রিপোর্টার সাব্বির হোসেন
বিগত দিনে ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী প্রধান শিক্ষক এর কুর্কম ডাকতে নানান কৌশল করে আসছে একটি প্রভাব শালী মহল । অভিভাবকরা জানান, অনেক বার বসাবসি হলেও কোন ফল পাইনি। শেষ ২৫/০৮/২০২৫ তারিখে মহেশপুর উপজেলা আইসিটি অফিসার ও ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তদন্ত শুরু করেন। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ১৫ নারী
শিক্ষার্থীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সোয়ারাপ হোসেনের অপকর্ম সত্যতা পাওয়া যায়। তবুও কোন ধরনে শাস্তি যোগ্য পদক্ষেপ নেননি। দিন তারিখ দেয়া হলে তারিখ শেষ হলেও তাতে কোন ধরণের উল্লেখযোগ্য সুরাহা পাইনি, এমন অবস্থায় গার্জেন পক্ষ বলছেন। এই ধরনের বিচার কার্য পিছিয়ে যাওয়া নেক্কার ও দুঃখজনক বিচারকার্য ধীর গতিতে এগোচ্ছে এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি। কিছু সূত্রে জানা গেছে, সোয়ারাপ হোসেনের অপকর্ম ঢাকতে নানান, কৌশল করছে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জরিত এবং গুঞ্জন উঠেছে সোয়ারাপ হোসেন অপকর্ম ঢাকার জন্য টাকার বিনিময়ে অপকর্ম চাপা দিতে তড়িঘড়ি করছে।এবং শিক্ষার্থীদের বিষয়ে যদি কোন ধরণের পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তাহলে আন্দোলনের ডাক দিবেন বলে জানান গার্জেন পক্ষ। বিগত কয়েক বছর
ধরে সোয়ারাপ হোসেন এমন কুকর্ম করে আসছে। যাদবপুর প্রগতি বিদ্যানিকেতন বিদ্যালয়ে চাকরি করার কালে নারী শিক্ষার্থীদের অশ্লীল অঙ্গিভঙ্গির মাধ্যমে গায়ে হাত দেয়ার হাজারো প্রমাণ রয়েছে। এমন অপকর্ম নিয়ে নিয়ে এখন শিক্ষার্থীরা দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভয়ে দিন কাটছে,তাতে মানসিক চাপ পরতে হচ্ছে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন এখন যেখানে সকল শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ও মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকরা সেই খানে যদি শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের কাছে নিরাপদ না থাকে তাহলে নিরাপদ কোথায় শিক্ষার্থীরা এমন প্রশ্ন থেকেই যায়। এমন লালসার অপকর্মের শিকার হয়েছেন তার এলাকার বেশ কিছু শিক্ষার্থী সাথে গোপনে করার হাজারো অপর্কম অভিযোগ থেকে রেহায় পেলেও এখন প্রকাশ্যে এসেছে। তার অপকর্ম যদিও উপজেলা প্রশাসন নজরে বা আমলে আনেন নি তাতে হয়তো বিচারকার্য পিছিয়ে যাচ্ছে এমনটাই দাবি করছেন শিক্ষার্থী ও গার্জিয়ানরা।গার্জেন ও এলাকাবাসীর দাবি যে যত দ্রুত সোয়ারাপ হোসেনকে অপসরণের করা হয় তাতে এলাকার মানুষ শিক্ষার্থীদের ইস্কুলের প্রতি আস্থা ভালোবাসার জায়গা পূরণ হবে। এই বিষয়ে অনেকবার প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করলে কোন ধরনের রেসপন্স পাওয়া যায়নি।
অপসারণ করার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতির উপরে নির্ভর করবে শিক্ষার্থী অভিভাবকদের আন্দোলন করা। অনেকবার সোয়ারাপ হোসেনের সাথে মুঠো ফোনে যোগায়োগ করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৫
রিপোর্টার সাব্বির হোসেন
বিগত দিনে ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী প্রধান শিক্ষক এর কুর্কম ডাকতে নানান কৌশল করে আসছে একটি প্রভাব শালী মহল । অভিভাবকরা জানান, অনেক বার বসাবসি হলেও কোন ফল পাইনি। শেষ ২৫/০৮/২০২৫ তারিখে মহেশপুর উপজেলা আইসিটি অফিসার ও ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তদন্ত শুরু করেন। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ১৫ নারী
শিক্ষার্থীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সোয়ারাপ হোসেনের অপকর্ম সত্যতা পাওয়া যায়। তবুও কোন ধরনে শাস্তি যোগ্য পদক্ষেপ নেননি। দিন তারিখ দেয়া হলে তারিখ শেষ হলেও তাতে কোন ধরণের উল্লেখযোগ্য সুরাহা পাইনি, এমন অবস্থায় গার্জেন পক্ষ বলছেন। এই ধরনের বিচার কার্য পিছিয়ে যাওয়া নেক্কার ও দুঃখজনক বিচারকার্য ধীর গতিতে এগোচ্ছে এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি। কিছু সূত্রে জানা গেছে, সোয়ারাপ হোসেনের অপকর্ম ঢাকতে নানান, কৌশল করছে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জরিত এবং গুঞ্জন উঠেছে সোয়ারাপ হোসেন অপকর্ম ঢাকার জন্য টাকার বিনিময়ে অপকর্ম চাপা দিতে তড়িঘড়ি করছে।এবং শিক্ষার্থীদের বিষয়ে যদি কোন ধরণের পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তাহলে আন্দোলনের ডাক দিবেন বলে জানান গার্জেন পক্ষ। বিগত কয়েক বছর
ধরে সোয়ারাপ হোসেন এমন কুকর্ম করে আসছে। যাদবপুর প্রগতি বিদ্যানিকেতন বিদ্যালয়ে চাকরি করার কালে নারী শিক্ষার্থীদের অশ্লীল অঙ্গিভঙ্গির মাধ্যমে গায়ে হাত দেয়ার হাজারো প্রমাণ রয়েছে। এমন অপকর্ম নিয়ে নিয়ে এখন শিক্ষার্থীরা দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভয়ে দিন কাটছে,তাতে মানসিক চাপ পরতে হচ্ছে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন এখন যেখানে সকল শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ও মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকরা সেই খানে যদি শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের কাছে নিরাপদ না থাকে তাহলে নিরাপদ কোথায় শিক্ষার্থীরা এমন প্রশ্ন থেকেই যায়। এমন লালসার অপকর্মের শিকার হয়েছেন তার এলাকার বেশ কিছু শিক্ষার্থী সাথে গোপনে করার হাজারো অপর্কম অভিযোগ থেকে রেহায় পেলেও এখন প্রকাশ্যে এসেছে। তার অপকর্ম যদিও উপজেলা প্রশাসন নজরে বা আমলে আনেন নি তাতে হয়তো বিচারকার্য পিছিয়ে যাচ্ছে এমনটাই দাবি করছেন শিক্ষার্থী ও গার্জিয়ানরা।গার্জেন ও এলাকাবাসীর দাবি যে যত দ্রুত সোয়ারাপ হোসেনকে অপসরণের করা হয় তাতে এলাকার মানুষ শিক্ষার্থীদের ইস্কুলের প্রতি আস্থা ভালোবাসার জায়গা পূরণ হবে। এই বিষয়ে অনেকবার প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করলে কোন ধরনের রেসপন্স পাওয়া যায়নি।
অপসারণ করার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতির উপরে নির্ভর করবে শিক্ষার্থী অভিভাবকদের আন্দোলন করা। অনেকবার সোয়ারাপ হোসেনের সাথে মুঠো ফোনে যোগায়োগ করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন