জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ হিসেবে পরিচিত রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী-এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় দেন।
রায়ে মামলার দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বাকি ২৮ জন আসামিকে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, এই হত্যাকাণ্ড ছিল মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল এবং এতে রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
আবু সাঈদ, যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছিলেন, তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তার মৃত্যু সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং আন্দোলনকে আরও বেগবান করে তোলে। পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ীদের বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে ওঠে।
তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের পর আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এ রায় দেশের বিচার ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। একই সঙ্গে এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
রায়ের পর আবু সাঈদের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ হিসেবে পরিচিত রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী-এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় দেন।
রায়ে মামলার দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বাকি ২৮ জন আসামিকে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, এই হত্যাকাণ্ড ছিল মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল এবং এতে রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
আবু সাঈদ, যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছিলেন, তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তার মৃত্যু সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং আন্দোলনকে আরও বেগবান করে তোলে। পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ীদের বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে ওঠে।
তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের পর আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এ রায় দেশের বিচার ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। একই সঙ্গে এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
রায়ের পর আবু সাঈদের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

আপনার মতামত লিখুন