নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬, রংপুর-৪ ও রাজশাহী-১ আসনের ব্যালট পেপার এবং রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নির্বাচনী নথিপত্র হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল।
আজ সোমবার (২ মার্চ, ২০২৬) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক নির্বাচনী বেঞ্চ বিএনপি মনোনীত চার প্রার্থীর আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন বিএনপির ৪ প্রার্থী। তারা হলেন:
সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ (কুড়িগ্রাম-২)
সাইফুল ইসলাম (রংপুর-৬)
এমদাদুল হক ভরসা (রংপুর-৪)
মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন (রাজশাহী-১)
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে করা আবেদনগুলো শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে এই বিশেষ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন এই বেঞ্চে বর্তমানে এসব স্পর্শকাতর আবেদনের শুনানি চলছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালের সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী এই বেঞ্চে নির্বাচনী আবেদনপত্র গ্রহণ ও রুল শুনানির এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে এ পর্যন্ত মোট নয়জন প্রার্থী পৃথকভাবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন। এর মধ্যে প্রাথমিক শুনানি শেষে আজ উল্লিখিত চারটি আসনের আবেদন গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট নথি ও ব্যালট পেপার সংরক্ষণের নির্দেশ দিলেন আদালত। বাকি আবেদনগুলোও পর্যায়ক্রমে শুনানির তালিকায় রয়েছে।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬, রংপুর-৪ ও রাজশাহী-১ আসনের ব্যালট পেপার এবং রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নির্বাচনী নথিপত্র হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল।
আজ সোমবার (২ মার্চ, ২০২৬) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক নির্বাচনী বেঞ্চ বিএনপি মনোনীত চার প্রার্থীর আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন বিএনপির ৪ প্রার্থী। তারা হলেন:
সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ (কুড়িগ্রাম-২)
সাইফুল ইসলাম (রংপুর-৬)
এমদাদুল হক ভরসা (রংপুর-৪)
মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন (রাজশাহী-১)
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে করা আবেদনগুলো শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে এই বিশেষ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন এই বেঞ্চে বর্তমানে এসব স্পর্শকাতর আবেদনের শুনানি চলছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালের সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী এই বেঞ্চে নির্বাচনী আবেদনপত্র গ্রহণ ও রুল শুনানির এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে এ পর্যন্ত মোট নয়জন প্রার্থী পৃথকভাবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন। এর মধ্যে প্রাথমিক শুনানি শেষে আজ উল্লিখিত চারটি আসনের আবেদন গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট নথি ও ব্যালট পেপার সংরক্ষণের নির্দেশ দিলেন আদালত। বাকি আবেদনগুলোও পর্যায়ক্রমে শুনানির তালিকায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন