পহেলা বৈশাখকে বাঙালির প্রাণের উৎসব এবং জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন খিলক্ষেত প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক হাবিব সরকার স্বাধীন। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় ও আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
গতকাল (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর খিলক্ষেতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
বিগত দিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে এক নতুন ভোরের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে হাবিব সরকার স্বাধীন বলেন, "বিগত দিনের সব গ্লানি ও স্বৈরাচারের অবশেষ মুছে আমরা এক নতুন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। এই নববর্ষ হোক আমাদের মুক্তির অঙ্গীকার।"
গণতন্ত্র সুসংহতকরণে সাংবাদিকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, "স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে গণতন্ত্রের যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তাকে সফল করতে সাংবাদিক সমাজকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করতে হবে। মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া একটি টেকসই গণতন্ত্র কল্পনা করা যায় না। তাই সত্য প্রকাশে আমাদের আপসহীন হতে হবে।"
দেশের ক্রান্তিলগ্নে ছাত্রসমাজের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ছাত্রসমাজ যে সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির উন্নয়ন ও সুশাসনের রাজনীতিতে সকলকে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।"
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "নতুন বছরের নতুন সূর্য যেন প্রতিটি মানুষের জীবনে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিয়ে আসে। আসুন, আমরা দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি স্বনির্ভর ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলি।"

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
পহেলা বৈশাখকে বাঙালির প্রাণের উৎসব এবং জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন খিলক্ষেত প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক হাবিব সরকার স্বাধীন। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় ও আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
গতকাল (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর খিলক্ষেতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
বিগত দিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে এক নতুন ভোরের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে হাবিব সরকার স্বাধীন বলেন, "বিগত দিনের সব গ্লানি ও স্বৈরাচারের অবশেষ মুছে আমরা এক নতুন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। এই নববর্ষ হোক আমাদের মুক্তির অঙ্গীকার।"
গণতন্ত্র সুসংহতকরণে সাংবাদিকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, "স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে গণতন্ত্রের যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তাকে সফল করতে সাংবাদিক সমাজকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করতে হবে। মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া একটি টেকসই গণতন্ত্র কল্পনা করা যায় না। তাই সত্য প্রকাশে আমাদের আপসহীন হতে হবে।"
দেশের ক্রান্তিলগ্নে ছাত্রসমাজের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ছাত্রসমাজ যে সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির উন্নয়ন ও সুশাসনের রাজনীতিতে সকলকে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।"
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "নতুন বছরের নতুন সূর্য যেন প্রতিটি মানুষের জীবনে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিয়ে আসে। আসুন, আমরা দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি স্বনির্ভর ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলি।"

আপনার মতামত লিখুন