দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ

এস এম জাহাঙ্গীর এমপির অংশগ্রহণে পিএসবি ও কেএসআরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সনদ বিতরণ

বাংলাদেশের তরুণ ও কর্মজীবী মানুষের দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত তিন দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী দিনে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়েছে। প্রগ্রেসিভ সোসাইটি অব বাংলাদেশ (পিএসবি) এবং কুয়েত সোসাইটি ফর রিলিফ (কেএসআর)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা দক্ষতা উন্নয়নকে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমেই তরুণরা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবেন।[TECHTARANGA-POST:1262]তিন দিনের প্রশিক্ষণে গুরুত্ব পায় বাস্তব দক্ষতাআয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল অংশগ্রহণকারীদের ব্যবহারিক জ্ঞান ও কর্মদক্ষতা বাড়ানো। তিন দিনব্যাপী আয়োজনে বিভিন্ন সেশন, দলীয় আলোচনা এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা উন্নয়নের চেষ্টা করা হয়।প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া অনেকেই জানান, তারা নতুন কিছু শেখার সুযোগ পেয়েছেন, যা ভবিষ্যতে চাকরি বা ব্যক্তিগত উন্নয়নে কাজে লাগবে। বিশেষ করে তরুণ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ।সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশসমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথিদের উপস্থিতিতে এক উষ্ণ ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশ তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ তুলে দেওয়া হয়।অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই বলেন, এমন আয়োজন তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের আরও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু রাখার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক সময়ে টিকে থাকতে হলে নিয়মিত শেখার বিকল্প নেই। দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যক্তি যেমন উপকৃত হন, তেমনি দেশের অর্থনীতিও শক্তিশালী হয়।উন্নয়নমূলক উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্বসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, স্থানীয় সংগঠন ও আন্তর্জাতিক মানবিক প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগ দেশে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে যুবসমাজকে কর্মমুখী প্রশিক্ষণের আওতায় আনলে বেকারত্ব কমানো সহজ হবে বলে মত দেন তারা।এ ধরনের উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি পরিবার ও সমাজেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরা কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারলে সামগ্রিকভাবে স্থানীয় অর্থনীতিও উপকৃত হয়।অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতায় অনুপ্রেরণার ছাপঅনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থী জানান, তারা শুধু প্রশিক্ষণই নেননি, বরং নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও পেয়েছেন। এতে তাদের যোগাযোগ দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ মডিউল বা অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য জানানো হয়নি। এ বিষয়ে আরও তথ্য পরে প্রকাশ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ভবিষ্যতেও এমন আয়োজনের প্রত্যাশাপ্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন শেষে অংশগ্রহণকারী ও অতিথিদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই মনে করছেন, দক্ষতা উন্নয়নভিত্তিক এমন উদ্যোগ তরুণ সমাজকে বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও প্রস্তুত করবে।[TECHTARANGA-POST:1261]বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে হলে তরুণদের প্রযুক্তি, যোগাযোগ ও নেতৃত্বমূলক প্রশিক্ষণের দিকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ বাড়ানো গেলে এই ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর হতে পারে।

এস এম জাহাঙ্গীর এমপির অংশগ্রহণে পিএসবি ও কেএসআরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সনদ বিতরণ