রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১ এলাকায় সরকারি বরাদ্দকৃত একটি প্লট জাল দলিল ব্যবহার করে জোরপূর্বক দখলে রাখা হয়েছে—এমন গুরুতর অভিযোগ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই বিরোধ এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেকশন-১১ এর রোড নং-৩, প্লট নং-৩ এলাকায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের বরাদ্দকৃত একটি জমি জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে দখলে রাখা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মোঃ রাজিয়া জাহের ওরফে রাজিয়া সুলতানা এবং তার ভাই মোঃ ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও নথিপত্র পর্যালোচনায় জানা যায়, আলোচিত প্লটটি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের অধীনে বৈধভাবে বরাদ্দপ্রাপ্ত সম্পত্তি। বরাদ্দপ্রাপ্ত হিসেবে মোঃ আলাউদ্দিন (পিতা: আব্দুল আলী) উক্ত জমির মূল হকদার ছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে।
পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি মোঃ মোদাচ্ছের হোসেনকে আম-মোক্তারনামা প্রদান করেন। সেই ক্ষমতাবলে মোদাচ্ছের হোসেন রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে লিজ গ্রহণ করেন এবং নিয়মিতভাবে নামজারি, খাজনা ও হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে আসছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ সরেজমিন যাচাই শেষে মোঃ মোদাচ্ছের হোসেনকে দখল হস্তান্তর করে বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী জমির বৈধ দখল বর্তমানে তার নামেই রয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, মোঃ রাজিয়া সুলতানা জাল দলিল ব্যবহার করে জমির নামজারির জন্য জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলেন। তবে যাচাই-বাছাইয়ের সময় ওই দলিলের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং সেটিকে জাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয় বলে দাবি করা হচ্ছে।
ফলে তার নামজারি আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, এই প্রত্যাখ্যানের পরও একটি প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় জমিটি দখলে রাখা হয় এবং সেখানে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি বরাদ্দ ও বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও জমিটি দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখলে রাখা হয়েছে। এতে প্রকৃত মালিক পক্ষের অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন,
“এটা কোনো সাধারণ জমি বিরোধ নয়। সরকারি প্লট নিয়ে যেভাবে দখল বজায় রাখা হচ্ছে, তা খুবই উদ্বেগজনক। এখানে আইন মানার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।”
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
“বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও যদি সমাধান না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? এভাবে চলতে থাকলে এলাকায় অস্থিরতা আরও বাড়বে।”
অভিযোগকারীদের দাবি, একটি সরকারি সংস্থার বরাদ্দকৃত জমি নিয়ে এমন জটিলতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত দখল মুক্ত করে প্রকৃত মালিকের কাছে জমি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তাদের মতে, শুধু অভিযোগ গ্রহণ নয়—এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে জড়িতদের ভূমিকা স্পষ্ট করা জরুরি।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকারি জমি নিয়ে জাল দলিল ব্যবহারের অভিযোগ কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। এটি শুধু একটি জমি বিরোধ নয়, বরং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।
তারা মনে করছেন, যদি দ্রুত ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে এবং সাধারণ মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে।
এ ঘটনায় পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে থানার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে উভয় পক্ষকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ ও কাগজপত্র যাচাই করা হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে মোঃ রাজিয়া সুলতানা ও মোঃ ফখরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের অবস্থান বা প্রতিক্রিয়া এই মুহূর্তে জানা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, মোঃ মোদাচ্ছের হোসেনের পক্ষ থেকে জমির বৈধ কাগজপত্র ও সরকারি হস্তান্তরের নথি রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ঘটনায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠে আসে সরকারি ভূমি ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়ে। একটি প্লটের ক্ষেত্রে যখন একাধিক দাবি, জাল দলিলের অভিযোগ এবং দখল বিরোধ দেখা দেয়, তখন তা প্রশাসনিক দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।
এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে দখল বজায় রাখার প্রবণতা এবং আইনের প্রতি উপেক্ষা সমাজে দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো মনে করছেন, এ ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। শুধুমাত্র কাগজপত্র যাচাই নয়, বাস্তব দখল পরিস্থিতিও কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
তাদের মতে, সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থান না থাকলে ভবিষ্যতে আরও জটিল ভূমি সংকট তৈরি হতে পারে।
মিরপুর পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার এই জমি বিরোধ এখন শুধু স্থানীয় সমস্যা নয়, বরং একটি প্রশাসনিক ও আইনি চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। সরকারি বরাদ্দকৃত জমি নিয়ে জাল দলিল ও দখল সংক্রান্ত অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।
এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কত দ্রুত ও কতটা নিরপেক্ষভাবে এই জটিলতার সমাধান করে প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিত করতে পারে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১ এলাকায় সরকারি বরাদ্দকৃত একটি প্লট জাল দলিল ব্যবহার করে জোরপূর্বক দখলে রাখা হয়েছে—এমন গুরুতর অভিযোগ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই বিরোধ এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেকশন-১১ এর রোড নং-৩, প্লট নং-৩ এলাকায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের বরাদ্দকৃত একটি জমি জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে দখলে রাখা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মোঃ রাজিয়া জাহের ওরফে রাজিয়া সুলতানা এবং তার ভাই মোঃ ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও নথিপত্র পর্যালোচনায় জানা যায়, আলোচিত প্লটটি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের অধীনে বৈধভাবে বরাদ্দপ্রাপ্ত সম্পত্তি। বরাদ্দপ্রাপ্ত হিসেবে মোঃ আলাউদ্দিন (পিতা: আব্দুল আলী) উক্ত জমির মূল হকদার ছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে।
পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি মোঃ মোদাচ্ছের হোসেনকে আম-মোক্তারনামা প্রদান করেন। সেই ক্ষমতাবলে মোদাচ্ছের হোসেন রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে লিজ গ্রহণ করেন এবং নিয়মিতভাবে নামজারি, খাজনা ও হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে আসছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ সরেজমিন যাচাই শেষে মোঃ মোদাচ্ছের হোসেনকে দখল হস্তান্তর করে বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী জমির বৈধ দখল বর্তমানে তার নামেই রয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, মোঃ রাজিয়া সুলতানা জাল দলিল ব্যবহার করে জমির নামজারির জন্য জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলেন। তবে যাচাই-বাছাইয়ের সময় ওই দলিলের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং সেটিকে জাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয় বলে দাবি করা হচ্ছে।
ফলে তার নামজারি আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, এই প্রত্যাখ্যানের পরও একটি প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় জমিটি দখলে রাখা হয় এবং সেখানে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি বরাদ্দ ও বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও জমিটি দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখলে রাখা হয়েছে। এতে প্রকৃত মালিক পক্ষের অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন,
“এটা কোনো সাধারণ জমি বিরোধ নয়। সরকারি প্লট নিয়ে যেভাবে দখল বজায় রাখা হচ্ছে, তা খুবই উদ্বেগজনক। এখানে আইন মানার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।”
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
“বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও যদি সমাধান না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? এভাবে চলতে থাকলে এলাকায় অস্থিরতা আরও বাড়বে।”
অভিযোগকারীদের দাবি, একটি সরকারি সংস্থার বরাদ্দকৃত জমি নিয়ে এমন জটিলতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত দখল মুক্ত করে প্রকৃত মালিকের কাছে জমি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তাদের মতে, শুধু অভিযোগ গ্রহণ নয়—এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে জড়িতদের ভূমিকা স্পষ্ট করা জরুরি।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকারি জমি নিয়ে জাল দলিল ব্যবহারের অভিযোগ কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। এটি শুধু একটি জমি বিরোধ নয়, বরং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।
তারা মনে করছেন, যদি দ্রুত ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে এবং সাধারণ মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে।
এ ঘটনায় পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে থানার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে উভয় পক্ষকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ ও কাগজপত্র যাচাই করা হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে মোঃ রাজিয়া সুলতানা ও মোঃ ফখরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের অবস্থান বা প্রতিক্রিয়া এই মুহূর্তে জানা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, মোঃ মোদাচ্ছের হোসেনের পক্ষ থেকে জমির বৈধ কাগজপত্র ও সরকারি হস্তান্তরের নথি রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ঘটনায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠে আসে সরকারি ভূমি ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়ে। একটি প্লটের ক্ষেত্রে যখন একাধিক দাবি, জাল দলিলের অভিযোগ এবং দখল বিরোধ দেখা দেয়, তখন তা প্রশাসনিক দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।
এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে দখল বজায় রাখার প্রবণতা এবং আইনের প্রতি উপেক্ষা সমাজে দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো মনে করছেন, এ ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। শুধুমাত্র কাগজপত্র যাচাই নয়, বাস্তব দখল পরিস্থিতিও কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
তাদের মতে, সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থান না থাকলে ভবিষ্যতে আরও জটিল ভূমি সংকট তৈরি হতে পারে।
মিরপুর পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার এই জমি বিরোধ এখন শুধু স্থানীয় সমস্যা নয়, বরং একটি প্রশাসনিক ও আইনি চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। সরকারি বরাদ্দকৃত জমি নিয়ে জাল দলিল ও দখল সংক্রান্ত অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।
এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কত দ্রুত ও কতটা নিরপেক্ষভাবে এই জটিলতার সমাধান করে প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিত করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন