নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ৫ মার্চ, ২০২৬
দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে রমজানে রাষ্ট্রীয়ভাবে বড় পরিসরের জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে প্রথা অনুযায়ী এতিম, আলেম-উলামা এবং বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে সীমিত পরিসরে দুটি ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী ৬ মার্চ (শুক্রবার) বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে এবং ৭ মার্চ (শনিবার) এতিম ও আলেম-উলামাদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন। এই দুটি অনুষ্ঠানই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হবে।
পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৮ মার্চ রাজনীতিবিদদের সম্মানে এবং ১০ মার্চ গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার পার্টির আয়োজন করার কথা ছিল। তবে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দুটি অনুষ্ঠানই বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
সাধারণত প্রতিবছর রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তবে এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর তারেক রহমান নিজের বাসভবনে পরিবারের সদস্যদের সাথেই ইফতার করছেন। জনকল্যাণ ও কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবেই রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজন না করার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ৫ মার্চ, ২০২৬
দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে রমজানে রাষ্ট্রীয়ভাবে বড় পরিসরের জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে প্রথা অনুযায়ী এতিম, আলেম-উলামা এবং বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে সীমিত পরিসরে দুটি ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী ৬ মার্চ (শুক্রবার) বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে এবং ৭ মার্চ (শনিবার) এতিম ও আলেম-উলামাদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন। এই দুটি অনুষ্ঠানই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হবে।
পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৮ মার্চ রাজনীতিবিদদের সম্মানে এবং ১০ মার্চ গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার পার্টির আয়োজন করার কথা ছিল। তবে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দুটি অনুষ্ঠানই বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
সাধারণত প্রতিবছর রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তবে এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর তারেক রহমান নিজের বাসভবনে পরিবারের সদস্যদের সাথেই ইফতার করছেন। জনকল্যাণ ও কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবেই রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজন না করার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন