বিশেষ প্রতিবেদন : রোমানা
ঢাকা ১৮ আসনের অন্তর্গত বৃহত্তম উত্তরা , দক্ষিন খান থানা এরিয়ায় অবস্থিত ফায়দাবাদ চৌরাস্তা এলাকার বাসিন্দা বিএনপি'র নামধারী নেতা মোঃ কবির হোসেন , পিতা : আবু বকর সিদ্দিক, দখলবাজ , জুলুমকারী এই নেতা আওয়ামী ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে আওয়ামী এমপি, মন্ত্রীদের পায়ে তেল মালিশ করে রাজি খুশি করেই ফায়দাবাদ চৌরাস্তা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। দখল করে নিয়েছে অনেকের জায়গা জমি। পরিবার পরিজন নিয়ে অনেকেই হয়েছে পথের ভিখারী ।
ফায়দাবাদ চৌরাস্তায় দারুস সালাম জামে মসজিদ মাঠ সংলগ্ন বসবাসরত জমির মালিক মরহুম ফজর আলী মন্ডলের রেকর্ড ভুক্ত সম্পত্তি, ভূমিদস্যু কবির তাহার নিজের নামে ভূমি অফিস থেকে ভুয়া লিজ দলিলের মাধ্যমে মাদ্রাসার নামকরণে আনুমানিক ৫২ শতক জায়গা এবং জমির মালিক মোছাম্মৎ শামসুন্নাহারের ৩ কাঠা ও কুলসুম বেগমের দুই কাঠা জমি তাহার পালিত গুণ্ডা বাহিনী দিয়ে জোরপূর্বক দখল করে নেই ।
এ ব্যাপারে স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেও কোন লাভ হয় নাই। কবিরের আশ্রয়, প্রশ্রয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার বামপন্থী দলের নামকরা সন্ত্রাসীরা এই ফাইদাবাদ চোরাস্তা এলাকায় গড়ে তুলেছে অবৈধ চুলের কারখানা। প্রত্যেক চুল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কবির নিচ্ছে মাসোয়ারা , ফায়দাবাদ চোরাস্তায় সিদ্দিক ভিলাই কমিশন হিসেবে পেয়েছে একটি ফ্লাট। বর্তমান বাজার মূল্য ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যাবে । সুকৌশলে চুল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোবির হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি, কোটি টাকা এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের চুয়াডাঙ্গা জেলার কৃতি সন্তান সাবেক ডিএমপি কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম এর আস্থাভাজন চুল ব্যবসায়ীদের সভাপতি মোঃ আতিয়ার রহমান এবং চুয়াডাঙ্গার বামপন্থী দলের সন্ত্রাসী, অবৈধ চুল ব্যবসায়ীরা ফায়দাবাদ চৌরাস্তা এবং এর আশপাশ এলাকার বিএনপির ত্যাগী নেতাদের বিরুদ্ধে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য জাল বিস্তার করেছে। ছড়াচ্ছে মিথ্যা গুজব ।
মাস্টারমাইন্ড পরিকল্পনাকারী ভূমিদস্যু কবির, বিগত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী ফেসিস্ট সরকারের সাবেক এমপি খসরু চৌধুরীর এমপি পদপ্রার্থী নির্বাচনে সিদ্দিক ভিলার পাশে অস্থায়ী ভোট ক্যাম্পিং এর অফিস খুলে, ক্ষুদ্র হেয়ার প্রসেসিং সমবায় সমিতির সদস্যদের কে নিয়ে ফায়দাবাদ এবং তার আশপাশ এরিয়ায় এই নামধারী বিএনপি নেতা কবির হোসেনের মানুষের দ্বারে, দ্বারে ভোট চাওয়ার দৃশ্যটিও বিরল। এমনকি বিগত দুর্নীতিবাজ সরকারের সাবেক কাউন্সিলর মোতালেব হোসেনের সঙ্গে আতাত করে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে বিভিন্নভাবে হামলা, মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। মাঝে মধ্যে চুল ব্যবসায়ীদের কে সাথে নিয়ে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ব্যবস্থাও করেছে এই ভূমিদস্য কবির, উক্ত খেলায় সাবেক কাউন্সিলর মোতালেব হোসেনকেও অংশগ্রহণ করতে দেখা যায় । কবিরের আওয়ামী আমলা চামচাদের
সাথেও দহরম মহরম সম্পর্ক রেখেই তার কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছে। গত কয়েকদিন আগে বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক সুনাম ধন্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাবেক নেতা মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন সাহেবের লোকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযুক্ত করে গণমাধ্যম কর্মী দের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে এই চুল ব্যবসায়ীরা এবং ভূমিদস্যু কবির । এই এলাকায় কয়েকজন দুর্নীতিবাজ অবৈধ চুল ব্যবসায়ীর দুর্নীতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করিয়াছে অত্র সংস্থাটির ক্রাইম অনুসন্ধানী একটি টিম । তদন্তে বেরিয়ে এসেছে অনেক চাঞ্চল্যকর দুর্নীতি তথ্য । এই এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় তিন শত বিশ টির
মত অবৈধ চুলের কারখানা আছে। চুল ক্রয় করে পাশের বন্ধুত্ব শুলভ দেশ ভারত থেকে। টাকা পয়সা লেনদেন করে হুণ্ডির মাধ্যমে । এই চুল দিয়ে কারখানা গুলোতে তৈরি করা হয় মাথার ক্যাপ এবং বাহারি চুলের খোপা। কারখানায় নেই কোন ট্রেড লাইসেন্স, টিন সার্টিফিকেট, আয়কর রিটানের কপি , ভ্যাট চালানের কপি, মালের ডেলিভারি চালানের কপি, পরিবেশ ছাড়পত্র , ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি পত্র , ব্যাংক লেনদেনের সুইফট কপি , এক্স পোর্ট , ইনপোর্ট লাইসেন্স এর কপি, কারখানা গুলোতে নেই কোন অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র। চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, এসিড , কার্বন ডাই অক্সাইড, অ্যামোনিয়া এবং কিউ কেমিক্যাল যাহা ব্যবহারের সরকারের কোন বৈধ লাইসেন্স তাদের কাছে নাই।
ব্যবহার করা হচ্ছে অবৈধ গ্যাস , আছে শিশু শ্রম ও । ভারতের প্রায়ই ৩ শতাধিক চুল ব্যবসায়ী তাদের সঙ্গে এই এলাকাতে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করে। কিছুদিন টাকা পয়সা লেনদেন বেশ ভালই করেছে তারপর সুযোগ বুঝে তাদের শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এখানকার চুলের ব্যবসায়ীরা । ভারতের ব্যবসায়ীরা এই এলাকার স্থানীয় লোকজনের কাছে বিচার চেয়েও কোন বিচার পাই নাই। স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেছে কিন্তু কোন আশার আলোর মুখ চোখে দেখতে পাই নাই ভুক্ত ভূগীরা। কারণ কাগজপত্র অনেকটা ঘাবলা ছিল তাদের ভিতরে। টাকা আত্মসাৎ কারি চুল ব্যবসায়ীদের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলা , দামুড় হুদা থানায় অবস্থিত। বহিরাগত হিসেবে গত ৮-১০ বছরে তারা অবৈধ স্থাপনা চুলের ব্যবসা করিয়া সরকারের ট্যাক্স /ভ্যাট এবং রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। দুর্নীতি করিয়া জমি /জমা এবং বাড়ি , গাড়ির মালিক বনে গিয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের নাম উল্লেখযোগ্য। আতিয়ার রহমান, মিদ্দার আলি, শওকত মোল্লা , মোস্তাক আহমদ , আলী আহমেদ, শাহিন রেজা , মাহবুব হোসেন, আব্দুর রশিদ, মিজানুর রহমান (কালু) বাবলু আক্তার, মনির হোসেন । চূল ব্যবসায়ীরা লাইসেন্স বিহীন "হেয়ার প্রসেসিং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি" নামকরণে ফায়দাবাদ আফতাব মার্কেট এলাকায় ৩ বিঘা জমি ক্রয় করিয়াছে । যাহার বর্তমান বাজার মূল্য ৭৯ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। জমিতে কনস্ট্রাকশনের কাজ চলমান ।
নাম দিয়েছে চুয়াডাঙ্গা সিটি। ফায়দাবাদ চৌরাস্তায় ১৫ কাঠার একটি প্লট। সেখানে নির্মাণ করেছে একটা বহুতল ভবন । যাহার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় আনুমানিক একশত কোটি টাকা ।সবচেয়ে বেশি প্লট ও ভূমি ক্রয় করেছে, চুল ব্যবসায়ীদের সভাপতি আতিয়ার রহমান। এই এলাকাতে গত ৮-১০ বছরে ৫ কাঠা , ১০ কাঠা ,১৫ কাঠা, ১ বিঘা সর্বমোট ১৬ টির মতো প্লট ক্রয় করেছে । প্লট গুলোতে নির্মাণ করেছে ছোট বড় বিল্ডিং সহ বহুতল ভবন। যাহার বর্তমান বাজার মূল্য দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ব্যবসায়ীরা কালো টাকা এবং সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে এই ফাইদাবাদ চৌরাস্তা এবং তার আশপাশ এলাকায়। এ যেন হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। জন মনে প্রশ্ন ?? সুশীল সমাজ জানতে চাই , তাদের আয়ের উৎস কোথায় ?
এমতাবস্থায়, জনস্বার্থে সরকার ঘোষিত জিরো টলারেন্স কার্যকর করিতে এবং তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বাস্তবায়ন কল্পে দেশ এবং জাতির স্বার্থে দেশব্যাপী অবৈধ ব্যবসায়ীদের নিবন্ধনের আওতায় আনতে ও সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে এবং দুর্নীতিবাজ সকল শ্রেণী পেশার ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছে অত্র এলাকাবাসী।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৫
বিশেষ প্রতিবেদন : রোমানা
ঢাকা ১৮ আসনের অন্তর্গত বৃহত্তম উত্তরা , দক্ষিন খান থানা এরিয়ায় অবস্থিত ফায়দাবাদ চৌরাস্তা এলাকার বাসিন্দা বিএনপি'র নামধারী নেতা মোঃ কবির হোসেন , পিতা : আবু বকর সিদ্দিক, দখলবাজ , জুলুমকারী এই নেতা আওয়ামী ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে আওয়ামী এমপি, মন্ত্রীদের পায়ে তেল মালিশ করে রাজি খুশি করেই ফায়দাবাদ চৌরাস্তা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। দখল করে নিয়েছে অনেকের জায়গা জমি। পরিবার পরিজন নিয়ে অনেকেই হয়েছে পথের ভিখারী ।
ফায়দাবাদ চৌরাস্তায় দারুস সালাম জামে মসজিদ মাঠ সংলগ্ন বসবাসরত জমির মালিক মরহুম ফজর আলী মন্ডলের রেকর্ড ভুক্ত সম্পত্তি, ভূমিদস্যু কবির তাহার নিজের নামে ভূমি অফিস থেকে ভুয়া লিজ দলিলের মাধ্যমে মাদ্রাসার নামকরণে আনুমানিক ৫২ শতক জায়গা এবং জমির মালিক মোছাম্মৎ শামসুন্নাহারের ৩ কাঠা ও কুলসুম বেগমের দুই কাঠা জমি তাহার পালিত গুণ্ডা বাহিনী দিয়ে জোরপূর্বক দখল করে নেই ।
এ ব্যাপারে স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেও কোন লাভ হয় নাই। কবিরের আশ্রয়, প্রশ্রয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার বামপন্থী দলের নামকরা সন্ত্রাসীরা এই ফাইদাবাদ চোরাস্তা এলাকায় গড়ে তুলেছে অবৈধ চুলের কারখানা। প্রত্যেক চুল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কবির নিচ্ছে মাসোয়ারা , ফায়দাবাদ চোরাস্তায় সিদ্দিক ভিলাই কমিশন হিসেবে পেয়েছে একটি ফ্লাট। বর্তমান বাজার মূল্য ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যাবে । সুকৌশলে চুল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোবির হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি, কোটি টাকা এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের চুয়াডাঙ্গা জেলার কৃতি সন্তান সাবেক ডিএমপি কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম এর আস্থাভাজন চুল ব্যবসায়ীদের সভাপতি মোঃ আতিয়ার রহমান এবং চুয়াডাঙ্গার বামপন্থী দলের সন্ত্রাসী, অবৈধ চুল ব্যবসায়ীরা ফায়দাবাদ চৌরাস্তা এবং এর আশপাশ এলাকার বিএনপির ত্যাগী নেতাদের বিরুদ্ধে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য জাল বিস্তার করেছে। ছড়াচ্ছে মিথ্যা গুজব ।
মাস্টারমাইন্ড পরিকল্পনাকারী ভূমিদস্যু কবির, বিগত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী ফেসিস্ট সরকারের সাবেক এমপি খসরু চৌধুরীর এমপি পদপ্রার্থী নির্বাচনে সিদ্দিক ভিলার পাশে অস্থায়ী ভোট ক্যাম্পিং এর অফিস খুলে, ক্ষুদ্র হেয়ার প্রসেসিং সমবায় সমিতির সদস্যদের কে নিয়ে ফায়দাবাদ এবং তার আশপাশ এরিয়ায় এই নামধারী বিএনপি নেতা কবির হোসেনের মানুষের দ্বারে, দ্বারে ভোট চাওয়ার দৃশ্যটিও বিরল। এমনকি বিগত দুর্নীতিবাজ সরকারের সাবেক কাউন্সিলর মোতালেব হোসেনের সঙ্গে আতাত করে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে বিভিন্নভাবে হামলা, মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। মাঝে মধ্যে চুল ব্যবসায়ীদের কে সাথে নিয়ে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ব্যবস্থাও করেছে এই ভূমিদস্য কবির, উক্ত খেলায় সাবেক কাউন্সিলর মোতালেব হোসেনকেও অংশগ্রহণ করতে দেখা যায় । কবিরের আওয়ামী আমলা চামচাদের
সাথেও দহরম মহরম সম্পর্ক রেখেই তার কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছে। গত কয়েকদিন আগে বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক সুনাম ধন্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাবেক নেতা মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন সাহেবের লোকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযুক্ত করে গণমাধ্যম কর্মী দের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে এই চুল ব্যবসায়ীরা এবং ভূমিদস্যু কবির । এই এলাকায় কয়েকজন দুর্নীতিবাজ অবৈধ চুল ব্যবসায়ীর দুর্নীতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করিয়াছে অত্র সংস্থাটির ক্রাইম অনুসন্ধানী একটি টিম । তদন্তে বেরিয়ে এসেছে অনেক চাঞ্চল্যকর দুর্নীতি তথ্য । এই এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় তিন শত বিশ টির
মত অবৈধ চুলের কারখানা আছে। চুল ক্রয় করে পাশের বন্ধুত্ব শুলভ দেশ ভারত থেকে। টাকা পয়সা লেনদেন করে হুণ্ডির মাধ্যমে । এই চুল দিয়ে কারখানা গুলোতে তৈরি করা হয় মাথার ক্যাপ এবং বাহারি চুলের খোপা। কারখানায় নেই কোন ট্রেড লাইসেন্স, টিন সার্টিফিকেট, আয়কর রিটানের কপি , ভ্যাট চালানের কপি, মালের ডেলিভারি চালানের কপি, পরিবেশ ছাড়পত্র , ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি পত্র , ব্যাংক লেনদেনের সুইফট কপি , এক্স পোর্ট , ইনপোর্ট লাইসেন্স এর কপি, কারখানা গুলোতে নেই কোন অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র। চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, এসিড , কার্বন ডাই অক্সাইড, অ্যামোনিয়া এবং কিউ কেমিক্যাল যাহা ব্যবহারের সরকারের কোন বৈধ লাইসেন্স তাদের কাছে নাই।
ব্যবহার করা হচ্ছে অবৈধ গ্যাস , আছে শিশু শ্রম ও । ভারতের প্রায়ই ৩ শতাধিক চুল ব্যবসায়ী তাদের সঙ্গে এই এলাকাতে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করে। কিছুদিন টাকা পয়সা লেনদেন বেশ ভালই করেছে তারপর সুযোগ বুঝে তাদের শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এখানকার চুলের ব্যবসায়ীরা । ভারতের ব্যবসায়ীরা এই এলাকার স্থানীয় লোকজনের কাছে বিচার চেয়েও কোন বিচার পাই নাই। স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেছে কিন্তু কোন আশার আলোর মুখ চোখে দেখতে পাই নাই ভুক্ত ভূগীরা। কারণ কাগজপত্র অনেকটা ঘাবলা ছিল তাদের ভিতরে। টাকা আত্মসাৎ কারি চুল ব্যবসায়ীদের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলা , দামুড় হুদা থানায় অবস্থিত। বহিরাগত হিসেবে গত ৮-১০ বছরে তারা অবৈধ স্থাপনা চুলের ব্যবসা করিয়া সরকারের ট্যাক্স /ভ্যাট এবং রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। দুর্নীতি করিয়া জমি /জমা এবং বাড়ি , গাড়ির মালিক বনে গিয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের নাম উল্লেখযোগ্য। আতিয়ার রহমান, মিদ্দার আলি, শওকত মোল্লা , মোস্তাক আহমদ , আলী আহমেদ, শাহিন রেজা , মাহবুব হোসেন, আব্দুর রশিদ, মিজানুর রহমান (কালু) বাবলু আক্তার, মনির হোসেন । চূল ব্যবসায়ীরা লাইসেন্স বিহীন "হেয়ার প্রসেসিং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি" নামকরণে ফায়দাবাদ আফতাব মার্কেট এলাকায় ৩ বিঘা জমি ক্রয় করিয়াছে । যাহার বর্তমান বাজার মূল্য ৭৯ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। জমিতে কনস্ট্রাকশনের কাজ চলমান ।
নাম দিয়েছে চুয়াডাঙ্গা সিটি। ফায়দাবাদ চৌরাস্তায় ১৫ কাঠার একটি প্লট। সেখানে নির্মাণ করেছে একটা বহুতল ভবন । যাহার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় আনুমানিক একশত কোটি টাকা ।সবচেয়ে বেশি প্লট ও ভূমি ক্রয় করেছে, চুল ব্যবসায়ীদের সভাপতি আতিয়ার রহমান। এই এলাকাতে গত ৮-১০ বছরে ৫ কাঠা , ১০ কাঠা ,১৫ কাঠা, ১ বিঘা সর্বমোট ১৬ টির মতো প্লট ক্রয় করেছে । প্লট গুলোতে নির্মাণ করেছে ছোট বড় বিল্ডিং সহ বহুতল ভবন। যাহার বর্তমান বাজার মূল্য দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ব্যবসায়ীরা কালো টাকা এবং সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে এই ফাইদাবাদ চৌরাস্তা এবং তার আশপাশ এলাকায়। এ যেন হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। জন মনে প্রশ্ন ?? সুশীল সমাজ জানতে চাই , তাদের আয়ের উৎস কোথায় ?
এমতাবস্থায়, জনস্বার্থে সরকার ঘোষিত জিরো টলারেন্স কার্যকর করিতে এবং তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বাস্তবায়ন কল্পে দেশ এবং জাতির স্বার্থে দেশব্যাপী অবৈধ ব্যবসায়ীদের নিবন্ধনের আওতায় আনতে ও সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে এবং দুর্নীতিবাজ সকল শ্রেণী পেশার ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছে অত্র এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন