ভুক্তভোগীদের দাবি, ফারুক হোসেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ আছে—এমন মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার প্রলোভন দেখান। পরে বিভিন্ন অজুহাতে একাধিক দফায় টাকা আদায় করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হুমকি ও চাপ সৃষ্টি করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় এক প্রতিবন্ধী ভুক্তভোগী জানান, জীবিকার তাগিদে দোকান বসানোর আশায় তিনি অভিযুক্তের কথায় বিশ্বাস করেন। কিন্তু দোকান দেওয়ার পরিবর্তে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায় করা হয়, যা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও চরম নিন্দনীয়।
এ বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি ‘বিবিসি নিউজ ৭.২৪’-এর কাছে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সাংবাদিকতার মতো একটি সম্মানজনক পেশার নাম ব্যবহার করে এ ধরনের চাঁদাবাজি প্রকৃত সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আপনার মতামত লিখুন