দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট ২০২৫

সুবাস্তু নজর ভ্যালিতে অনিয়মের পাহাড়: ম্যানেজার তৌহিদের ‘আশ্রয়ে’ তারেক-বেলাল সিন্ডিকেটের জালিয়াতি

সুবাস্তু নজর ভ্যালিতে অনিয়মের পাহাড়: ম্যানেজার তৌহিদের ‘আশ্রয়ে’ তারেক-বেলাল সিন্ডিকেটের জালিয়াতি

“কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি লোপাট: অভিযুক্তদের বাঁচাতে ‘প্রকল্প বন্ধের চক্রান্ত’!”

“মাত্র ৩০০ টাকার যন্ত্রেই বাঁচবে শিশুদের প্রাণ! হামজনিত নিউমোনিয়ায় মৃত্যুহার কমাবে বাবল সিপ্যাপ”

চুক্তি হলেও সরছে না মার্কিন বাহিনী! ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের কড়া বার্তা—শর্ত ভাঙলেই বড় হামলার হুঁশিয়ারি

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায়: ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা”

ভারতে ধরা দুই খুনি দেশে ফিরছে! ওসমান হাদি হত্যা মামলায় বড় অগ্রগতি, দিল্লি বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

“প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে বিভ্রান্তি: ভারত সফরের খবর সম্পূর্ণ গুজব, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান”

“আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবির দুই শিক্ষক ও ছাত্রলীগ সভাপতির ১০ বছর কারাদণ্ড — ঐতিহাসিক রায়ে নাড়িয়ে দিল দেশ”

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের  দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি:পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ঋণ শাখার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, মোটরসাইকেল ও কম্পিউটার ক্রয় ঋণের কিস্তির টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে ভুয়া স্লিপ দেখিয়ে তাঁরা এ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন পবিপ্রবির পেনশন সেলের উপপরিচালক মো. রাজিব মিয়া ও ঋণ শাখার ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট আবু ছালেহ মো. ইছা।

হিসাব শাখা সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সাল থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিপিএফ থেকে কর্তনকৃত ১০ শতাংশ তহবিলের মাধ্যমে রূপালী ব্যাংকের পবিপ্রবি শাখায় ঋণ কার্যক্রম চালু হয়। নিয়মিত কিস্তি পরিশোধের পরও ওই দুই কর্মকর্তা ব্যাংকে টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি অভ্যন্তরীণ অডিটে হিসাবের গরমিল ধরা পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে অভিযুক্তরা ভুল স্বীকার করে ৩২ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নামও এ ঘটনায় এসেছে, যাঁরা ভুয়া রসিদ পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উপরেজিস্ট্রার (প্ল্যানিং) মো. খাইরুল বাসার মিয়া, পরিবহন শাখার সেকশন অফিসার সবুর খান, হেলপার আবু জাফর, ফটোমেশিন অপারেটর শামীম খান, অডিট সেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ফরিদা বেগম, অ্যাম্বুলেন্সচালক আলম ও বাজেট শাখার অফিস সহায়ক মাসুদ রয়েছেন।

অভিযুক্ত ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট আবু ছালেহ মো. ইছা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এটি আত্মসাৎ নয়, হিসাবের গরমিল। শিগগিরই তা ঠিক হয়ে যাবে। কারও টাকা হারাবে না।’ অপর অভিযুক্ত রাজিব মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন জানান, আর্থিক অসামঞ্জস্যের কারণে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।

পবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা টাকা উদ্ধারের ব্যবস্থা নিয়েছি। টাকা উদ্ধার হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৫

featured Image

বিশেষ প্রতিনিধি:পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ঋণ শাখার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, মোটরসাইকেল ও কম্পিউটার ক্রয় ঋণের কিস্তির টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে ভুয়া স্লিপ দেখিয়ে তাঁরা এ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন পবিপ্রবির পেনশন সেলের উপপরিচালক মো. রাজিব মিয়া ও ঋণ শাখার ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট আবু ছালেহ মো. ইছা।


হিসাব শাখা সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সাল থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিপিএফ থেকে কর্তনকৃত ১০ শতাংশ তহবিলের মাধ্যমে রূপালী ব্যাংকের পবিপ্রবি শাখায় ঋণ কার্যক্রম চালু হয়। নিয়মিত কিস্তি পরিশোধের পরও ওই দুই কর্মকর্তা ব্যাংকে টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি অভ্যন্তরীণ অডিটে হিসাবের গরমিল ধরা পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে অভিযুক্তরা ভুল স্বীকার করে ৩২ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নামও এ ঘটনায় এসেছে, যাঁরা ভুয়া রসিদ পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উপরেজিস্ট্রার (প্ল্যানিং) মো. খাইরুল বাসার মিয়া, পরিবহন শাখার সেকশন অফিসার সবুর খান, হেলপার আবু জাফর, ফটোমেশিন অপারেটর শামীম খান, অডিট সেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ফরিদা বেগম, অ্যাম্বুলেন্সচালক আলম ও বাজেট শাখার অফিস সহায়ক মাসুদ রয়েছেন।


অভিযুক্ত ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট আবু ছালেহ মো. ইছা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এটি আত্মসাৎ নয়, হিসাবের গরমিল। শিগগিরই তা ঠিক হয়ে যাবে। কারও টাকা হারাবে না।’ অপর অভিযুক্ত রাজিব মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।


বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন জানান, আর্থিক অসামঞ্জস্যের কারণে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।


পবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা টাকা উদ্ধারের ব্যবস্থা নিয়েছি। টাকা উদ্ধার হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর