উত্তর উপসাগরে মার্কিন ট্যাঙ্কারে ইরানের হামলা, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ৫ মার্চ, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার মধ্যে উত্তর উপসাগরে একটি মার্কিন ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে আইআরজিসি দাবি করেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এই খবর নিশ্চিত করেছে।
হামলার পরপরই এক বিবৃতিতে আইআরজিসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের সমর্থনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর কোনো সামরিক বা বাণিজ্যিক জাহাজকে আর হরমুজ প্রণালি দিয়ে পার হতে দেওয়া হবে না। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব দেশের কোনো জাহাজ ওই জলসীমায় দেখা গেলে নিশ্চিতভাবে হামলা চালানো হবে।
নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আইআরজিসি বলেছে, “আমরা আগেও বলেছি যে—আন্তর্জাতিক আইন ও প্রস্তাবসমূহের ভিত্তিতে, যুদ্ধের সময়ে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করার পূর্ণ অধিকার থাকবে।” ইরান মনে করছে, বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া তাদের সার্বভৌম অধিকারের অংশ।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-তৃতীয়াংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে ইরানের এই নিষেধাজ্ঞা এবং সরাসরি হামলার ঘটনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।
এখন পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটন বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিকল্প ১: মার্কিন ট্যাঙ্কারে ইরানের আঘাত: হরমুজ প্রণালীতে ইসরায়েল ও পশ্চিমা জাহাজ নিষিদ্ধ
বিকল্প ২: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা: উত্তর উপসাগরে মার্কিন জাহাজে আইআরজিসির হামলা
বিকল্প ৩: হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিল ইরান, মার্কিন ট্যাঙ্কারে হামলা

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
উত্তর উপসাগরে মার্কিন ট্যাঙ্কারে ইরানের হামলা, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ৫ মার্চ, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার মধ্যে উত্তর উপসাগরে একটি মার্কিন ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে আইআরজিসি দাবি করেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এই খবর নিশ্চিত করেছে।
হামলার পরপরই এক বিবৃতিতে আইআরজিসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের সমর্থনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর কোনো সামরিক বা বাণিজ্যিক জাহাজকে আর হরমুজ প্রণালি দিয়ে পার হতে দেওয়া হবে না। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব দেশের কোনো জাহাজ ওই জলসীমায় দেখা গেলে নিশ্চিতভাবে হামলা চালানো হবে।
নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আইআরজিসি বলেছে, “আমরা আগেও বলেছি যে—আন্তর্জাতিক আইন ও প্রস্তাবসমূহের ভিত্তিতে, যুদ্ধের সময়ে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করার পূর্ণ অধিকার থাকবে।” ইরান মনে করছে, বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া তাদের সার্বভৌম অধিকারের অংশ।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-তৃতীয়াংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে ইরানের এই নিষেধাজ্ঞা এবং সরাসরি হামলার ঘটনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।
এখন পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটন বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিকল্প ১: মার্কিন ট্যাঙ্কারে ইরানের আঘাত: হরমুজ প্রণালীতে ইসরায়েল ও পশ্চিমা জাহাজ নিষিদ্ধ
বিকল্প ২: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা: উত্তর উপসাগরে মার্কিন জাহাজে আইআরজিসির হামলা
বিকল্প ৩: হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিল ইরান, মার্কিন ট্যাঙ্কারে হামলা

আপনার মতামত লিখুন