দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫

সংসদে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই পাস: সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল, ওয়াকআউট বিরোধীদের

সংসদে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই পাস: সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল, ওয়াকআউট বিরোধীদের

ফতুল্লায় ঝুট ব্যবসা দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৩, এলাকাজুড়ে আতঙ্ক

লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা: প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান, বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

“বিজয় ঘোষণা করে যুদ্ধবিরতিতে ইরান—পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক সমঝোতা!”

“যুদ্ধ থামেনি, শুধু থেমেছে গুলি: ট্রিগারে আঙুল রাখার নির্দেশ মোজতবা খামেনি—দুই সপ্তাহের নাজুক যুদ্ধবিরতিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র”

মধ্যপ্রাচ্যে নাটকীয় মোড়: পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি, ‘বিজয়’ দাবি ইরানের! হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় শর্তে এগোচ্ছে শান্তি

ইরানি হামলায় কাঁপছে ইসরায়েল: পেতাহ টিকভায় ভবন ধস, শতাধিক অ্যাপার্টমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত, বহু মানুষ গৃহহীন

ভূমধ্যসাগরে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি: নৌকাডুবিতে নিখোঁজ অন্তত ৭০, বাংলাদেশিসহ ৩২ জন জীবিত উদ্ধার

পদোন্নতি পেয়ে উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

পদোন্নতি পেয়ে উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

সরকার ২৬৮ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে উপসচিব করেছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিসিএস ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে আজই পদোন্নতির সার-সংক্ষেপ অনুমোদন করা হয়েছে।

পদোন্নতির নিয়ম অনুযায়ী, একজন কর্মকর্তার উপসচিব পদে পদোন্নতি পাওয়ার জন্য সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পাঁচ বছরের চাকরি ও মোট ১০ বছরের সরকারি চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। বিসিএস ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তারা এই যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন ২০২২ সালের ৩ জুন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পদোন্নতি হয়নি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, এই ব্যাচে মোট ২৭৭ জন কর্মকর্তা ছিলেন। পদোন্নতির যোগ্য প্রশাসন ক্যাডারের ৩১৯ জন কর্মকর্তা ও অন্যান্য ক্যাডারের ২২৩ জন কর্মকর্তা ডিএস পুলে আবেদন করেছিলেন। তাদের মধ্যে ২৬৮ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

এদিকে, মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিবের ২১২ পদে ৩৫৮ জন, যুগ্ম সচিবের ৫০২ পদে ১,০২৮ জন এবং উপসচিবের অনুমোদিত ১,৪২০ পদে ১ হাজার ৪০০ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। ফলে পদ খালি না থাকায় পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাদের পূর্ববর্তী পদেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, পদোন্নতির আদেশে উল্লেখিত কর্মস্থল হতে কোনো কর্মকর্তার দফতর বা কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দফতরের নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন। পরবর্তীতে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো বিরুপ-ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন-বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর অথবা অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


পদোন্নতি পেয়ে উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৫

featured Image

সরকার ২৬৮ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে উপসচিব করেছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিসিএস ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে আজই পদোন্নতির সার-সংক্ষেপ অনুমোদন করা হয়েছে।

পদোন্নতির নিয়ম অনুযায়ী, একজন কর্মকর্তার উপসচিব পদে পদোন্নতি পাওয়ার জন্য সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পাঁচ বছরের চাকরি ও মোট ১০ বছরের সরকারি চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। বিসিএস ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তারা এই যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন ২০২২ সালের ৩ জুন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পদোন্নতি হয়নি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, এই ব্যাচে মোট ২৭৭ জন কর্মকর্তা ছিলেন। পদোন্নতির যোগ্য প্রশাসন ক্যাডারের ৩১৯ জন কর্মকর্তা ও অন্যান্য ক্যাডারের ২২৩ জন কর্মকর্তা ডিএস পুলে আবেদন করেছিলেন। তাদের মধ্যে ২৬৮ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

এদিকে, মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিবের ২১২ পদে ৩৫৮ জন, যুগ্ম সচিবের ৫০২ পদে ১,০২৮ জন এবং উপসচিবের অনুমোদিত ১,৪২০ পদে ১ হাজার ৪০০ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। ফলে পদ খালি না থাকায় পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাদের পূর্ববর্তী পদেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, পদোন্নতির আদেশে উল্লেখিত কর্মস্থল হতে কোনো কর্মকর্তার দফতর বা কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দফতরের নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন। পরবর্তীতে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো বিরুপ-ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন-বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর অথবা অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর