দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

সুবাস্তু নজর ভ্যালিতে অনিয়মের পাহাড়: ম্যানেজার তৌহিদের ‘আশ্রয়ে’ তারেক-বেলাল সিন্ডিকেটের জালিয়াতি

সুবাস্তু নজর ভ্যালিতে অনিয়মের পাহাড়: ম্যানেজার তৌহিদের ‘আশ্রয়ে’ তারেক-বেলাল সিন্ডিকেটের জালিয়াতি

“কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি লোপাট: অভিযুক্তদের বাঁচাতে ‘প্রকল্প বন্ধের চক্রান্ত’!”

“মাত্র ৩০০ টাকার যন্ত্রেই বাঁচবে শিশুদের প্রাণ! হামজনিত নিউমোনিয়ায় মৃত্যুহার কমাবে বাবল সিপ্যাপ”

চুক্তি হলেও সরছে না মার্কিন বাহিনী! ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের কড়া বার্তা—শর্ত ভাঙলেই বড় হামলার হুঁশিয়ারি

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায়: ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা”

ভারতে ধরা দুই খুনি দেশে ফিরছে! ওসমান হাদি হত্যা মামলায় বড় অগ্রগতি, দিল্লি বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

“প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে বিভ্রান্তি: ভারত সফরের খবর সম্পূর্ণ গুজব, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান”

“আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবির দুই শিক্ষক ও ছাত্রলীগ সভাপতির ১০ বছর কারাদণ্ড — ঐতিহাসিক রায়ে নাড়িয়ে দিল দেশ”

খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জনগণের স্বার্থে চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত সমাজ গড়বো: আলহাজ্ব ফজলুল হক

খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জনগণের স্বার্থে চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত সমাজ গড়বো: আলহাজ্ব ফজলুল হক

খিলক্ষেত–নিকুঞ্জে দায়িত্বশীল রাজনীতির প্রতীক মানবিক নেতা এস এম ফজলুল হক

ঢাকা মহানগরীর খিলক্ষেত–নিকুঞ্জ এলাকা। রাজনীতির উত্তাল ইতিহাস, আন্দোলন–সংগ্রাম ও দমন–পীড়নের দীর্ঘ পথচলার সাক্ষী এই জনপদে যাঁর নাম বারবার উঠে আসে, তিনি খিলক্ষেতের কৃতি সন্তান আলহাজ্ব এস এম ফজলুল হক। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বশীল ও আপোষহীন ভূমিকা পালনের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এই বিএনপি নেতা।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য জেল–জুলুম, নির্যাতন, হামলা ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন তিনি। তবুও কোনো বাধাই থামাতে পারেনি বিএনপি-প্রেমিক এই নেতাকে। বর্তমানে তিনি খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

৯০ দশক থেকে রাজপথের পরীক্ষিত নেতা

তরুণ বয়সেই রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া ফজলুল হক ৯০–এর দশকে ছাত্র ও যুব রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কলেজ ছাত্র সংসদে দায়িত্ব পালনকালেও তিনি সুনাম অর্জন করেন। ক্লিন ইমেজ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ত্যাগী মানসিকতার কারণে দ্রুতই তিনি এলাকায় পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিচিতি পান।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারের ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন ছিলেন। বিএনপির আদর্শকে বুকে ধারণ করে রাজনীতিকে অর্থ বা ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়, বরং দেশ ও মানুষের ভালোবাসার জন্য বেছে নিয়েছেন বলে দাবি তাঁর সহকর্মীদের।

‘৮০টি মামলা উপহার পেয়েছি’—ফজলুল হক

স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে আলহাজ্ব এস এম ফজলুল হক বলেন—

“আমি কী পেয়েছি তা ভাবিনি। বিএনপি ভালোবাসার প্রতিফল হিসেবে প্রায় ৮০টি মামলা উপহার পেয়েছি। জেল–জুলুম, নির্যাতন—সবই সহ্য করেছি, কিন্তু আদর্শ ছাড়িনি।”

এখনো তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কিছু মামলার হাজিরা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

এলাকার মানুষের আস্থার প্রতীক

খিলক্ষেত, নিকুঞ্জ, খাঁ পাড়া, মধ্যপাড়া, ব্যাপারী পাড়া ও আশপাশের এলাকায় প্রবীণ ও তরুণ—সব শ্রেণির বিএনপি নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়। স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সঙ্গেও তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, দলীয় নেতাকর্মীদের মামলা মোকদ্দমা নিষ্পত্তিতে সহায়তা, অসহায় ও নির্যাতিত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, আর্থিক সহযোগিতা—এসব কার্যক্রম তিনি সাধ্যমতো নিয়মিতভাবে করে থাকেন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

২০২৪ সালের আন্দোলনে সম্মুখসারিতে

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের আন্দোলনে ফজলুল হকের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত সাহসী ও দৃশ্যমান।
৩ আগস্ট থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মী খিলক্ষেত থেকে শুরু করে উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর, এয়ারপোর্ট ও রাজলক্ষ্মী এলাকায় রাজপথে অবস্থান নেন। জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে মাঠে থেকে তিনি নেতাকর্মীদের মন জয় করেন।

জাতীয় নির্বাচনে ‘রাতের ভোট’ সংস্কৃতির বিরুদ্ধেও তিনি সরব ছিলেন এবং মাঠে নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রকাশ্য বিরোধিতা করেন।

তারেক রহমানের নির্দেশনায় সাংগঠনিক তৎপরতা

খিলক্ষেত থানা যুবদলের নেতা শহীদুল ইসলাম খোকন বলেন,

“ফজলুল হক ভাই রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন। হামলা–মামলা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। অর্থের জন্য নয়, দেশের জন্যই তিনি রাজনীতি করেন।”

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের মতে, রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি সর্বক্ষণ নেতাকর্মীদের সাংগঠনিকভাবে পরিচালনায় ব্যস্ত থাকেন এবং অঙ্গসংগঠনের স্বার্থে মাঠ পর্যায়ে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন।

ষড়যন্ত্রের জবাবে আত্মবিশ্বাস

সাম্প্রতিক সময়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাঁকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এস এম ফজলুল হক বলেন,

“পৃথিবীতে বাঁচতে গেলে জয়–পরাজয় থাকবেই। অন্ধকার আছে বলেই আলোর প্রয়োজন। যারা আমার ভুল ধরিয়ে দিতে চায়, তাদের আমি সাধুবাদ জানাই।”

তিনি আরও বলেন, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় বিএনপি একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ সংগঠন হিসেবে প্রস্তুত।

আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখার প্রত্যাশা

তথ্যসূত্রে জানা যায়, ঢাকা-১৮ আসনে বিপুল সংখ্যক নাগরিক বসবাস করেন। স্থানীয়দের বড় একটি অংশ মনে করেন—সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও জনদরদি এই জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাখা হলে এলাকাবাসী উপকৃত হবে।

শেষে প্রতিনিধি সঙ্গে আলাপকালে আলহাজ্ব এস এম ফজলুল হক বলেন—

“শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করেই বেঁচে আছি। ছাত্রজীবন থেকেই সাংগঠনিকভাবে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করছি। দেশনায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মাঠে থাকব।”

তিনি আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পূর্ণ সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং দৃঢ় প্রত্যয়ে জানান—যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালিয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জনগণের স্বার্থে চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত সমাজ গড়বো: আলহাজ্ব ফজলুল হক

প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

খিলক্ষেত–নিকুঞ্জে দায়িত্বশীল রাজনীতির প্রতীক মানবিক নেতা এস এম ফজলুল হক

ঢাকা মহানগরীর খিলক্ষেত–নিকুঞ্জ এলাকা। রাজনীতির উত্তাল ইতিহাস, আন্দোলন–সংগ্রাম ও দমন–পীড়নের দীর্ঘ পথচলার সাক্ষী এই জনপদে যাঁর নাম বারবার উঠে আসে, তিনি খিলক্ষেতের কৃতি সন্তান আলহাজ্ব এস এম ফজলুল হক। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বশীল ও আপোষহীন ভূমিকা পালনের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এই বিএনপি নেতা।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য জেল–জুলুম, নির্যাতন, হামলা ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন তিনি। তবুও কোনো বাধাই থামাতে পারেনি বিএনপি-প্রেমিক এই নেতাকে। বর্তমানে তিনি খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

৯০ দশক থেকে রাজপথের পরীক্ষিত নেতা

তরুণ বয়সেই রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া ফজলুল হক ৯০–এর দশকে ছাত্র ও যুব রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কলেজ ছাত্র সংসদে দায়িত্ব পালনকালেও তিনি সুনাম অর্জন করেন। ক্লিন ইমেজ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ত্যাগী মানসিকতার কারণে দ্রুতই তিনি এলাকায় পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিচিতি পান।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারের ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন ছিলেন। বিএনপির আদর্শকে বুকে ধারণ করে রাজনীতিকে অর্থ বা ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়, বরং দেশ ও মানুষের ভালোবাসার জন্য বেছে নিয়েছেন বলে দাবি তাঁর সহকর্মীদের।

‘৮০টি মামলা উপহার পেয়েছি’—ফজলুল হক

স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে আলহাজ্ব এস এম ফজলুল হক বলেন—

“আমি কী পেয়েছি তা ভাবিনি। বিএনপি ভালোবাসার প্রতিফল হিসেবে প্রায় ৮০টি মামলা উপহার পেয়েছি। জেল–জুলুম, নির্যাতন—সবই সহ্য করেছি, কিন্তু আদর্শ ছাড়িনি।”

এখনো তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কিছু মামলার হাজিরা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

এলাকার মানুষের আস্থার প্রতীক

খিলক্ষেত, নিকুঞ্জ, খাঁ পাড়া, মধ্যপাড়া, ব্যাপারী পাড়া ও আশপাশের এলাকায় প্রবীণ ও তরুণ—সব শ্রেণির বিএনপি নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়। স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সঙ্গেও তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, দলীয় নেতাকর্মীদের মামলা মোকদ্দমা নিষ্পত্তিতে সহায়তা, অসহায় ও নির্যাতিত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, আর্থিক সহযোগিতা—এসব কার্যক্রম তিনি সাধ্যমতো নিয়মিতভাবে করে থাকেন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

২০২৪ সালের আন্দোলনে সম্মুখসারিতে

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের আন্দোলনে ফজলুল হকের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত সাহসী ও দৃশ্যমান।
৩ আগস্ট থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মী খিলক্ষেত থেকে শুরু করে উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর, এয়ারপোর্ট ও রাজলক্ষ্মী এলাকায় রাজপথে অবস্থান নেন। জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে মাঠে থেকে তিনি নেতাকর্মীদের মন জয় করেন।

জাতীয় নির্বাচনে ‘রাতের ভোট’ সংস্কৃতির বিরুদ্ধেও তিনি সরব ছিলেন এবং মাঠে নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রকাশ্য বিরোধিতা করেন।

তারেক রহমানের নির্দেশনায় সাংগঠনিক তৎপরতা

খিলক্ষেত থানা যুবদলের নেতা শহীদুল ইসলাম খোকন বলেন,

“ফজলুল হক ভাই রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন। হামলা–মামলা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। অর্থের জন্য নয়, দেশের জন্যই তিনি রাজনীতি করেন।”

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের মতে, রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি সর্বক্ষণ নেতাকর্মীদের সাংগঠনিকভাবে পরিচালনায় ব্যস্ত থাকেন এবং অঙ্গসংগঠনের স্বার্থে মাঠ পর্যায়ে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন।

ষড়যন্ত্রের জবাবে আত্মবিশ্বাস

সাম্প্রতিক সময়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাঁকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এস এম ফজলুল হক বলেন,

“পৃথিবীতে বাঁচতে গেলে জয়–পরাজয় থাকবেই। অন্ধকার আছে বলেই আলোর প্রয়োজন। যারা আমার ভুল ধরিয়ে দিতে চায়, তাদের আমি সাধুবাদ জানাই।”

তিনি আরও বলেন, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় বিএনপি একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ সংগঠন হিসেবে প্রস্তুত।

আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখার প্রত্যাশা

তথ্যসূত্রে জানা যায়, ঢাকা-১৮ আসনে বিপুল সংখ্যক নাগরিক বসবাস করেন। স্থানীয়দের বড় একটি অংশ মনে করেন—সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও জনদরদি এই জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাখা হলে এলাকাবাসী উপকৃত হবে।

শেষে প্রতিনিধি সঙ্গে আলাপকালে আলহাজ্ব এস এম ফজলুল হক বলেন—

“শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করেই বেঁচে আছি। ছাত্রজীবন থেকেই সাংগঠনিকভাবে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করছি। দেশনায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মাঠে থাকব।”

তিনি আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পূর্ণ সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং দৃঢ় প্রত্যয়ে জানান—যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালিয়ে যাবে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর