সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ-এ গত ১৯ মার্চ এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। ইসলামি দেশগুলোর একটি সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে প্রথমবারের মতো দেশগুলো নিজেদের সক্ষমতা একীভূত করার বিষয়ে আলোচনা করেছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান, মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
বৈঠকে মূলত একটি সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়। জানা গেছে, তুরস্ক গত এক বছর ধরে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির চেষ্টা চালিয়ে আসছে এবং এতে মিসরকেও যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সূত্র মতে, এই জোটটি ন্যাটোর মতো কঠোর সামরিক জোট হবে না; বরং এটি প্রতিরক্ষাশিল্প, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং কৌশলগত সমন্বয়ের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
বৈঠক শেষে হাকান ফিদান বলেন, আঞ্চলিক সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করা জরুরি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “অঞ্চলের দেশগুলো যদি নিজেরাই একত্রিত হয়ে সমাধান না করে, তাহলে বাইরের শক্তি এসে নিজেদের স্বার্থে সমাধান চাপিয়ে দেবে।”
এ সময় ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা, উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক সংঘাত নিয়েও আলোচনা হয়। যৌথ বিবৃতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলার সমালোচনা করা হলেও ইসরায়েলের প্রসঙ্গ সীমিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফিদান আরও বলেন, দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তোলা এবং নির্দিষ্ট ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা এখন সময়ের দাবি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ-এ গত ১৯ মার্চ এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। ইসলামি দেশগুলোর একটি সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে প্রথমবারের মতো দেশগুলো নিজেদের সক্ষমতা একীভূত করার বিষয়ে আলোচনা করেছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান, মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
বৈঠকে মূলত একটি সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়। জানা গেছে, তুরস্ক গত এক বছর ধরে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির চেষ্টা চালিয়ে আসছে এবং এতে মিসরকেও যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সূত্র মতে, এই জোটটি ন্যাটোর মতো কঠোর সামরিক জোট হবে না; বরং এটি প্রতিরক্ষাশিল্প, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং কৌশলগত সমন্বয়ের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
বৈঠক শেষে হাকান ফিদান বলেন, আঞ্চলিক সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করা জরুরি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “অঞ্চলের দেশগুলো যদি নিজেরাই একত্রিত হয়ে সমাধান না করে, তাহলে বাইরের শক্তি এসে নিজেদের স্বার্থে সমাধান চাপিয়ে দেবে।”
এ সময় ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা, উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক সংঘাত নিয়েও আলোচনা হয়। যৌথ বিবৃতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলার সমালোচনা করা হলেও ইসরায়েলের প্রসঙ্গ সীমিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফিদান আরও বলেন, দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তোলা এবং নির্দিষ্ট ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা এখন সময়ের দাবি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন