দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ

আর্কাইভ দেখুন

"মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটিকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ ঘোষণা করল ইরান"

আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি এখন ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসির হুঁশিয়ারিআন্তর্জাতিক ডেস্ক | শনিবারইরানের খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম-এর বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।আইআরজিসির কড়া বার্তাআইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন সেনাদের শিপিং পোর্ট (বন্দর), ডক এবং অন্যান্য আস্তানা থেকে আসা যেকোনো হামলার উৎস লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ চালানো হবে। একে তারা ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষার ‘বৈধ অধিকার’ বলে দাবি করেছে।বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:"সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের উচিত জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে মার্কিন সামরিক এলাকা, বন্দর এবং ডকগুলো থেকে দ্রুত দূরে সরে যাওয়া।"খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলাএর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে সফল হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, দ্বীপটির সকল সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে, তবে সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করা হয়নি।খার্গ দ্বীপের গুরুত্ব কেন বেশি?অর্থনীতির লাইফলাইন: ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই দ্বীপ থেকেই সম্পন্ন হয়।কৌশলগত অবস্থান: বড় বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলো এই দ্বীপ থেকে তেল নিয়ে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বিশ্ববাজারে যায়।প্রধান ক্রেতা: চীনের মতো দেশগুলো ইরানের তেলের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, যারা এই দ্বীপ থেকেই মূলত তেল সংগ্রহ করে।


নিরাপত্তা ঝুঁকি: তুর্কি নাগরিকদের ইরাকে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ

নিরাপত্তা ঝুঁকি: তুর্কি নাগরিকদের ইরাকে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ

নিরাপত্তা ঝুঁকি: নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণে সতর্কতা জারি করল তুরস্কআন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৪ মার্চ, ২০২৬মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও ইরাকে সাম্প্রতিক অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য জরুরি ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে তুরস্ক। শনিবার (১৪ মার্চ) আঙ্কারা সরকারের পক্ষ থেকে তুর্কি নাগরিকদের ইরাকে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনাবাগদাদে অবস্থিত তুর্কি দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশেষ জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণ করা উচিত হবে না। যারা বর্তমানে ইরাকে অবস্থান করছেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু এলাকা এড়িয়ে চলার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এড়িয়ে চলার জন্য চিহ্নিত এলাকাগুলো হলো:বাগদাদের গ্রিন জোন: এই এলাকার আশপাশের জনাকীর্ণ স্কোয়ার ও জনসমাগমস্থল।বিমানবন্দর: বাগদাদ ও এরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।ঝুঁকিপূর্ণ শহর: মোসুল ও এর আশপাশের আবাসিক এলাকা এবং বসরা সংলগ্ন অঞ্চল।সংবেদনশীল স্থাপনা: ইরাক জুড়ে অবস্থিত সামরিক অঞ্চল এবং তেলক্ষেত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।সতর্কতার কারণ ও প্রেক্ষাপটবিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরাকে সম্প্রতি মার্কিন সম্পদ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গ্রিন জোন এবং এরবিল এলাকা বারবার আক্রমণের শিকার হওয়ায় তুর্কি নাগরিকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত আঞ্চলিক ছায়াযুদ্ধের প্রভাব থেকে নাগরিকদের রক্ষা করাই আঙ্কারার মূল লক্ষ্য।সড়ক যোগাযোগ সচলভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হলেও দূতাবাস নিশ্চিত করেছে যে, তুরস্ক ও ইরাকের মধ্যে বর্তমান সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও সচল রয়েছে। তবে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সংবাদটির জন্য আকর্ষণীয় ৩টি শিরোনাম (শিরোনামগুলো গুছিয়ে দেওয়া হলো):প্রধান শিরোনাম: ইরাকে নিরাপত্তা সংকট; নাগরিকদের জন্য তুরস্কের জরুরি ভ্রমণ সতর্কতাবিকল্প শিরোনাম: ‘অপ্রয়োজনে ইরাক যাবেন না’— তুর্কি নাগরিকদের প্রতি আঙ্কারার নির্দেশসংক্ষিপ্ত শিরোনাম: বাগদাদে উত্তেজনার জেরে নাগরিকদের সতর্ক করল তুরস্ক


"ভোটের কালি মোছার আগেই কাজ শুরু করেছি"—নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অনড় প্রধানমন্ত্রী।

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমাননিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৪ মার্চ, ২০২৬প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের আস্থায় সরকার গঠনের পর আঙ্গুলের কালি মোছার আগেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার বদ্ধপরিকরপ্রধানমন্ত্রী বলেন, "আল্লাহর রহমতে বিএনপি সরকার গঠনের পর আমরা এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করিনি। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সহায়তা ও বৈষম্য দূর করে সবাইকে নিয়ে শান্তিতে থাকার যে প্রতিশ্রুতি আমরা নির্বাচনের আগে দিয়েছিলাম, আজ তা বাস্তবায়নের পথে। এর জন্য আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া।"নতুন ৩টি বড় প্রকল্পের ঘোষণা ও বাস্তবায়ন:বক্তব্যকালে প্রধানমন্ত্রী সরকার গৃহীত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক প্রকল্পের আপডেট তুলে ধরেন: ১. ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী: আজ থেকে দেশব্যাপী ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত ও বিহার অধ্যক্ষদের জন্য মাসিক সরকারি সম্মানী ভাতা চালু হলো। ২. ফ্যামিলি কার্ড: অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৪ কোটি পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসবে। ৩. কৃষক কার্ড ও খালখনন: আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী 'কৃষক কার্ড' বিতরণ শুরু হবে এবং আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে 'খালখনন কর্মসূচি'।ধর্মীয় নেতাদের সামাজিক গুরুত্বসম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিনিধিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আপনারা এমন এক শ্রেণির মানুষ যাদের মানুষ কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই শ্রদ্ধা করে। জীবনের কঠিন মুহূর্তে মানুষ আপনাদের কাছ থেকেই সঠিক পরামর্শ আশা করে।" তিনি বিশ্বাস করেন, ধর্মীয় নেতাদের এই সম্মান প্রদান সামাজিক মর্যাদা ও সম্প্রীতিকে আরও সুদৃঢ় করবে।স্বনির্ভর বাংলাদেশের আহ্বাননাগরিকদের দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান বলেন, "আমরা যদি প্রত্যেকে নাগরিক হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, তবে ইনশাআল্লাহ আমরা একটি সুন্দর ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।"সংবাদটির জন্য আকর্ষণীয় ৩টি শিরোনাম (শিরোনামগুলো গুছিয়ে দেওয়া হলো):প্রধান শিরোনাম: প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দ্রুততম সরকার; ভোটের কালি মোছার আগেই কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রীবিকল্প শিরোনাম: ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানী শুরু, ৪ কোটি পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসংক্ষিপ্ত শিরোনাম: ১৬ মার্চ থেকে খালখনন ও ১৪ এপ্রিল থেকে কৃষক কার্ড চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর


‘ইসরায়েলকে জবাব দিন, কিন্তু প্রতিবেশীকে নয়’— ইরানকে হামাসের বার্তা

‘ইসরায়েলকে জবাব দিন, কিন্তু প্রতিবেশীকে নয়’— ইরানকে হামাসের বার্তা

ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান উত্তেজনা নিয়ে হামাসের এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি সংবাদের কাঠামোতে নিচে গুছিয়ে দেওয়া হলো:প্রতিবেশী দেশে হামলা না করতে ইরানকে হামাসের বিশেষ বার্তাআন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৪ মার্চ, ২০২৬ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এক নজিরবিহীন বিবৃতি দিয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। বিবৃতিতে ইরানকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে হামাসের এই কূটনৈতিক অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।আত্মরক্ষার অধিকার ও সতর্কবার্তাহামাস তাদের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সকল উপায়ে জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে। তবে এই পাল্টা হামলা যেন কোনোভাবেই পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে ইরানকে অনুরোধ জানিয়েছে তারা।‘ভাই’ সম্বোধন ও আঞ্চলিক ঐক্যের ডাকইরানকে ‘ভাই’ সম্বোধন করে হামাস বলেছে, প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করে বরং এই অঞ্চলের সকল দেশের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে আগ্রাসন মোকাবিলা করা। বিবৃতির মূল পয়েন্টগুলো হলো:ভ্রাতৃত্ব রক্ষা: অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখা।অভিন্ন শত্রু: নিজেদের মধ্যে সংঘাত না বাড়িয়ে সম্মিলিতভাবে মূল শত্রুকে মোকাবিলা করা।সংঘাত নিয়ন্ত্রণ: একটি দেশের সঙ্গে অন্য দেশের সংঘাত যেন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখা।বিশ্লেষণ: কেন এই আহ্বান?রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার লড়াইয়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোও বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। হামাস চাইছে: ১. ইরান যেন তার সামরিক শক্তি শুধুমাত্র সরাসরি শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। ২. প্রতিবেশীদের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্কের যেন কোনো অবনতি না ঘটে। ৩. আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যাতে ফিলিস্তিন ইস্যুতে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্য বজায় থাকে।আকর্ষণীয় শিরোনামসমূহ (বিকল্প):প্রধান শিরোনাম: প্রতিবেশী দেশে হামলা এড়াতে ইরানকে হামাসের কূটনৈতিক আহ্বানবিকল্প শিরোনাম: ‘ইসরায়েলকে জবাব দিন, কিন্তু প্রতিবেশীদের নয়’— ইরানকে ভ্রাতৃত্বের বার্তা দিল হামাসসংক্ষিপ্ত শিরোনাম: ইরানকে সতর্ক করল হামাস: প্রতিবেশীর ক্ষতি এড়ানোর অনুরোধ


সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত: একযোগে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানী দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত: একযোগে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানী দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক সম্মানী উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমাননিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৪ মার্চ, ২০২৬নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশের সকল ধর্মের উপাসনালয়ের দায়িত্বশীলদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন।ধর্মীয় সম্প্রীতি ও স্বীকৃতির অনন্য উদ্যোগপাইলট প্রকল্পের আওতায় শুরু হওয়া এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের হাজার হাজার ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, যাজক ও বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতীয় পর্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এটি সরকারের একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।উপকারভোগীদের পরিসংখ্যানতথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে এই সুবিধার আওতায় আসছেন:মসজিদ: ৪,৯০৮টি (ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম)।মন্দির: ৯৯০টি (পুরোহিত ও সেবাইত)।বৌদ্ধবিহার: ১৪৪টি (অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ)।গির্জা: ৩৯৬টি (যাজক ও সহকারী যাজক)।সম্মানীর আর্থিক কাঠামোপ্রকল্পের রূপরেখা অনুযায়ী প্রতিটি উপাসনালয়ের জন্য নির্ধারিত মাসিক সম্মানীর হার নিচে দেওয়া হলো:১. মসজিদ (মোট ১০,০০০ টাকা):ইমাম: ৫,০০০ টাকামুয়াজ্জিন: ৩,০০০ টাকাখাদেম: ২,০০০ টাকা২. মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জা (মোট ৮,০০০ টাকা):প্রধান ব্যক্তি (পুরোহিত/অধ্যক্ষ/যাজক): ৫,০০০ টাকাসহকারী (সেবাইত/উপাধ্যক্ষ/সহকারী যাজক): ৩,০০০ টাকাউদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটঅনুষ্ঠানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্পের ফলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।সংবাদটির জন্য আকর্ষণীয় শিরোনাম (বিকল্প):১. নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণ: ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ২. ইমাম থেকে যাজক—সবাই পাচ্ছেন সরকারি সম্মানী; উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান ৩. ধর্মীয় সম্প্রীতির নতুন দিগন্ত: ৫ সহস্রাধিক উপাসনালয়ে সরকারি মাসিক ভাতা শুরু


ইরান-রাশিয়া 'গোপন আঁতাত' নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প; উত্তপ্ত ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্ক।

ইরান-রাশিয়া 'গোপন আঁতাত' নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প; উত্তপ্ত ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্ক।

ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য করছে রাশিয়া: ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারআন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৪ মার্চ, ২০২৬মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানকে রাশিয়ার সহায়তা প্রদানের বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘সম্ভবত’ তেহরানকে কিছুটা সহায়তা করছেন। একই সময়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোতে ইরানকে রাশিয়ার গোপন গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশিত হয়েছে।ট্রাম্পের বিশ্লেষণ: ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ হিসেবে পুতিনের সহায়তাসাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, পুতিন হয়তো ইরানকে ‘সামান্য’ সাহায্য করছেন এবং এর পেছনে একটি ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে। ট্রাম্পের মতে:যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে, পুতিন হয়তো তার ‘প্রতিশোধ’ বা ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ হিসেবে ইরানকে সমর্থন দিচ্ছেন।কেবল রাশিয়া নয়, চীনের মতো বিশ্বশক্তিগুলোও একই সমীকরণ মাথায় রেখে তাদের মিত্রদের সমর্থন দিচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প।ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি: মার্কিন রণতরির তথ্য পাচ্ছে ইরানট্রাম্প একে ‘সামান্য সহায়তা’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে অত্যন্ত উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী:রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবস্থান সংক্রান্ত অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য তেহরানের কাছে হস্তান্তর করছে।বিশেষ করে মার্কিন রণতরি (Warships) এবং যুদ্ধবিমানের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য ইরানকে সরবরাহ করা হচ্ছে, যাতে তারা মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলোতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে।পেন্টাগনের উদ্বেগট্রাম্প বিষয়টিকে কিছুটা হালকাভাবে দেখলেও পেন্টাগন এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একে চরম ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করছে। তারা মনে করছে, রাশিয়ার দেওয়া এই টেকনিক্যাল ও স্যাটেলাইট তথ্য ব্যবহার করে ইরান বা তাদের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো মার্কিন স্বার্থে বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে।একনজরে মূল পয়েন্টগুলো:ট্রাম্পের দাবি: পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধের পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানকে সাহায্য করছেন।সহযোগিতার ধরন: মূলত গোয়েন্দা তথ্য এবং মার্কিন সামরিক মুভমেন্ট শেয়ার করা।অন্যান্য শক্তি: চীনও এই একই ধরনের কৌশলগত অবস্থানে থাকতে পারে বলে ট্রাম্পের আশঙ্কা।


মধ্যরাতে রণক্ষেত্র বাগদাদ: মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ।

মধ্যরাতে রণক্ষেত্র বাগদাদ: মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ।

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: হেলিপ্যাডে আঘাতআন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৪ মার্চ, ২০২৬ইরাকের রাজধানী বাগদাদের উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি ও আল-জাজিরা।হামলার বিবরণ ও ক্ষয়ক্ষতিআন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, হামলায় অন্তত একটি ড্রোন সরাসরি দূতাবাস প্রাঙ্গণে আঘাত হেনেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, হামলার পর দূতাবাস ভবন থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে। বার্তা সংস্থা এপি-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দূতাবাসের ভেতরে থাকা একটি হেলিকপ্টার অবতরণস্থলে (হেলিপ্যাড) একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।হামলার নেপথ্যে ও প্রেক্ষাপটসূত্রের খবর অনুযায়ী, বাগদাদে ইরান-সমর্থিত দুই যোদ্ধা নিহত হওয়ার কিছুক্ষণ পরই এই পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে শুক্রবারই মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ‘লেভেল-৪’ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে, ইরান ও ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে।বর্তমান পরিস্থিতিপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: হামলার সময় দূতাবাসের সাইরেন বেজে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া: এই হামলার বিষয়ে বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বা ওয়াশিংটন থেকে এখন পর্যন্ত তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাগদাদের এই বিশাল দূতাবাস প্রাঙ্গণটি এর আগেও একাধিকবার ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর রকেট ও ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।একনজরে মূল তথ্যসমূহ:বিষয়তথ্যস্থানগ্রিন জোন, বাগদাদ, ইরাকসময়শনিবার, ১৪ মার্চহামলার ধরণড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রআক্রান্ত স্থানদূতাবাস প্রাঙ্গণ ও হেলিপ্যাডনিরাপত্তা লেভেললেভেল-৪ (সর্বোচ্চ সতর্কতা)


ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ‘মাথার দাম’ ১০ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ‘মাথার দাম’ ১০ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ‘মাথার দাম’ ১০ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রেরআন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৪ মার্চ, ২০২৬ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি এবং দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের তথ্যের জন্য বিশাল অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (১৩ মার্চ) তুর্কি টুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ ব্যক্তিদের ধরিয়ে দিতে বা তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২০ কোটি টাকা) পর্যন্ত পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে।‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির আওতায় পুরস্কারমার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ প্রোগ্রামের অধীনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। ওয়াশিংটনের দাবি, মোজতবা খামেনি এবং আইআরজিসির এই শীর্ষ কর্মকর্তারা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালেই আইআরজিসি-কে একটি বিদেশি সন্ত্রাসী সংস্থা হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।তালিকায় আছেন যারাযুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ তালিকায় মোজতবা খামেনি ছাড়াও ইরানের সরকারের আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম রয়েছে:আসগর হেজাজি: চিফ অব স্টাফ।ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি: সামরিক উপদেষ্টা।আলী লারিজানি: জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব ও সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা।এস্কান্দার মোমেনি: বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।ইসমাইল খাতিব: গোয়েন্দা মন্ত্রী।গোপন কর্মকর্তাদের সন্ধানে ওয়াশিংটনপররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, কেবল এই পরিচিত মুখগুলোই নয়, বরং আইআরজিসির বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বে থাকা আরও কয়েকজন ‘অপ্রকাশিত’ বা নেপথ্যের কর্মকর্তার তথ্যও চাওয়া হয়েছে। যারা পর্দার আড়ালে থেকে আইআরজিসির বৈশ্বিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করেন।তথ্যদাতার জন্য নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনমার্কিন বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে, যারা এই শীর্ষ নেতাদের অবস্থান বা আইআরজিসি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করবেন, তাদের কেবল অর্থ পুরস্কারই নয়, বরং প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানান্তর (Relocation) এবং কঠোর গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।প্রেক্ষাপটসম্প্রতি ইরানের খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা যখন চরমে, ঠিক তখনই এই পুরস্কারের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে আগুনের ঘি ঢেলে দিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তার ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা ও পুরস্কার ঘোষণা ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল।


"প্রকৃতির সান্নিধ্যে কৃষিমন্ত্রী: গোমতীর পাড়ে সাধারণের সাথে ইফতার"

শিরোনাম: গোমতী নদী রক্ষায় কৃষিমন্ত্রীর ডাক: নেতাকর্মীদের নিয়ে নদীর তীরে ইফতারনিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা | ১৩ মার্চ, ২০২৬কুমিল্লার প্রাণপ্রকৃতি গোমতী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নদীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে নেতাকর্মীদের নিয়ে গোমতীর তীরে ইফতার করেন তিনি।নদী পরিদর্শন ও বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণশুক্রবার বিকেলে কৃষিমন্ত্রী গোমতী নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি নদীর নাব্য এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে স্থানীয়দের কাছ থেকে খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বলেন, "গোমতী নদী আমাদের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং বিশেষ করে কুমিল্লার কৃষির জন্য লাইফলাইন। এই নদীকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।"দূষণ রোধে কড়া বার্তানদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধসহ দূষণ প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। উপস্থিত সুধীজন ও এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এ বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, "তরুণরাই পারে একটি পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত গোমতী উপহার দিতে।"তীরে ইফতার ও কুশল বিনিময়পরিদর্শন শেষে নদীর পাড়েই এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে ইফতারে অংশ নেন কৃষিমন্ত্রী। ইফতারের আগে তিনি উপস্থিত তরুণ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন।স্থানীয়দের প্রত্যাশাকৃষিমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে আশার আলো দেখছেন কুমিল্লার সাধারণ মানুষ। তারা প্রত্যাশা করছেন, মন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপের ফলে গোমতী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো এখন আরও জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।


খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জনগণের স্বার্থে চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত সমাজ গড়বো: আলহাজ্ব ফজলুল হক

বনানী যুবদল নেতা লিটনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ লিটনের খপ্পরে নিঃস্ব বিধবা নারী রেশমি :থানায় অভিযোগ

বনানী ১৯ নং ওয়ার্ডে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: আহ্বায়ক কবির হোসেনের হুঁশিয়ারি

কোতোয়ালি থানায় নারী নির্যাতন, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ

আশকোনায় বোমা উদ্ধার: দক্ষিণখান থানার তৎপরতায় রক্ষা পেল হাজারো প্রাণ

টিএনটি-বিটিসিএল কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ গ্যাস বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

সোহরাওয়ার্দী কলেজে ইফতার মাহফিল, নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

সব লড়াইয়ের অবসান, চলে গেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

বেগম জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

১০

বনানীতে শারমীন শিলার কুকর্ম সীমাহীন মুল টার্গেট শিল্পপতি ব্যবসায়ী!!!

জনপ্রিয় সব খবর

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা: প্রথম ধাক্কা খেতে পারে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো

ডিএমপির মার্চের অপরাধ সভায় শ্রেষ্ঠ মিরপুর বিভাগ, সেরা থানা হাজারীবাগ

জ্বালানি সংকটে হাতিরঝিলের ওয়াটার ট্যাক্সি: ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় যাত্রীরা

ইন্টারনেট বন্ধের কারণ নিয়ে পলকের বক্তব্য ‘রাজনৈতিক’—ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য

গণতন্ত্র ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে নিউক্যাসেলে ঐক্যের ডাক

উত্তর ইতালিতে বন্যা ও ঝড়ের তাণ্ডব: পানির নিচে বহু এলাকা, উদ্ধার অভিযান জোরদার

ব্রাজিলের কাছে ৩–০ গোলে বিধ্বস্ত আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-১৭, ম্যাচ শেষে উত্তেজনা গড়ায় হাতাহাতিতে

নতুন নিয়মে মালয়েশিয়া যেতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা, আসছে স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা

১০

ইরেকশনে সমস্যা? অবহেলা নয়, সময়মতো চিকিৎসাই ফিরিয়ে দিতে পারে স্বাভাবিক জীবন

সর্বশেষ সব খবর

আর্কাইভ