সুনামগঞ্জের ডাকুয়ার হাওরে ফসল ডুবে যাওয়ার শঙ্কা নিয়ে বাঁধ কেটে দেওয়ার ঘটনায় শনিবার (৪ মার্চ) সকালে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সদর উপজেলার মোহনপুর ও নোয়াগাঁও এলাকায় এক পক্ষ বাঁধ কাটার চেষ্টা করলে আরেক পক্ষ তা রোধ করতে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নূরুল আমিন জানান, “আমাদের গ্রামের লোক বাঁধ কাটতে বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে আলী, আফিজ, সুকুর আলী, আজিজুল, জাহাঙ্গীরসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালেই অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সনজিত কুমার ডাকুয়ার হাওরের বাঁধ বিষয়ে জরুরি সভা করেন। সভায় পরিস্থিতি সমাধানের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। তবে কিছু সশস্ত্র ব্যক্তি সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোরপূর্বক বাঁধ কেটে দেয়।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সনজিত কুমার চন্দ বলেন, “আজ সকালে স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে ডাকুয়ার হাওরের পানি নিষ্কাশন বিষয়ে সভা করা হয়েছিল। সেখানে বাঁধ কাটা সংক্রান্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু কিছু লোক তা মানেনি এবং বাঁধ কেটে দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা ১৪৪ ধারা জারি করেছি।”
পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
সুনামগঞ্জের ডাকুয়ার হাওরে ফসল ডুবে যাওয়ার শঙ্কা নিয়ে বাঁধ কেটে দেওয়ার ঘটনায় শনিবার (৪ মার্চ) সকালে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সদর উপজেলার মোহনপুর ও নোয়াগাঁও এলাকায় এক পক্ষ বাঁধ কাটার চেষ্টা করলে আরেক পক্ষ তা রোধ করতে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নূরুল আমিন জানান, “আমাদের গ্রামের লোক বাঁধ কাটতে বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে আলী, আফিজ, সুকুর আলী, আজিজুল, জাহাঙ্গীরসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালেই অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সনজিত কুমার ডাকুয়ার হাওরের বাঁধ বিষয়ে জরুরি সভা করেন। সভায় পরিস্থিতি সমাধানের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। তবে কিছু সশস্ত্র ব্যক্তি সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোরপূর্বক বাঁধ কেটে দেয়।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সনজিত কুমার চন্দ বলেন, “আজ সকালে স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে ডাকুয়ার হাওরের পানি নিষ্কাশন বিষয়ে সভা করা হয়েছিল। সেখানে বাঁধ কাটা সংক্রান্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু কিছু লোক তা মানেনি এবং বাঁধ কেটে দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা ১৪৪ ধারা জারি করেছি।”
পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন