প্রিন্ট এর তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই পাস: সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল, ওয়াকআউট বিরোধীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
তুমুল বিতর্ক ও বিরোধী দলের তীব্র আপত্তির মধ্যেই জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিল। এর ফলে বিচারক নিয়োগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশসহ সংশ্লিষ্ট বিধান বাতিল হয়ে যাচ্ছে এবং প্রক্রিয়াটি আবারও আগের নিয়মে ফিরে যাচ্ছে।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল’ পাস করা হয়।এই বিলগুলোর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে। তবে এসব অধ্যাদেশের অধীনে ইতোমধ্যে নেওয়া সিদ্ধান্ত—বিশেষ করে ২৫ জন বিচারকের নিয়োগসহ অন্যান্য কার্যক্রম—বৈধ হিসেবে বহাল থাকবে বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।এদিকে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সচিবালয়টি বিলুপ্ত হচ্ছে। সচিবালয়ের অধীনে থাকা বাজেট, উন্নয়ন প্রকল্প ও চলমান কার্যক্রম আইন ও বিচার বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে সচিবালয়ের জন্য সৃষ্ট পদগুলোও বাতিল করা হবে এবং সেখানে কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের চাকরি পূর্ববর্তী আইনের আওতায় পরিচালিত হবে।এই বিল পাসকে কেন্দ্র করে সংসদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, সংসদে একাধিক “গণবিরোধী” বিল পাস করা হয়েছে।তিনি বলেন, বিরোধী দলের যৌক্তিক আপত্তি উপেক্ষা করে এসব বিল পাস করা হয়েছে, যার দায় তারা নিতে চান না।এর প্রতিবাদে তার নেতৃত্বে বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন, যা অধিবেশনে উত্তেজনার মাত্রা আরও বাড়িয়ে তোলে।বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল
আগের নিয়মে ফিরছে নিয়োগ প্রক্রিয়া
২৫ জন বিচারকের নিয়োগ বহাল থাকবে
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত
বিরোধীদের ওয়াকআউট ও তীব্র সমালোচনা
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর