বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahmanকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে তিনি তারেক রহমানের নির্বাচনী সাফল্যকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভবিষ্যৎ কার্যকালের জন্য সাফল্য কামনা করেন।
চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বিশেষ করে একটি মুক্ত, উন্মুক্ত ও স্থিতিশীল ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সার্বভৌম ও শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে আসছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ হবে।
বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ও সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তিগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন উভয় দেশের কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জন্য ইতিবাচক সুফল বয়ে আনতে পারে। তিনি পারস্পরিক স্বার্থে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের কথা উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। চলমান ও ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার মাধ্যমে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও উচ্চমানের মার্কিন সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেন ট্রাম্প। তাঁর মতে, নিরাপত্তা খাতে সমন্বিত উদ্যোগ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদার করতে সহায়ক হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বার্তা দুই দেশের কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত বহন করে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahmanকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে তিনি তারেক রহমানের নির্বাচনী সাফল্যকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভবিষ্যৎ কার্যকালের জন্য সাফল্য কামনা করেন।
চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বিশেষ করে একটি মুক্ত, উন্মুক্ত ও স্থিতিশীল ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সার্বভৌম ও শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে আসছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ হবে।
বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ও সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তিগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন উভয় দেশের কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জন্য ইতিবাচক সুফল বয়ে আনতে পারে। তিনি পারস্পরিক স্বার্থে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের কথা উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। চলমান ও ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার মাধ্যমে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও উচ্চমানের মার্কিন সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেন ট্রাম্প। তাঁর মতে, নিরাপত্তা খাতে সমন্বিত উদ্যোগ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদার করতে সহায়ক হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বার্তা দুই দেশের কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত বহন করে।

আপনার মতামত লিখুন