দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

‘মঙ্গল’ নয়, ‘আনন্দ’ নয়—এবার থেকে কেবল ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’: সংস্কৃতিমন্ত্রীর ঘোষণা ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে

‘মঙ্গল’ নয়, ‘আনন্দ’ নয়—এবার থেকে কেবল ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’: সংস্কৃতিমন্ত্রীর ঘোষণা ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে

শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা: “শতভাগ কোচিং সেন্টার বন্ধ হবে, সব কিন্ডারগার্টেনও নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে”

দেশে এপ্রিল মাসে তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা, ঝড়-বৃষ্টিতে সাময়িক স্বস্তির সম্ভাবনা

রোববার থেকে ১৮ জেলায় হামের টিকাদান শুরু — ঈদের আগেই সারাদেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা

ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত শতাধিক

ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

খিলক্ষেতে রুমি-মাসুদ সিন্ডিকেটের রাজত্ব: অবৈধ বাজার ও জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ জনজীবন

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনা: ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার, শোকের ছায়া চারদিকে

‘মঙ্গল’ নয়, ‘আনন্দ’ নয়—এবার থেকে কেবল ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’: সংস্কৃতিমন্ত্রীর ঘোষণা ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে

‘মঙ্গল’ নয়, ‘আনন্দ’ নয়—এবার থেকে কেবল ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’: সংস্কৃতিমন্ত্রীর ঘোষণা ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে

বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে ঘিরে বহুল আলোচিত ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন পহেলা বৈশাখে আর ‘মঙ্গল’ বা ‘আনন্দ’ শোভাযাত্রা নামে কোনো কর্মসূচি থাকবে না; পরিবর্তে নতুন নাম হিসেবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ই ব্যবহার করা হবে এবং ভবিষ্যতেও এই নাম বহাল থাকবে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) মহম্মদপুর-এ একটি আধুনিক ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, বাংলা নববর্ষের সব আয়োজন—যেমন বৈশাখী মেলা ও শোভাযাত্রা—এখন থেকে ‘বৈশাখী’ নামেই পরিচিত হবে।

‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র নাম পরিবর্তন নিয়ে ইউনেস্কো-এর স্বীকৃতির প্রসঙ্গ উঠলে মন্ত্রী বলেন, “ইউনেস্কো আগে তো করেনি। ইউনেস্কো করলেই যে আমাদের সেটি করতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।” তার এই বক্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, কারণ ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনোয়ার হোসেন খান, যিনি মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলী আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহা. শাহনুর জামানসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সংস্কৃতিমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন—নামের পরিবর্তন হলেও উৎসবের মূল চেতনা অপরিবর্তিত থাকবে।

এদিকে, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নতুন নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ কতটা গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং জনমনে কী প্রভাব ফেলে, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে পুরো দেশ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬


‘মঙ্গল’ নয়, ‘আনন্দ’ নয়—এবার থেকে কেবল ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’: সংস্কৃতিমন্ত্রীর ঘোষণা ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে ঘিরে বহুল আলোচিত ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন পহেলা বৈশাখে আর ‘মঙ্গল’ বা ‘আনন্দ’ শোভাযাত্রা নামে কোনো কর্মসূচি থাকবে না; পরিবর্তে নতুন নাম হিসেবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ই ব্যবহার করা হবে এবং ভবিষ্যতেও এই নাম বহাল থাকবে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) মহম্মদপুর-এ একটি আধুনিক ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, বাংলা নববর্ষের সব আয়োজন—যেমন বৈশাখী মেলা ও শোভাযাত্রা—এখন থেকে ‘বৈশাখী’ নামেই পরিচিত হবে।

‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র নাম পরিবর্তন নিয়ে ইউনেস্কো-এর স্বীকৃতির প্রসঙ্গ উঠলে মন্ত্রী বলেন, “ইউনেস্কো আগে তো করেনি। ইউনেস্কো করলেই যে আমাদের সেটি করতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।” তার এই বক্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, কারণ ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনোয়ার হোসেন খান, যিনি মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলী আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহা. শাহনুর জামানসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সংস্কৃতিমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন—নামের পরিবর্তন হলেও উৎসবের মূল চেতনা অপরিবর্তিত থাকবে।

এদিকে, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নতুন নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ কতটা গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং জনমনে কী প্রভাব ফেলে, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে পুরো দেশ।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর