নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (সাবেক বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতের আমন্ত্রণে তিনি এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ইফতার মাহফিলে এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয় যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান একই টেবিলে বসে ইফতার করেন। তাঁদের সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের পর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণের এই সময়ে দুই শীর্ষ নেতার একই ইফতারে অংশগ্রহণকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সুধীবৃন্দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "আজকে আমাদের এই ইফতার মাহফিলে আসুন আমরা আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ করি—আমাদের আগামী দিনের কাজগুলো হবে এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। আল্লাহর কাছে সেই রহমত চাই, যার মাধ্যমে তিনি আমাদের দেশের সেবা করার তৌফিক দান করবেন।"
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বিগত এক দশকের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের কথা স্মরণ করে বলেন:
"দেশের মানুষ আজ অনেক প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে। দীর্ঘ সময়ের অত্যাচার, নির্যাতন, গুম ও খুনের শিকার হয়ে মানুষ যে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করেছে, তাকে সার্থক করতে হবে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হাজারো মানুষের আত্মত্যাগ এবং লাখো মানুষের নির্যাতনের বিনিময়ে অর্জিত বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
ইফতার মাহফিলে দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের এক মিলনমেলা বসেছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন:
সরকারের পক্ষে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ: স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ড. আব্দুল মঈন খান।
রাজনৈতিক জোট ও অন্যান্য: বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতের নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য ড. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এলডিপি সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
অন্যান্য: এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাংবাদিকবৃন্দ।
ইফতারের পূর্বে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (সাবেক বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতের আমন্ত্রণে তিনি এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ইফতার মাহফিলে এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয় যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান একই টেবিলে বসে ইফতার করেন। তাঁদের সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের পর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণের এই সময়ে দুই শীর্ষ নেতার একই ইফতারে অংশগ্রহণকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সুধীবৃন্দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "আজকে আমাদের এই ইফতার মাহফিলে আসুন আমরা আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ করি—আমাদের আগামী দিনের কাজগুলো হবে এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। আল্লাহর কাছে সেই রহমত চাই, যার মাধ্যমে তিনি আমাদের দেশের সেবা করার তৌফিক দান করবেন।"
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বিগত এক দশকের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের কথা স্মরণ করে বলেন:
"দেশের মানুষ আজ অনেক প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে। দীর্ঘ সময়ের অত্যাচার, নির্যাতন, গুম ও খুনের শিকার হয়ে মানুষ যে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করেছে, তাকে সার্থক করতে হবে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হাজারো মানুষের আত্মত্যাগ এবং লাখো মানুষের নির্যাতনের বিনিময়ে অর্জিত বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
ইফতার মাহফিলে দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের এক মিলনমেলা বসেছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন:
সরকারের পক্ষে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ: স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ড. আব্দুল মঈন খান।
রাজনৈতিক জোট ও অন্যান্য: বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতের নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য ড. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এলডিপি সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
অন্যান্য: এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাংবাদিকবৃন্দ।
ইফতারের পূর্বে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন