আপনার সরবরাহ করা তথ্যগুলোকে ভিত্তি করে একটি পেশাদার নিউজ রিপোর্টের ফরম্যাটে নিচে সংবাদটি গুছিয়ে লিখে দেওয়া হলো:
অনুসন্ধানে জানা গেছে, খিলক্ষেত প্রধান সড়ক ও আশপাশের গলিতে অবৈধ মাছের বাজারের নিয়ন্ত্রণ ইশতিয়াক আহমেদ রুমির হাতে থাকলেও, এর নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মাসুদ। মাসুদের রাজনৈতিক প্রভাব ও পেশী শক্তির দাপটে রুমি প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে দিনের পর দিন চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, "রুমির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই মাসুদের ভয় দেখানো হয়। তাদের সিন্ডিকেটের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।"
রুমির বিরুদ্ধে শুধু চাঁদাবাজি নয়, বড় ধরনের জালিয়াতির অভিযোগও উঠে এসেছে। জানা গেছে, জনতা ব্যাংক দিলকুশা শাখার অধীনে থাকা সরকারি বা ব্যাংকের সম্পত্তিকে রুমি নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে দাবি করছেন। এর সমর্থনে তিনি ৫৯ ৬৯৬৩২ নম্বর সংবলিত একটি স্ট্যাম্প ব্যবহার করে ভুয়া মালিকানা প্রদর্শন করছেন।
গত ১ আগস্ট ২০২৫ থেকে এই জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি কয়েকশ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছেন। যারা এই চাঁদা দিতে অস্বীকার করছেন, তাদের দোকান ভাঙচুর, ব্যবসা বন্ধ এবং এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রুমি-মাসুদ সিন্ডিকেটের বসানো এই অবৈধ মাছের বাজারের কারণে খিলক্ষেত এখন এক দূষিত এলাকায় পরিণত হয়েছে:
চলাচলে চরম বিঘ্ন: রাস্তার অর্ধেকের বেশি অংশ দখল করে বাজার বসানোয় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্থবির হয়ে থাকে খিলক্ষেত। ফলে অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়।
পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি: মাছের বর্জ্য ও পচা পানি সরাসরি রাস্তায় ফেলায় এলাকায় অসহনীয় দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে। মশা ও পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির আশঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী।
ব্যবসায়ীদের হাহাকার: প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের অত্যাচারে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছেন। চাহিদামতো টাকা না দিলে লাঞ্ছনা এখন নিত্যদিনের ঘটনা।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এই এলাকায় মাঝে মাঝে লোক দেখানো অভিযান চললেও রুমির চক্রটি রয়ে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন— চিহ্নিত এই অপরাধীদের খুঁটির জোর কোথায়? কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?
ভুক্তভোগী খিলক্ষেতবাসী এই সিন্ডিকেটের হাত থেকে মুক্তি পেতে তিনটি প্রধান দাবি জানিয়েছেন: ১. ইশতিয়াক আহমেদ রুমি ও মাসুদের বিরুদ্ধে দ্রুত ফৌজদারি মামলা দায়ের ও তাদের গ্রেফতার। ২. জনতা ব্যাংকের নথি জালিয়াতির বিরুদ্ধে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আইনি পদক্ষেপ। ৩. প্রধান সড়ক থেকে অবৈধ বাজার স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করে সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ সুগম করা।
খিলক্ষেতবাসীর এখন একটাই প্রত্যাশা— প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এলাকায় স্বাভাবিক নাগরিক জীবন ফিরে আসবে।
সূত্র: অপরাধ উন্মচোন

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
আপনার সরবরাহ করা তথ্যগুলোকে ভিত্তি করে একটি পেশাদার নিউজ রিপোর্টের ফরম্যাটে নিচে সংবাদটি গুছিয়ে লিখে দেওয়া হলো:
অনুসন্ধানে জানা গেছে, খিলক্ষেত প্রধান সড়ক ও আশপাশের গলিতে অবৈধ মাছের বাজারের নিয়ন্ত্রণ ইশতিয়াক আহমেদ রুমির হাতে থাকলেও, এর নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মাসুদ। মাসুদের রাজনৈতিক প্রভাব ও পেশী শক্তির দাপটে রুমি প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে দিনের পর দিন চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, "রুমির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই মাসুদের ভয় দেখানো হয়। তাদের সিন্ডিকেটের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।"
রুমির বিরুদ্ধে শুধু চাঁদাবাজি নয়, বড় ধরনের জালিয়াতির অভিযোগও উঠে এসেছে। জানা গেছে, জনতা ব্যাংক দিলকুশা শাখার অধীনে থাকা সরকারি বা ব্যাংকের সম্পত্তিকে রুমি নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে দাবি করছেন। এর সমর্থনে তিনি ৫৯ ৬৯৬৩২ নম্বর সংবলিত একটি স্ট্যাম্প ব্যবহার করে ভুয়া মালিকানা প্রদর্শন করছেন।
গত ১ আগস্ট ২০২৫ থেকে এই জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি কয়েকশ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছেন। যারা এই চাঁদা দিতে অস্বীকার করছেন, তাদের দোকান ভাঙচুর, ব্যবসা বন্ধ এবং এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রুমি-মাসুদ সিন্ডিকেটের বসানো এই অবৈধ মাছের বাজারের কারণে খিলক্ষেত এখন এক দূষিত এলাকায় পরিণত হয়েছে:
চলাচলে চরম বিঘ্ন: রাস্তার অর্ধেকের বেশি অংশ দখল করে বাজার বসানোয় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্থবির হয়ে থাকে খিলক্ষেত। ফলে অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়।
পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি: মাছের বর্জ্য ও পচা পানি সরাসরি রাস্তায় ফেলায় এলাকায় অসহনীয় দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে। মশা ও পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির আশঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী।
ব্যবসায়ীদের হাহাকার: প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের অত্যাচারে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছেন। চাহিদামতো টাকা না দিলে লাঞ্ছনা এখন নিত্যদিনের ঘটনা।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এই এলাকায় মাঝে মাঝে লোক দেখানো অভিযান চললেও রুমির চক্রটি রয়ে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন— চিহ্নিত এই অপরাধীদের খুঁটির জোর কোথায়? কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?
ভুক্তভোগী খিলক্ষেতবাসী এই সিন্ডিকেটের হাত থেকে মুক্তি পেতে তিনটি প্রধান দাবি জানিয়েছেন: ১. ইশতিয়াক আহমেদ রুমি ও মাসুদের বিরুদ্ধে দ্রুত ফৌজদারি মামলা দায়ের ও তাদের গ্রেফতার। ২. জনতা ব্যাংকের নথি জালিয়াতির বিরুদ্ধে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আইনি পদক্ষেপ। ৩. প্রধান সড়ক থেকে অবৈধ বাজার স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করে সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ সুগম করা।
খিলক্ষেতবাসীর এখন একটাই প্রত্যাশা— প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এলাকায় স্বাভাবিক নাগরিক জীবন ফিরে আসবে।
সূত্র: অপরাধ উন্মচোন

আপনার মতামত লিখুন