নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করল দেশের নতুন মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর রাতে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদের নিয়োগ ও দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিভাগ। অন্য মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টনে অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয় দেখা গেছে।
১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। ৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম): মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ৬. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। ৭. ড. খলিলুর রহমান: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ৮. আব্দুল আউয়াল মিন্টু: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। ৯. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ১০. মিজানুর রহমান মিনু: ভূমি মন্ত্রণালয়। ১১. নিতাই রায় চৌধুরী: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ১২. খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির: বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। ১৩. আরিফুল হক চৌধুরী: শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। ১৪. জহির উদ্দিন স্বপন: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। ১৫. মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়। ১৬. আফরোজা খানম রিতা: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। ১৭. মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। ১৮. আসাদুল হাবিব দুলু: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। ১৯. মো. আসাদুজ্জামান: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০. জাকারিয়া তাহের: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। ২১. দীপেন দেওয়ান: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২২. আ ন ম এহসানুল হক মিলন: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২৩. সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল): স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ২৪. ফকির মাহবুব আনাম: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ২৫. শেখ রবিউল আলম: সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
নতুন মন্ত্রিসভায় ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:
জোনায়েদ সাকি: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
নুরুল হক নুর (ভিপি নুর): শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
শামা ওবায়েদ ইসলাম: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়।
ইশরাক হোসেন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ববি হাজ্জাজ: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, শপথ গ্রহণের পর থেকেই এই নিয়োগ ও দপ্তর বণ্টন কার্যকর হয়েছে। নতুন এই মন্ত্রিসভার মাধ্যমে দেশের প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করল দেশের নতুন মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর রাতে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদের নিয়োগ ও দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিভাগ। অন্য মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টনে অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয় দেখা গেছে।
১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। ৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম): মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ৬. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। ৭. ড. খলিলুর রহমান: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ৮. আব্দুল আউয়াল মিন্টু: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। ৯. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ১০. মিজানুর রহমান মিনু: ভূমি মন্ত্রণালয়। ১১. নিতাই রায় চৌধুরী: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ১২. খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির: বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। ১৩. আরিফুল হক চৌধুরী: শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। ১৪. জহির উদ্দিন স্বপন: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। ১৫. মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়। ১৬. আফরোজা খানম রিতা: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। ১৭. মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। ১৮. আসাদুল হাবিব দুলু: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। ১৯. মো. আসাদুজ্জামান: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০. জাকারিয়া তাহের: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। ২১. দীপেন দেওয়ান: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২২. আ ন ম এহসানুল হক মিলন: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২৩. সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল): স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ২৪. ফকির মাহবুব আনাম: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ২৫. শেখ রবিউল আলম: সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
নতুন মন্ত্রিসভায় ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:
জোনায়েদ সাকি: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
নুরুল হক নুর (ভিপি নুর): শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
শামা ওবায়েদ ইসলাম: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়।
ইশরাক হোসেন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ববি হাজ্জাজ: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, শপথ গ্রহণের পর থেকেই এই নিয়োগ ও দপ্তর বণ্টন কার্যকর হয়েছে। নতুন এই মন্ত্রিসভার মাধ্যমে দেশের প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন