নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার দিনব্যাপী পরিচালিত এই অভিযানে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অংশ নেয়।
অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকায় মাদকবিরোধী তৎপরতা আরও জোরদার হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সোমবার Sapahar Upazila-এর বিভিন্ন এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফরিদুল ইসলাম। পুরো দিনজুড়ে বিভিন্ন এলাকায় সন্দেহভাজনদের নজরদারি ও অভিযান চালানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযানে চারজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
আদালতের রায়ে—
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—
উপজেলা সদরের শিমুলতলী পাড়ার ফজলুর রহমানের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৫০) ও তার ছেলে সুলতান মাহমুদ, করলডাঙ্গা পাড়ার ফজলুর রহমানের ছেলে সানাউল (৪৫) এবং সাহেব বাজার এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩১)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মাদক নির্মূল ও এলাকাকে নিরাপদ রাখতে নিয়মিতভাবে এমন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদুল ইসলাম জানান, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে এবং কোনোভাবেই মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সহ্য করা হবে না।
অভিযান চলাকালীন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের মতে, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক সংশ্লিষ্ট কিছু কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ ছিল। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে যুবসমাজকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করছেন।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “এ ধরনের অভিযান চলমান থাকলে এলাকায় মাদক ব্যবসা কমে আসবে, তরুণরা বিপথে যাবে না।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ ও উপজেলা পর্যায়ে মাদক বিস্তার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত বিচার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা থাকায় অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
তারা বলছেন, শুধু অভিযান নয়, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমও একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এবং এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সাথে স্থানীয়দেরও আহ্বান জানানো হয়েছে, কেউ মাদক সংক্রান্ত তথ্য পেলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে।
নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতা বাড়লে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার দিনব্যাপী পরিচালিত এই অভিযানে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অংশ নেয়।
অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকায় মাদকবিরোধী তৎপরতা আরও জোরদার হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সোমবার Sapahar Upazila-এর বিভিন্ন এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফরিদুল ইসলাম। পুরো দিনজুড়ে বিভিন্ন এলাকায় সন্দেহভাজনদের নজরদারি ও অভিযান চালানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযানে চারজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
আদালতের রায়ে—
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—
উপজেলা সদরের শিমুলতলী পাড়ার ফজলুর রহমানের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৫০) ও তার ছেলে সুলতান মাহমুদ, করলডাঙ্গা পাড়ার ফজলুর রহমানের ছেলে সানাউল (৪৫) এবং সাহেব বাজার এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩১)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মাদক নির্মূল ও এলাকাকে নিরাপদ রাখতে নিয়মিতভাবে এমন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদুল ইসলাম জানান, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে এবং কোনোভাবেই মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সহ্য করা হবে না।
অভিযান চলাকালীন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের মতে, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক সংশ্লিষ্ট কিছু কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ ছিল। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে যুবসমাজকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করছেন।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “এ ধরনের অভিযান চলমান থাকলে এলাকায় মাদক ব্যবসা কমে আসবে, তরুণরা বিপথে যাবে না।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ ও উপজেলা পর্যায়ে মাদক বিস্তার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত বিচার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা থাকায় অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
তারা বলছেন, শুধু অভিযান নয়, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমও একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এবং এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সাথে স্থানীয়দেরও আহ্বান জানানো হয়েছে, কেউ মাদক সংক্রান্ত তথ্য পেলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে।
নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতা বাড়লে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন