সংসদীয় প্রতিবেদক | ঢাকা
সারাদেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ ২০২৬) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে ৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কাজ চলছে। নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে বিদ্যমান কিছু জটিলতা দ্রুত নিরসন করে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। তিনি বিশেষ করে 'ক্বারিআনা' পাশধারীদের নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের শিক্ষকদের পদায়নেও সরকার কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন।
এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বিগত সরকারের চালু করা ভর্তি লটারি সিস্টেম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "লটারি পদ্ধতি আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয়নি। আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তির পদ্ধতি নির্ধারণে আমরা অংশীজনদের সাথে আলোচনা করে সবার মতামত নেব।"
ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোকে সরকারের নিয়মনীতির আওতায় এনে যুগোপযোগী করার পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। এছাড়া ইবতেদায়ী ও কওমি মাদ্রাসাসহ দেশের সব শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতির আওতায় আনার কাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও তিনি সংসদকে জানান।
সরকারি দলের সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা খাতের উন্নয়নে চলমান কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের তালিকা তুলে ধরেন:
চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (PEDP-4): বাস্তবায়নকাল জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৬।
স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ২০২৫ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে ১৫০টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে।
অবকাঠামো উন্নয়ন: ঢাকা মহানগর ও পূর্বাচলে নান্দনিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প (২০২০-২০২৭)।
বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম (ALO): স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য ৬৪ জেলায় এই প্রকল্প চালু হচ্ছে, যা গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬-এ একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে।
এছাড়া কক্সবাজার, বান্দরবান এবং ভাসানচরে বিশেষ শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প এবং ৫৮টি জেলায় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে বলে মন্ত্রী জানান।

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
সংসদীয় প্রতিবেদক | ঢাকা
সারাদেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ ২০২৬) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে ৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কাজ চলছে। নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে বিদ্যমান কিছু জটিলতা দ্রুত নিরসন করে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। তিনি বিশেষ করে 'ক্বারিআনা' পাশধারীদের নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের শিক্ষকদের পদায়নেও সরকার কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন।
এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বিগত সরকারের চালু করা ভর্তি লটারি সিস্টেম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "লটারি পদ্ধতি আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয়নি। আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তির পদ্ধতি নির্ধারণে আমরা অংশীজনদের সাথে আলোচনা করে সবার মতামত নেব।"
ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোকে সরকারের নিয়মনীতির আওতায় এনে যুগোপযোগী করার পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। এছাড়া ইবতেদায়ী ও কওমি মাদ্রাসাসহ দেশের সব শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতির আওতায় আনার কাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও তিনি সংসদকে জানান।
সরকারি দলের সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা খাতের উন্নয়নে চলমান কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের তালিকা তুলে ধরেন:
চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (PEDP-4): বাস্তবায়নকাল জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৬।
স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ২০২৫ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে ১৫০টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে।
অবকাঠামো উন্নয়ন: ঢাকা মহানগর ও পূর্বাচলে নান্দনিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প (২০২০-২০২৭)।
বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম (ALO): স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য ৬৪ জেলায় এই প্রকল্প চালু হচ্ছে, যা গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬-এ একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে।
এছাড়া কক্সবাজার, বান্দরবান এবং ভাসানচরে বিশেষ শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প এবং ৫৮টি জেলায় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে বলে মন্ত্রী জানান।

আপনার মতামত লিখুন