দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পেন্টাগনের মাথাব্যথার কারণ ইরানের ‘সাশ্রয়ী’ সমরাস্ত্র; পাল্টে যাচ্ছে সমুদ্র যুদ্ধের সমীকরণ।

পেন্টাগনের মাথাব্যথার কারণ ইরানের ‘সাশ্রয়ী’ সমরাস্ত্র; পাল্টে যাচ্ছে সমুদ্র যুদ্ধের সমীকরণ।

সংঘাত আরও উসকে দিতে পারে হরমুজে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন, বাড়ছে শঙ্কা

হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন নিয়ে যা বলছে চীন ও পশ্চিমা বিশ্ব

রুশ বহরে ইরানি ‘শাহেদ’ ড্রোন, বিশ্বকে সতর্ক করলেন জেলেনস্কি

"জাপানের অনীহা: হরমুজ প্রণালিতে সামরিক সংশ্লিষ্টতা এড়াতে চায় কিশিদা সরকার"

"মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ সংঘাত: তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে ইরানের আক্রমণ

"মৃত্যু নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে, অবশেষে মুখ খুলল নেতানিয়াহুর দফতর"

"ইরানের নেতৃত্বে কে? মোজতবা খামেনির অস্তিত্ব নিয়ে ওয়াশিংটনে তোলপাড়"

হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন নিয়ে যা বলছে চীন ও পশ্চিমা বিশ্ব

হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন নিয়ে যা বলছে চীন ও পশ্চিমা বিশ্ব

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের ডাক ট্রাম্পের: চীনসহ মিত্রদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৫ মার্চ, ২০২৬

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চীন, জাপান ও যুক্তরাজ্যসহ মিত্র দেশগুলোকে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কৌশলগত ও আইনি কারণে দেশগুলোর কাছ থেকে এখনো সরাসরি কোনো সাড়া মেলেনি।

ট্রাম্পের আহ্বান ও জ্বালানি সংকট

ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় রেকর্ড ধস নেমেছে। এই সংকট মোকাবিলায় ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, "যেসব দেশ এই পথ দিয়ে তেল পায়, তাদেরই এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র কেবল এই প্রক্রিয়ায় সহায়তা ও সমন্বয় করবে।" তিনি বিশেষ করে চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মিত্র ও অন্যান্য দেশের অবস্থান

ট্রাম্পের এই আহ্বানের পর সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে শুরু করেছে:

  • জাপান: দেশটির নীতি নির্ধারণী প্রধান তাকায়ুকি কোবায়াশি জানিয়েছেন, সংবিধান অনুযায়ী কেবল অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়লেই তারা সামরিক বাহিনী পাঠাতে পারে। বিষয়টি আইনিভাবে বেশ জটিল।

  • চীন: বেইজিং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। তবে জাহাজ মোতায়েনের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে তারা জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব পক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষার কথা বলেছে।

  • ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য: ফ্রান্স পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার পর একটি নিরাপত্তা জোট গঠনের কথা ভাবছে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য বিকল্প পথ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইরানের কঠোর অবস্থান

পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পরিবর্তে আরও সংঘাতের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হরমুজ প্রণালি আরও কিছুদিন বন্ধ রাখার পক্ষেই মত দিয়েছেন। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

হামলা ও পাল্টা হামলা

সংঘাতের রেশ ধরে রোববার ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (IRG-C) দাবি করেছে যে, তারা ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এবং তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, সৌদি আরব তাদের আকাশসীমায় ১০টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করলেও ইরান এই ড্রোন হামলার সাথে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬


হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন নিয়ে যা বলছে চীন ও পশ্চিমা বিশ্ব

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের ডাক ট্রাম্পের: চীনসহ মিত্রদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৫ মার্চ, ২০২৬

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চীন, জাপান ও যুক্তরাজ্যসহ মিত্র দেশগুলোকে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কৌশলগত ও আইনি কারণে দেশগুলোর কাছ থেকে এখনো সরাসরি কোনো সাড়া মেলেনি।

ট্রাম্পের আহ্বান ও জ্বালানি সংকট

ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় রেকর্ড ধস নেমেছে। এই সংকট মোকাবিলায় ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, "যেসব দেশ এই পথ দিয়ে তেল পায়, তাদেরই এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র কেবল এই প্রক্রিয়ায় সহায়তা ও সমন্বয় করবে।" তিনি বিশেষ করে চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মিত্র ও অন্যান্য দেশের অবস্থান

ট্রাম্পের এই আহ্বানের পর সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে শুরু করেছে:

  • জাপান: দেশটির নীতি নির্ধারণী প্রধান তাকায়ুকি কোবায়াশি জানিয়েছেন, সংবিধান অনুযায়ী কেবল অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়লেই তারা সামরিক বাহিনী পাঠাতে পারে। বিষয়টি আইনিভাবে বেশ জটিল।

  • চীন: বেইজিং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। তবে জাহাজ মোতায়েনের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে তারা জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব পক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষার কথা বলেছে।

  • ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য: ফ্রান্স পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার পর একটি নিরাপত্তা জোট গঠনের কথা ভাবছে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য বিকল্প পথ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইরানের কঠোর অবস্থান

পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পরিবর্তে আরও সংঘাতের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হরমুজ প্রণালি আরও কিছুদিন বন্ধ রাখার পক্ষেই মত দিয়েছেন। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

হামলা ও পাল্টা হামলা

সংঘাতের রেশ ধরে রোববার ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (IRG-C) দাবি করেছে যে, তারা ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এবং তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, সৌদি আরব তাদের আকাশসীমায় ১০টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করলেও ইরান এই ড্রোন হামলার সাথে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর