দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

দিনাজপুরে দেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদুল আজহার জামাত, লাখো মুসল্লির তাকবিরে মুখর গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ

দিনাজপুরে দেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদুল আজহার জামাত, লাখো মুসল্লির তাকবিরে মুখর গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ

ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও ঢাকাজুড়ে কোরবানি, কসাই সংকট কমায় স্বস্তি নগরবাসীর

সেনানিবাসে আবেগঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বললেন— ‘সবাই দায়িত্ব পালন করলে গড়ে উঠবে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

ঈদযাত্রার সকালে রাজধানীতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, নর্দ্দায় নিহত ৪, আহত বহু

নরসিংদীর রায়পুরায় তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, আতঙ্কে এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলে যমুনা সেতুর পূর্বপাড়ে ট্রাক দুর্ঘটনায় ১৫ প্রাণহানি, শোকে স্তব্ধ চাপাইনবাবগঞ্জ

বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে এগোচ্ছে, সংসদ ভবনে ১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধন

ভূমধ্যসাগরে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি: নৌকাডুবিতে নিখোঁজ অন্তত ৭০, বাংলাদেশিসহ ৩২ জন জীবিত উদ্ধার

ভূমধ্যসাগরে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি: নৌকাডুবিতে নিখোঁজ অন্তত ৭০, বাংলাদেশিসহ ৩২ জন জীবিত উদ্ধার
-ছবি: সংগৃহীত

ভূমধ্যসাগরের বুকে আবারও ঘটলো এক হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ইতালির কোস্টগার্ড বাহিনী ইতোমধ্যে বাংলাদেশিসহ ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২ জনের মরদেহ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম The New York Times-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া সবাই পুরুষ এবং তারা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মিসরের নাগরিক। জীবিত উদ্ধারপ্রাপ্তদের ভাষ্যমতে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে নৌযানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়।

দুর্ঘটনাটি ঘটেছে Mediterranean Sea-এর একটি অংশে, যা Libya-র নিয়ন্ত্রিত সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (SAR) জোনের অন্তর্ভুক্ত। দুর্ঘটনার পর জার্মান সংস্থা Sea-Watch আকাশপথে নজরদারি চালিয়ে উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তা করে। তাদের ধারণকৃত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, উল্টে যাওয়া কাঠের নৌযানের ওপর আশ্রয় নিয়ে জীবনের জন্য লড়াই করছেন অসহায় যাত্রীরা।

ইতালীয় এনজিও Mediterranea Saving Humans জানিয়েছে, নৌযানটি Tajoura উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতে মোট ১০৫ জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উদ্ধার হওয়া জীবিতদের এবং মরদেহ ইতালির Lampedusa দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে নিখোঁজদের উদ্ধারে জোর তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর মানবাধিকার সংগঠনগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি নিরাপদ ও মানবিক অভিবাসন নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য Mediterranean Sea দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অন্যতম প্রধান রুট হলেও এটি বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জলপথগুলোর একটি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে শত শত মানুষ নিখোঁজ বা প্রাণ হারিয়েছেন।

 এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করলো—ভালো জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে পা বাড়ানো কতটা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


ভূমধ্যসাগরে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি: নৌকাডুবিতে নিখোঁজ অন্তত ৭০, বাংলাদেশিসহ ৩২ জন জীবিত উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ভূমধ্যসাগরের বুকে আবারও ঘটলো এক হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ইতালির কোস্টগার্ড বাহিনী ইতোমধ্যে বাংলাদেশিসহ ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২ জনের মরদেহ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম The New York Times-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া সবাই পুরুষ এবং তারা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মিসরের নাগরিক। জীবিত উদ্ধারপ্রাপ্তদের ভাষ্যমতে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে নৌযানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়।

দুর্ঘটনাটি ঘটেছে Mediterranean Sea-এর একটি অংশে, যা Libya-র নিয়ন্ত্রিত সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (SAR) জোনের অন্তর্ভুক্ত। দুর্ঘটনার পর জার্মান সংস্থা Sea-Watch আকাশপথে নজরদারি চালিয়ে উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তা করে। তাদের ধারণকৃত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, উল্টে যাওয়া কাঠের নৌযানের ওপর আশ্রয় নিয়ে জীবনের জন্য লড়াই করছেন অসহায় যাত্রীরা।

ইতালীয় এনজিও Mediterranea Saving Humans জানিয়েছে, নৌযানটি Tajoura উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতে মোট ১০৫ জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উদ্ধার হওয়া জীবিতদের এবং মরদেহ ইতালির Lampedusa দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে নিখোঁজদের উদ্ধারে জোর তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর মানবাধিকার সংগঠনগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি নিরাপদ ও মানবিক অভিবাসন নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য Mediterranean Sea দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অন্যতম প্রধান রুট হলেও এটি বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জলপথগুলোর একটি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে শত শত মানুষ নিখোঁজ বা প্রাণ হারিয়েছেন।

 এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করলো—ভালো জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে পা বাড়ানো কতটা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর