দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংবাদকর্মীরা। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত হামলার শিকার হচ্ছেন এবং হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন, যা মুক্ত গণমাধ্যম এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির অবসানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন বিভিন্ন স্তরের সাংবাদিকরা।
সম্প্রতি আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, কোনো গণতান্ত্রিক সমাজে সাংবাদিকরা এভাবে অনিরাপদ থাকতে পারেন না। তথ্য সংগ্রহের কাজ করতে গিয়ে তারা নানাভাবে বাধা পাচ্ছেন। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে যারা কাজ করছেন, তাদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। অপরাধীদের দৌরাত্ম্য ও ক্ষমতার দাপটের কাছে সাংবাদিকরা আজ অসহায় হয়ে পড়ছেন। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনের জন্য প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, অতীতেও অনেক সাংবাদিককে তাদের দায়িত্ব পালনের সময় নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, কিন্তু তার অনেক ঘটনারই সঠিক বিচার পাওয়া যায়নি। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতিই অপরাধীদের আরও বেশি উৎসাহিত করছে। তাই সাংবাদিকদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সুরক্ষা আইন এবং নির্যাতনকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
পটভূমি হিসেবে বলা যায়, বাংলাদেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি বহু পুরনো। এর আগেও বিভিন্ন সময় গণমাধ্যম কর্মীরা তাদের ওপর হওয়া হামলার বিচার এবং কাজের পরিবেশ নিরাপদ করার দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন। অনেক সময় দেখা গেছে, প্রভাবশালী মহলের স্বার্থে আঘাত লাগলে বা কোনো অনিয়মের সত্য তুলে ধরলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা করা হয়। এটি কেবল একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা নয়, বরং এটি মানুষের জানার অধিকারের ওপর আঘাত।
সাংবাদিকরা মনে করেন, একটি স্বাধীন দেশের শক্তিশালী স্তম্ভ হলো গণমাধ্যম। আর এই গণমাধ্যমকে যদি ভয়ভীতিহীনভাবে কাজ করতে না দেওয়া হয়, তবে সমাজের সব স্তরে অনিয়ম ও দুর্নীতি জেঁকে বসবে। তাই কেবল মৌখিক আশ্বাস নয়, বরং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় রাষ্ট্রকে এখন কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে।
উপসংহারে বলা যায়, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত একটি সুস্থ ও স্বচ্ছ সমাজ গড়া সম্ভব নয়। আশা করা যাচ্ছে, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর এই সম্মিলিত কণ্ঠস্বর ও দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে এবং সাংবাদিকদের কাজের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হবে। মুক্ত সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ভূমিকা এখন সময়ের দাবি।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংবাদকর্মীরা। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত হামলার শিকার হচ্ছেন এবং হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন, যা মুক্ত গণমাধ্যম এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির অবসানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন বিভিন্ন স্তরের সাংবাদিকরা।
সম্প্রতি আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, কোনো গণতান্ত্রিক সমাজে সাংবাদিকরা এভাবে অনিরাপদ থাকতে পারেন না। তথ্য সংগ্রহের কাজ করতে গিয়ে তারা নানাভাবে বাধা পাচ্ছেন। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে যারা কাজ করছেন, তাদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। অপরাধীদের দৌরাত্ম্য ও ক্ষমতার দাপটের কাছে সাংবাদিকরা আজ অসহায় হয়ে পড়ছেন। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনের জন্য প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, অতীতেও অনেক সাংবাদিককে তাদের দায়িত্ব পালনের সময় নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, কিন্তু তার অনেক ঘটনারই সঠিক বিচার পাওয়া যায়নি। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতিই অপরাধীদের আরও বেশি উৎসাহিত করছে। তাই সাংবাদিকদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সুরক্ষা আইন এবং নির্যাতনকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
পটভূমি হিসেবে বলা যায়, বাংলাদেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি বহু পুরনো। এর আগেও বিভিন্ন সময় গণমাধ্যম কর্মীরা তাদের ওপর হওয়া হামলার বিচার এবং কাজের পরিবেশ নিরাপদ করার দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন। অনেক সময় দেখা গেছে, প্রভাবশালী মহলের স্বার্থে আঘাত লাগলে বা কোনো অনিয়মের সত্য তুলে ধরলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা করা হয়। এটি কেবল একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা নয়, বরং এটি মানুষের জানার অধিকারের ওপর আঘাত।
সাংবাদিকরা মনে করেন, একটি স্বাধীন দেশের শক্তিশালী স্তম্ভ হলো গণমাধ্যম। আর এই গণমাধ্যমকে যদি ভয়ভীতিহীনভাবে কাজ করতে না দেওয়া হয়, তবে সমাজের সব স্তরে অনিয়ম ও দুর্নীতি জেঁকে বসবে। তাই কেবল মৌখিক আশ্বাস নয়, বরং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় রাষ্ট্রকে এখন কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে।
উপসংহারে বলা যায়, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত একটি সুস্থ ও স্বচ্ছ সমাজ গড়া সম্ভব নয়। আশা করা যাচ্ছে, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর এই সম্মিলিত কণ্ঠস্বর ও দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে এবং সাংবাদিকদের কাজের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হবে। মুক্ত সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ভূমিকা এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন