু নামে এক যুবক। ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। একই হামলায় গুলিবিদ্ধ হয় শিশু রেশমী।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, এই হামলার পেছনে আগের একটি হত্যাকাণ্ডের জের থাকতে পারে। গত ২৬ এপ্রিল রাউজানের কদলপুর এলাকায় নাসির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় নিহত নাসিরের মেয়ে লাভলী আক্তার রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন বলে জানা গেছে।
পরে প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি নগরে এসে রাজুকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে পুলিশের ধারণা। তবে তদন্ত এখনও চলমান থাকায় পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে সব তথ্য নিশ্চিত করেনি।
এ ঘটনায় নিহত রাজুর মায়ের দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রেশমী ছিল পরিবারের সবচেয়ে ছোট সন্তান। বাবা রিয়াজ এবং মা সাবেরার দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে সে ছিল সবার আদরের। এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত সে।
প্রতিবেশীরা জানান, চঞ্চল আর হাসিখুশি স্বভাবের মেয়েটি নিয়মিত স্কুলে যেত এবং পড়াশোনায়ও ভালো ছিল। তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই বলছেন, যে বয়সে একটি শিশু বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা, সে বয়সে তাকে গুলির শিকার হয়ে প্রাণ হারাতে হলো।
একজন প্রতিবেশী বলেন, “ও তো কোনো ঝামেলার সঙ্গে জড়িত ছিল না। দোকানে গিয়েছিল, এটাই তার অপরাধ হয়ে গেল।”
এই ঘটনা আবারও নগরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, প্রতিশোধমূলক হামলা এবং জনবহুল এলাকায় অবাধ অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও বিরোধকে কেন্দ্র করে অস্ত্রের মহড়া দেখা গেলেও সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর দ্বন্দ্ব যখন আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, তখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে সাধারণ মানুষ ও শিশুরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণেও জোর দাবি উঠছে।
সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিশোধের সংস্কৃতি ও স্থানীয় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিস্তার শুধু অপরাধই বাড়ায় না, বরং শিশুদের স্বাভাবিক জীবনও কেড়ে নেয়। রেশমীর মৃত্যু সেই বাস্তবতাকেই আরও নির্মমভাবে সামনে আনল।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।
তবে এখনো পর্যন্ত হামলার পেছনের সব কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তদন্ত কর্মকর্তারা। পুলিশের দাবি, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রকাশ করা হবে না।
এদিকে রেশমীর মৃত্যুতে স্থানীয় বাসিন্দারা দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আবাসিক এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছেন তারা।
রেশমীর মৃত্যুর পর তার পরিবার ভেঙে পড়েছে। স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল এলাকা ভারী হয়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, একটি নিরীহ শিশুকে হারানোর এই শোক কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়।
এখন সবার নজর তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার দিকে। কারণ, একটি শিশু কীভাবে সন্ত্রাসী হামলার বলি হলো—তার জবাব জানতে চাইছে পুরো এলাকা।

আপনার মতামত লিখুন