দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পেন্টাগনের মাথাব্যথার কারণ ইরানের ‘সাশ্রয়ী’ সমরাস্ত্র; পাল্টে যাচ্ছে সমুদ্র যুদ্ধের সমীকরণ।

পেন্টাগনের মাথাব্যথার কারণ ইরানের ‘সাশ্রয়ী’ সমরাস্ত্র; পাল্টে যাচ্ছে সমুদ্র যুদ্ধের সমীকরণ।

সংঘাত আরও উসকে দিতে পারে হরমুজে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন, বাড়ছে শঙ্কা

হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন নিয়ে যা বলছে চীন ও পশ্চিমা বিশ্ব

রুশ বহরে ইরানি ‘শাহেদ’ ড্রোন, বিশ্বকে সতর্ক করলেন জেলেনস্কি

"জাপানের অনীহা: হরমুজ প্রণালিতে সামরিক সংশ্লিষ্টতা এড়াতে চায় কিশিদা সরকার"

"মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ সংঘাত: তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে ইরানের আক্রমণ

"মৃত্যু নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে, অবশেষে মুখ খুলল নেতানিয়াহুর দফতর"

"ইরানের নেতৃত্বে কে? মোজতবা খামেনির অস্তিত্ব নিয়ে ওয়াশিংটনে তোলপাড়"

"জাপানের অনীহা: হরমুজ প্রণালিতে সামরিক সংশ্লিষ্টতা এড়াতে চায় কিশিদা সরকার"

"জাপানের অনীহা: হরমুজ প্রণালিতে সামরিক সংশ্লিষ্টতা এড়াতে চায় কিশিদা সরকার"

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে নারাজ জাপান: সামনে আসছে আইনি বাধা

টোকিও | ১৫ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর মার্কিন আহ্বান কার্যত নাকচ করে দিয়েছে জাপান। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে চাপ থাকলেও টোকিও তার বর্তমান অবস্থানে অনড় রয়েছে, যার মূলে রয়েছে দেশটির কঠোর সামরিক আইন ও সংঘাত এড়ানোর নীতি।

জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) নীতি নির্ধারণী প্রধান তাকায়ুকি কোবায়াশি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

ট্রাম্পের আহ্বান ও জাপানের প্রতিক্রিয়া

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপানসহ বিভিন্ন মিত্র দেশকে তাদের নিজস্ব তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোর পাহারায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। জাপানের পাবলিক ব্রডকাস্টার এনএইচকে-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কোবায়াশি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে নৌবাহিনী পাঠানো জাপানের জন্য অত্যন্ত কঠিন একটি সিদ্ধান্ত।

আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতা

কোবায়াশি তার বক্তব্যে প্রধানত দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন:

  • কঠোর মানদণ্ড: জাপানের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানোর শর্তগুলো অত্যন্ত কঠোর।

  • সংবিধানের সীমাবদ্ধতা: জাপানের ‘শান্তিবাদী সংবিধান’ সরাসরি কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক শক্তি মোতায়েন করার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে আইনিভাবে এই সম্ভাবনা একেবারে নাকচ না করলেও, এটি বাস্তবায়ন করা টোকিওর জন্য চরম রাজনৈতিক ও কৌশলগত ঝুঁকির বিষয়।

ওয়াশিংটনের সাথে কূটনৈতিক টানাপোড়েন

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলেও জাপান সরাসরি কোনো সামরিক জোটে জড়িয়ে পড়তে চাইছে না। সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণের পরিবর্তে জাপান এখন পর্যন্ত অত্যন্ত রক্ষণশীল ও সতর্ক কূটনৈতিক অবস্থানেই অনড় রয়েছে। মূলত নিজের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখতেই জাপান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬


"জাপানের অনীহা: হরমুজ প্রণালিতে সামরিক সংশ্লিষ্টতা এড়াতে চায় কিশিদা সরকার"

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে নারাজ জাপান: সামনে আসছে আইনি বাধা

টোকিও | ১৫ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর মার্কিন আহ্বান কার্যত নাকচ করে দিয়েছে জাপান। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে চাপ থাকলেও টোকিও তার বর্তমান অবস্থানে অনড় রয়েছে, যার মূলে রয়েছে দেশটির কঠোর সামরিক আইন ও সংঘাত এড়ানোর নীতি।

জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) নীতি নির্ধারণী প্রধান তাকায়ুকি কোবায়াশি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

ট্রাম্পের আহ্বান ও জাপানের প্রতিক্রিয়া

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপানসহ বিভিন্ন মিত্র দেশকে তাদের নিজস্ব তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোর পাহারায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। জাপানের পাবলিক ব্রডকাস্টার এনএইচকে-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কোবায়াশি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে নৌবাহিনী পাঠানো জাপানের জন্য অত্যন্ত কঠিন একটি সিদ্ধান্ত।

আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতা

কোবায়াশি তার বক্তব্যে প্রধানত দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন:

  • কঠোর মানদণ্ড: জাপানের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানোর শর্তগুলো অত্যন্ত কঠোর।

  • সংবিধানের সীমাবদ্ধতা: জাপানের ‘শান্তিবাদী সংবিধান’ সরাসরি কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক শক্তি মোতায়েন করার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে আইনিভাবে এই সম্ভাবনা একেবারে নাকচ না করলেও, এটি বাস্তবায়ন করা টোকিওর জন্য চরম রাজনৈতিক ও কৌশলগত ঝুঁকির বিষয়।

ওয়াশিংটনের সাথে কূটনৈতিক টানাপোড়েন

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলেও জাপান সরাসরি কোনো সামরিক জোটে জড়িয়ে পড়তে চাইছে না। সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণের পরিবর্তে জাপান এখন পর্যন্ত অত্যন্ত রক্ষণশীল ও সতর্ক কূটনৈতিক অবস্থানেই অনড় রয়েছে। মূলত নিজের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখতেই জাপান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর