সবচেয়ে বেশি অনিয়ম করেছে: এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রকল্পের প্রায় ১০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী, যারা ৭ মাসের বেশি সময় ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না, অথচ তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এই দুর্নীতিতে। এছাড়া রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও কিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তা এখনো প্রকল্পটি পুনরায় চালু না হওয়ার জন্য তৎপর বলে জানা গেছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীও বলেছেন, “দুর্নীতি হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না, জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।”কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নেওয়া বৃহৎ সরকারি প্রকল্প—কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কর্মসূচিতে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে। প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ তদন্তে জানা গেছে, বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে অন্তত ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি আত্মসাৎ করা হয়েছে। অথচ বিস্ময়করভাবে এখনো অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; বরং একটি প্রভাবশালী মহল তাদের রক্ষায় সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
তদন্তে দেখা গেছে,
এছাড়া আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান শতাধিক ভুয়া যন্ত্র দেখিয়ে ভর্তুকি নিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অনিয়মকারীদের আড়াল করতেই প্রকল্পটি বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের সুবিধা দিয়েছেন
অভিযোগ রয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে, তারাই আবার বকেয়া বিল তুলতে সক্রিয় তদবির চালাচ্ছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি পুনরায় চালু করলে—
কৃষির উন্নয়নের নামে নেওয়া এই বড় প্রকল্প এখন দুর্নীতির এক বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকল্প বন্ধ করে দায় এড়ানো নয়—বরং স্বচ্ছ তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণই এখন সময়ের দাবি। না হলে কৃষি খাতের উন্নয়ন যেমন ব্যাহত হবে, তেমনি জনগণের আস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
সবচেয়ে বেশি অনিয়ম করেছে: এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রকল্পের প্রায় ১০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী, যারা ৭ মাসের বেশি সময় ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না, অথচ তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এই দুর্নীতিতে। এছাড়া রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও কিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তা এখনো প্রকল্পটি পুনরায় চালু না হওয়ার জন্য তৎপর বলে জানা গেছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীও বলেছেন, “দুর্নীতি হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না, জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।”কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নেওয়া বৃহৎ সরকারি প্রকল্প—কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কর্মসূচিতে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে। প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ তদন্তে জানা গেছে, বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে অন্তত ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি আত্মসাৎ করা হয়েছে। অথচ বিস্ময়করভাবে এখনো অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; বরং একটি প্রভাবশালী মহল তাদের রক্ষায় সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
তদন্তে দেখা গেছে,
এছাড়া আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান শতাধিক ভুয়া যন্ত্র দেখিয়ে ভর্তুকি নিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অনিয়মকারীদের আড়াল করতেই প্রকল্পটি বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের সুবিধা দিয়েছেন
অভিযোগ রয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে, তারাই আবার বকেয়া বিল তুলতে সক্রিয় তদবির চালাচ্ছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি পুনরায় চালু করলে—
কৃষির উন্নয়নের নামে নেওয়া এই বড় প্রকল্প এখন দুর্নীতির এক বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকল্প বন্ধ করে দায় এড়ানো নয়—বরং স্বচ্ছ তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণই এখন সময়ের দাবি। না হলে কৃষি খাতের উন্নয়ন যেমন ব্যাহত হবে, তেমনি জনগণের আস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আপনার মতামত লিখুন