দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

“মাত্র ৩০০ টাকার যন্ত্রেই বাঁচবে শিশুদের প্রাণ! হামজনিত নিউমোনিয়ায় মৃত্যুহার কমাবে বাবল সিপ্যাপ”

“মাত্র ৩০০ টাকার যন্ত্রেই বাঁচবে শিশুদের প্রাণ! হামজনিত নিউমোনিয়ায় মৃত্যুহার কমাবে বাবল সিপ্যাপ”

চুক্তি হলেও সরছে না মার্কিন বাহিনী! ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের কড়া বার্তা—শর্ত ভাঙলেই বড় হামলার হুঁশিয়ারি

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায়: ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা”

ভারতে ধরা দুই খুনি দেশে ফিরছে! ওসমান হাদি হত্যা মামলায় বড় অগ্রগতি, দিল্লি বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

“প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে বিভ্রান্তি: ভারত সফরের খবর সম্পূর্ণ গুজব, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান”

“আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবির দুই শিক্ষক ও ছাত্রলীগ সভাপতির ১০ বছর কারাদণ্ড — ঐতিহাসিক রায়ে নাড়িয়ে দিল দেশ”

“আবু সাঈদ হত্যা মামলায় নজিরবিহীন রায়: দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, ২৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড”

“শিক্ষাই জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা—ফ্রি ওয়াই-ফাই, এডু-আইডি ও কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক!”

চুক্তি হলেও সরছে না মার্কিন বাহিনী! ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের কড়া বার্তা—শর্ত ভাঙলেই বড় হামলার হুঁশিয়ারি

চুক্তি হলেও সরছে না মার্কিন বাহিনী! ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের কড়া বার্তা—শর্ত ভাঙলেই বড় হামলার হুঁশিয়ারি

মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির আলোচনার মধ্যেও সামরিক অবস্থান থেকে একচুলও সরছে না যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরানের ওপর নজরদারি বজায় রাখতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, আধুনিক যুদ্ধবিমান এবং সেনাসদস্যদের ওই অঞ্চলে মোতায়েন রাখা হবে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হলেও তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক উপস্থিতি কমাবে না। তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, যদি তেহরান চুক্তির কোনো শর্ত লঙ্ঘন করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযানে নামতে প্রস্তুত।

ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে একটি “প্রকৃত ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধান” নিশ্চিত করা। এজন্য কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সামরিক চাপও সমানভাবে বজায় রাখা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ এখনো তীব্র। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অধিকার রাখে।

প্রস্তাবিত সমঝোতা অনুযায়ী, ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এমন নিশ্চয়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz সবসময় উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখার দায়িত্বও তেহরানের ওপর বর্তাবে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, ইরান লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলার বিষয়টি সামনে এনে বলেছে, এই পরিস্থিতিতে স্থায়ী শান্তি চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নেওয়া যৌক্তিক নয়। তেহরানের মতে, আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধ না হলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি সম্ভব নয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Reuters জানিয়েছে, উভয় পক্ষের বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পষ্ট যে, কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সামরিক প্রস্তুতি বজায় রেখেই এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে, শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা থাকলেও অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা এখনো অনেকটাই অনিশ্চিত।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


চুক্তি হলেও সরছে না মার্কিন বাহিনী! ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের কড়া বার্তা—শর্ত ভাঙলেই বড় হামলার হুঁশিয়ারি

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির আলোচনার মধ্যেও সামরিক অবস্থান থেকে একচুলও সরছে না যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরানের ওপর নজরদারি বজায় রাখতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, আধুনিক যুদ্ধবিমান এবং সেনাসদস্যদের ওই অঞ্চলে মোতায়েন রাখা হবে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হলেও তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক উপস্থিতি কমাবে না। তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, যদি তেহরান চুক্তির কোনো শর্ত লঙ্ঘন করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযানে নামতে প্রস্তুত।

ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে একটি “প্রকৃত ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধান” নিশ্চিত করা। এজন্য কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সামরিক চাপও সমানভাবে বজায় রাখা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ এখনো তীব্র। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অধিকার রাখে।

প্রস্তাবিত সমঝোতা অনুযায়ী, ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এমন নিশ্চয়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz সবসময় উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখার দায়িত্বও তেহরানের ওপর বর্তাবে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, ইরান লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলার বিষয়টি সামনে এনে বলেছে, এই পরিস্থিতিতে স্থায়ী শান্তি চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নেওয়া যৌক্তিক নয়। তেহরানের মতে, আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধ না হলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি সম্ভব নয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Reuters জানিয়েছে, উভয় পক্ষের বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পষ্ট যে, কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সামরিক প্রস্তুতি বজায় রেখেই এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে, শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা থাকলেও অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা এখনো অনেকটাই অনিশ্চিত।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর