নিজস্ব প্রতিবেদক | আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে দুবাইগামী ফ্লাইট চলাচলের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জার্মান বিমান সংস্থা লুফথানসা (Lufthansa)। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, অন্তত আগামী ২৮ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত তারা দুবাই রুটে কোনো ফ্লাইট পরিচালনা করবে না।
লুফথানসার সিদ্ধান্ত: নিরাপত্তার খাতিরে দুবাই ও আবুধাবিগামী ফ্লাইট স্থগিতের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
কেএলএম-এর পথ অনুসরণ: লুফথানসার এই ঘোষণার ঠিক একদিন আগেই ডাচ এয়ারলাইন কেএলএম (KLM) তাদের ফ্লাইট স্থগিতের একই রকম সিদ্ধান্ত জানায়।
আঞ্চলিক প্রভাব: শুধু দুবাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরান, লেবানন ও ইসরায়েল রুটেও অধিকাংশ ইউরোপীয় এয়ারলাইনস তাদের কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ রেখেছে।
মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক আকাশপথ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক এয়ারলাইনস তাদের নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করছে। এর ফলে: ১. জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি: দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে উড়োজাহাজগুলোর জ্বালানি খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে। ২. সময়ক্ষেপণ: যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগছে। ৩. বিমানভাড়ায় প্রভাব: পরিচালনা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে বিমানভাড়ার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আকাশচুম্বী ভাড়ার কারণে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আল জাজিরার তথ্যমতে, এই পরিস্থিতির স্থায়িত্ব নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতির উন্নতির ওপর। লুফথানসা গ্রুপ (যার মধ্যে SWISS ও Austrian Airlines অন্তর্ভুক্ত) নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট পুনরায় চালু না করার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।
যাঁদের এই সময়ের মধ্যে দুবাই বা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে ভ্রমণের টিকিট কাটা ছিল, তাঁদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইট বা ট্রাভেল এজেন্টের সাথে যোগাযোগ করে রিফান্ড অথবা বিকল্প ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক | আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে দুবাইগামী ফ্লাইট চলাচলের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জার্মান বিমান সংস্থা লুফথানসা (Lufthansa)। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, অন্তত আগামী ২৮ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত তারা দুবাই রুটে কোনো ফ্লাইট পরিচালনা করবে না।
লুফথানসার সিদ্ধান্ত: নিরাপত্তার খাতিরে দুবাই ও আবুধাবিগামী ফ্লাইট স্থগিতের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
কেএলএম-এর পথ অনুসরণ: লুফথানসার এই ঘোষণার ঠিক একদিন আগেই ডাচ এয়ারলাইন কেএলএম (KLM) তাদের ফ্লাইট স্থগিতের একই রকম সিদ্ধান্ত জানায়।
আঞ্চলিক প্রভাব: শুধু দুবাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরান, লেবানন ও ইসরায়েল রুটেও অধিকাংশ ইউরোপীয় এয়ারলাইনস তাদের কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ রেখেছে।
মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক আকাশপথ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক এয়ারলাইনস তাদের নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করছে। এর ফলে: ১. জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি: দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে উড়োজাহাজগুলোর জ্বালানি খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে। ২. সময়ক্ষেপণ: যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগছে। ৩. বিমানভাড়ায় প্রভাব: পরিচালনা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে বিমানভাড়ার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আকাশচুম্বী ভাড়ার কারণে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আল জাজিরার তথ্যমতে, এই পরিস্থিতির স্থায়িত্ব নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতির উন্নতির ওপর। লুফথানসা গ্রুপ (যার মধ্যে SWISS ও Austrian Airlines অন্তর্ভুক্ত) নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট পুনরায় চালু না করার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।
যাঁদের এই সময়ের মধ্যে দুবাই বা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে ভ্রমণের টিকিট কাটা ছিল, তাঁদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইট বা ট্রাভেল এজেন্টের সাথে যোগাযোগ করে রিফান্ড অথবা বিকল্প ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন