প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
"মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটিকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ ঘোষণা করল ইরান"
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি এখন ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসির হুঁশিয়ারিআন্তর্জাতিক ডেস্ক | শনিবারইরানের খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম-এর বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।আইআরজিসির কড়া বার্তাআইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন সেনাদের শিপিং পোর্ট (বন্দর), ডক এবং অন্যান্য আস্তানা থেকে আসা যেকোনো হামলার উৎস লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ চালানো হবে। একে তারা ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষার ‘বৈধ অধিকার’ বলে দাবি করেছে।বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:"সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের উচিত জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে মার্কিন সামরিক এলাকা, বন্দর এবং ডকগুলো থেকে দ্রুত দূরে সরে যাওয়া।"খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলাএর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে সফল হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, দ্বীপটির সকল সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে, তবে সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করা হয়নি।খার্গ দ্বীপের গুরুত্ব কেন বেশি?অর্থনীতির লাইফলাইন: ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই দ্বীপ থেকেই সম্পন্ন হয়।কৌশলগত অবস্থান: বড় বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলো এই দ্বীপ থেকে তেল নিয়ে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বিশ্ববাজারে যায়।প্রধান ক্রেতা: চীনের মতো দেশগুলো ইরানের তেলের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, যারা এই দ্বীপ থেকেই মূলত তেল সংগ্রহ করে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর